Showing posts with label General Knowledge. Show all posts
Showing posts with label General Knowledge. Show all posts

লঞ্চ হলো Hornet 2.0, দাম কত??

 




বাংলাদেশের বাজারে লঞ্চ হলো Most Awaited Bike Honda Hornet 2.0.


বাইকটতে আছে 184.4 সিসির একটি পাওয়ারফুল ইঞ্জিন যার পাওয়ার আউটপুট 17.26 bhp এবং টর্ক 15.9 নিউটন মিটার। স্কয়ার ইঞ্জিন হবার কারনে এই বাইকটা চালিয়ে যেকোনো ধরনের রাস্তায় নিঃসন্দেহে চমৎকার রাইডিং এক্সপেরিয়েন্স পাওয়া যাবে। 
আরো থাকছে USD সাস্পেনশন যা বাইকের অসাধারণ  হ্যান্ডেলিং নিশ্চিত করবে। ব্রেকিং সিস্টেমে আছে ABS. 
Fi ইঞ্জিন হওয়ায় ভালো মাইলেজ প্রোভাইড করবে এই বাইকটি৷ আরো এডভান্সড ফিচারের মধ্যে আছে
Gear Position Indicator, 

Battery Voltmeter, 

Side Stand Engine Cut Off, 

Assist Slipper Clutch 

Hazard Switch ইত্যাদি। 


ভারতের বাজারে বাইকটির দাম ১ লাখ ৩৯ হাজার রুপি। 
বাংলাদেশের বাজারে দাম ধরা হয়েছে ২,৮৯,০০০ টাকা। 
আশা করছি Bangladesh Honda Private Limited বরাবরের স্পেসিফিকেশন এবং ফিচার অনুযায়ী বাইকের দাম রিজনেবল রেখেছে এটা নিয়ে সন্দেহের অবকাশ নেই। 
আশা করা যায় বাইকারদের জন্য এই বাইকটি দারুন একটা চয়েস হবে। 


আফটার সেল সার্ভিস নাকি স্ক্যাম?

 


বাইকের কোয়ালিটি ভালো হলে আফটার সেল সার্ভিস নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তিত হবার প্রয়োজন হয়না। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো যে বাইকটা কিনছেন সেই বাইকের স্পেয়ার পার্টস খোলা বাজারে মোস্ট এভেইলেবল কিনা এবং দাম কেমন সেটা জেনে নেয়া। 


বাংলাদেশে আফটার সেল সার্ভিস একটা বিরাট স্ক্যামের নাম।

আফটার সেল সার্ভিসের আড়ালে চলে বাইকারদের পকেট কাটা এবং স্পেয়ার পার্টস বানিজ্য। অথচ এর উল্টো হওয়া উচিত ছিলো। 


ছোট একটা উদাহরণ দেই। ধরুন, আপনি একটা নতুন বাইক ১০ থেকে ১২ হাজার কিমি চালালেন, স্বাভাবিকভাবেই সামনের চেইন স্পকেটটা ক্ষয়ে যাবে যা রিপ্লেস করতে ২৫০-৩০০ টাকা লাগে। এতে আপনার বাইকের চেইন আরো ১২/১৫ হাজার কিমি চলার জন্য রেডি হয়ে গেলো। অথচ, অফিসিয়াল সার্ভিস সেন্টারে গেলে আপনাকে পুরো চেইন স্প্রকেট সেট পরিবর্তন করার পরামর্শ দেবে এবং ভয়ভীতি দেখিয়ে ইন্সিস্ট করবে, এতে আপনার খরচ হবে ৪ হাজার টাকার আশেপাশে। অথচ এই ফুল চেইন সেট রিপ্লেসমেন্ট একেবারেই অপ্রয়োজনীয় ছিলো।


যে ব্রান্ড আফটার সেল সার্ভিস নিয়ে যতবেশি গলাবাজি করবে বুঝে নিতে হবে সেই ব্রান্ডের বাইকের কোয়ালিটিতে ততবেশি ঝামেলা আছে। 


অনেকেই খেয়াল করেন না যে, ফ্রি সার্ভিসের নামে যে সার্ভিসগুলো দেয়া হয় সেটা আসলেই ফ্রি না। বাইকের দামের সাথে সার্ভিসের চার্জ আগেই নিয়ে নেয় বাইক কোম্পানি। 

একই সাথে কৌশলে নানান শর্ত এবং ডেড লাইন জুড়ে দেয়। আর এখান থেকেই স্ক্যামের শুরু...


