জীবনে আর যাই করুন মিটারে মাইলেজ দেখে সেকেন্ড হ্যান্ড বাইকের শোরুম থেকে কখনো পুরাতন বাইক কিনবেন না।
গতমাসে আমার ব্যবহৃত "হিরো হাঙ্ক" বাইকটি বিক্রির জন্য বিভিন্ন গ্রুপে এবং ফেসবুক মার্কেটপ্লেসে পোষ্ট করি। যার দাম নির্ধারন করেছিলাম "আটষট্টি হাজার" টাকা।
"ষাট হাজার কিলোমিটার রান" এবং "পাঁচ বছর ব্যবহৃত।"
সর্বশেষ ভালো রেসপন্স না পেয়ে পুরাতন বাইক কেনাবেচা করে এরকম একটা শোরুমে "বাষট্টি হাজার টাকায়" বিক্রি করে দেই।
তার একদিন পরে আমার পোষ্ট দেখা এক ভাই ঐ শোরুমে যায় বাইক কিনতে।
তিনি তখন খেয়াল করেননি যে এটা আমার পোস্ট করা বাইক। উনি প্রায় কিনেই ফেলেছিলেন, এমন অবস্থায় লুকিং গ্লাস ভাঙ্গা দেখে উনার আমার বাইকের কথা মনে পড়ে যাওয়াতে উনি কৌশলে ঐ জায়গা থেকে সরে গিয়ে আমাকে কল দেন।
ওনার থেকে জানতে পারি ওই বাইকের মিটার নাকি কমিয়ে "বারো হাজার রান" করে ফেলছে। টায়ারটি পাল্টানোর কারনে উনি বুঝতেই পারেননি বাইকটি এতো বেশী পুরোনা। এছাড়া দাম চেয়েছে অনেক বেশি।
পুরাতন বাইকের ব্যাবসায়ীরা মিটার ট্যাম্পারিং করে এটা জানতাম, তবে প্রায় "একষট্টি হাজার" কিলোমিটার চলা একটা বাইক কারসাজি করে মাত্র "বারো হাজার" দেখিয়ে বিক্রি করতে পারে এমনটা কখনো ভাবিনি।
তাই যারা মিটারে অল্প মাইলেজ দেখে খুশি হয়ে বেশি দামে পুরাতন বাইকের শোরুম থেকে বাইক কিনে ফেলেন তাদেরকে বলবো ভালো করে বাইকের কন্ডিশন বুঝে তারপর দরদাম করে বাইক কিনবেন। মিটারে কম মাইলেজ দেখে বাইক কিনলে ঠকে যাবার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকবে। কারন ইউজারের ইউজের ভিত্তিতে অনেক সময় মাত্র পাচ হাজার কিমিতেও বাইকের অবস্থা খুব খারাপ হয়ে যেতে পারে, আবার যারা যত্ন করে ইউজ করে তাদের হাতে একই মডেলের বাইক ৫০ হাজার কিমিতেও অনেক ফ্রেশ এবং হেলদি কন্ডিশনে থাকে।
তাই ইউজড বাইক কিনলে অবশ্যই বাইকের কন্ডিশন বুঝে কেনা উচিত।
সবাইকে সচেতন করার জন্য পোস্টটি শেয়ার করুন।
অভিজ্ঞতা জানিয়েছেনঃ Md Nurul Haque

No comments:
Post a Comment