(সচেতন হোন, আপনার বাইকার বন্ধুকে সচেতন করতে পোস্টটা কপি অথবা শেয়ার করতে পারেন)

লঞ্চিং এর আগেই টেস্ট রাইড?? এটাও সম্ভব?

 


সাধারণত যেটা হয়, একটা বাইক অফিসিয়ালি লঞ্চ হবার আগে বাইকের চেহারা কেমন সেটা দেখার কোনো সুযোগ থাকে না। 

একমাত্র নির্দিষ্ট কিছু টেস্ট ড্রাইভাররা কনফিডেনসিয়ালি বিভিন্ন রোড কন্ডিশনে অথবা ফ্যাক্টরিতে বিভিন্নভাবে বাইকের পার্ফমেন্স এবং ডিউরেবিলিটি টেস্ট করে থাকেন, প্রয়োজনীয় অব্জারভেশন দেন এবং সেগুলো কারেকশন করার পর বাইক অফিসিয়ালি লঞ্চ করা হয়। 


তবে এই প্রথম অফিসিয়ালি ৬০০০ কিলোমিটার এন্ডুরেন্স টেস্ট করার পাশাপাশি রুল ব্রেক করে কমন বাইকাররা বাইকটি টেস্ট করে দেখা এবং অব্জারভেশন শেয়ার করার সুযোগ পেলো। বাইকের কোয়ালিটি নিয়ে কতটা কনফিডেন্ট হলে এতটা দুঃসাহস দেখানো সম্ভব সেটা ভেবে বেশ অবাক হলাম। 

Thanks A Lot To Honourable managing director Abdul Ahmad To Make This Possible. 


তবে অফিসিয়াল রেস্ট্রিকশনের কারনে বাইকটি কার্বন Wrap করা ছিলো যার কারনে বাইকের নাম এবং কালার হিডেন ছিলো। 



যাই হোক, বাইকটি নিয়ে বাইকারদের Excitement দেখেও অবাক হয়েছি। অবশ্য টেস্ট রাইড করার পর এই এক্সাইটমেন্টের কারন আমিও বুঝতে পারলাম। 


স্পোর্টি লুক, ফিচার, ইঞ্জিন রিফাইনমেন্ট, পাওয়ার, এক্সিলারেশন, স্মুথনেস, কম্ফোর্ট, ব্যালেন্স মিলিয়ে দারুন একটা প্যাকেজ। সুন্দর পাওয়ার আউটপুটের কারনে চালিয়ে মনেই হয়নি ১২৫ সিসি বাইক চালাচ্ছি, বরং পাওয়ারের দিক থেকে বাজারের কিছু কিছু ১৫০ সিসি বাইকের Equivalent বলেই মনে হলো। তাছাড়া ১২৫ সিসি সেগমেন্টে এই বাইক অফার করছে ABS, Which is very impressive.





যেহেতু ১২৫ সিসি সেগমেন্টের বাইকের মার্কেট বেশ প্রাইস সেন্সেটিভ তাই প্রাইসিং নিয়ে সবচেয়ে বেশি query ছিলো।

কিছু বড় ব্রান্ডের ক্ষেত্রে দেখেছি প্রোডাক্ট ওভারপ্রাইসড করে রাখতে এবং দাম বেশি মানেই প্রোডাক্ট খুব প্রিমিয়াম এমন একটা মাইন্ডসেট ক্রিয়েট করার চেস্টা করতে। তবে দেশের বাইকাররা এখন অনেক স্মার্ট, দামের বিপরীতে ফিচার & কোয়ালিটি জাস্টিফাই করতে শিখছে আস্তে আস্তে, এটা বেশ ভালো ব্যাপার। 


Hero Bangladesh এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর আশ্বাস দিয়েছেন একটা ভালো কোয়ালিটির fi ABS বাইকের লজিক্যাল দাম যা হওয়া উচিত তার চেয়ে কম দাম রাখার চেস্টা করা হবে যেন এই মন্দার বাজারে বাইকারদের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যেই বাইকটি থাকে। 

আমার বিশ্বাস সব ঠিকঠাক থাকলে ১২৫ সিসি সেগমেন্টে Xtreme 125R বাইকটি হতে যাচ্ছে Game Changer!! 


Spec & Featurewise হিরো বরাবরই তাদের প্রোডাক্ট প্রাইস রিজনেবল রাখার চেস্টা করে এটা ভালো ব্যাপার। আমিও চাই যৌক্তিক দামে দেশের বাইকাররা ভালো ভালো বাইক ব্যাবহার করার সুযোগ পাক। 


Bike Doctor BD

রেইনকোট কেনার সিক্রেট টিপস

 


কিছুদিন পরেই বর্ষাকাল। প্রায় প্রতিদিনই বৃস্টি মাথায় নিয়ে কাজে বের হতে হবে কর্মজীবী মানুষদের।

আর কর্মজীবীদের একটা বড় অংশই বাইকার।  

তাই বৃষ্টির দিনে না ভিজে গন্তব্যে পৌছাতে একটা ভালো রেইনকোটের বিকল্প নেই।

তবে মুল সমস্যা হলো ভালো রেইনকোট চিনবো কি করে? পাবো কোথায়??? 


রেইনকোটের মুল এবং একমাত্র কাজ হলো বৃষ্টির পানি থেকে আমাদেরকে প্রোটেকশন দেয়া। কিন্ত এই কাজে যদি রেইনকোট ব্যার্থ হয় তাহলে সেই রেইনকোট মুল্যহীন। 

তাছাড়া লিক হয়ে রেইনকোটের ভিতর পানি ঢুকে গেলে খুবই বিব্রতকর পরিস্থিতির স্বীকার হতে হয়।


বাজারে এভেইলেবল বেশিরভাগ রেইনকোটই শতভাগ পানিরোধী নয়। ওয়াটার লিকেজ এড়াতে আমরা অনেক নামীদামী রেইনকোট টেস্ট করে দেখেছি এবং হতাশ হয়েছি।

টাকার অপচয় হয়েছে অনেক।

উপরের পার্ট মোটামুটি পানিরোধী হলেও প্যান্ট দিয়ে পানি লিক করার প্রবনতা থাকে যার ফলে পুরো রেইনকোটই ব্যাবহারের অযোগ্য হয়ে পড়ে।  

তাই আজকে শেয়ার করবো রেইনকোট কেনার কিছু সিক্রেট টিপস, আর আপনারা জানেন Bike Doctor BD টিপস মানেই পয়সা বাচানো প্র‍্যাকটিক্যাল টিপস। 


☑️ প্রথমেই সর্বনিম্ন ৫০০-৭০০ এবং সর্বোচ্চ ৩৫০০-৪৫০০ এই দুইটা রেঞ্জের রেইনকোট লিস্ট থেকে বাদ দিয়ে দিন। কারন ৫০০ টাকার রেইনকোট অত্যন্ত নিম্মমানের এবং ৩৫০০ টাকার উপরের রেইনকোট দিয়েও পানি লিক করার প্রচুর কম্পলেইন আমরা পেয়েছি তাই কার্যত দুই রেঞ্জের রেইনকোটের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আমাদের দেশে এভেইলেবল নামী ব্রান্ডের দামী রেইনকোট গুলোর প্রায় সবই রেপ্লিকা অথবা মাস্টার কপি, সুতরাং সাবধান। 


☑️ রেইনকোটের জন্য বাজেট রাখবেন সর্বনিম্ন ১০০০-১২০০ এবং সর্বোচ্চ ২০০০-২২০০ টাকা। এই রেঞ্জের রেইনকোটগুলোর ম্যাটেরিয়াল তুলনামূলক ভালো পেয়েছি এবং রেইনকোট উলটে দেখে নেবেন সেলাই দেয়া যায়গাগুলোতে প্লাস্টিক দিয়ে সীল করা আছে কিনা? 


☑️ রেইনকোটের জিপার দিয়েই পানি লিক করার সম্ভাবনা থাকে সবচেয়ে বেশি তাই জিপারের ভেতরের দিকে ওয়াটার সীল এবং বাইরের অংশে এক্সট্রা প্রোটেক্টিভ লেয়ার দেয়া আছে কিনা চেক করবেন। বাজারে ইদানীং সেলাই ছাড়া প্লাস্টিক ওয়েল্ডিং করা কিছু রেইনকোট পাওয়া যায় সেগুলো দেখতে পারেন। 


☑️ প্যান্টের ক্ষেত্রে প্রতিটা সেলাইয়ের নিচে থাকা ওয়াটার সীল চেক করবেন। এত বেশি চেক করলে দোকানদার ভুরু কুচকে বিরক্ত হতে পারে কিন্ত এই চেকটা আপনার স্বার্থেই আপনাকে করে নিতে হবে৷ কেননা রেইনকোট লিক হলে রাস্তায় আপনাকেই ভিজতে হবে, তখন কিন্ত দোকানী এসে আপনার মাথায় ছাতা ধরবে না।


☑️ চেস্টা করবেন আপনি যে এলাকায় থাকেন তার নিকটবর্তী দোকান থেকে রেইনকোট কেনার, এতে করে রেইনকোটে কোনো সমস্যা হলে বাসায় আসা যাবার পথেই চেঞ্জ বা ওয়ারেন্টি ক্লেইম করতে সুবিধা হবে। যদি একেবারেই না পান তাহলে বংশাল অথবা মিরপুরের বড় কোনো শপ থেকে রেইনকোট কেনার চেস্টা করবেন এতে করেও ওয়ারেন্টি পেতে সুবিধা হবে। কারন বড় দোকান কখনোই তার সুনাম নস্ট হতে দিতে চাইবে না।  


☑️ ওয়ারেন্টির বিস্তারিত খুব ভালো করে শুনে নেবেন,

কি কি শর্তে তারা রেইনকোট পালটে দেবে সেটা খুব মনোযোগ দিয়ে বুঝে নেবেন। 

প্রয়োজনে তারিখ সহ কার্ড বা লিখিত নেবেন। রেইনকোটে পানি ঢুকে কিনা সেটা চেক করার জন্য রেইনকোট গায়ে দিয়ে বাইক ওয়াশের দোকানে গিয়ে সফট প্রেশারে ওয়াটার স্প্রে করে দেখতে পারেন পানি ঢুকে কিনা। 


☑️ যত দামি রেইনকোটই হোক, সাধারণত একটা রেইনকোট মোটামুটি ১ থেকে ২ বছর ঠিকঠাক সার্ভিস দিতে সক্ষম এরপর কার্যক্ষমতা হারাতে থাকে, তাই বেশি দামি রেইনকোট না কিনে ১ থেকে ২ বছর পর পর নতুন রেইনকোট কেনাই বুদ্ধিমানের কাজ। তাছাড়া ১ থেকে ২ হাজার টাকা রেঞ্জের রেইনকোট নিলে আপনার পকেটের উপরেও চাপ কম পড়বে। একটা দামি রেইনকোটের দাম দিয়ে মিডরেঞ্জের ২-৩ টা রেইনকোট কিনতে পারছেন যা দিয়ে ৪-৫ টা বর্ষাকাল অনায়াসে পার করতে পারবেন। 


☑️ সস্তায় ভালো রেইনকোট কিনতে চাইলে মিরপুরের কচুক্ষেতে আর্মিস্টোরের আশে পাশে খোজ করতে পারেন। 


রেইনকোট নিয়ে আপনার অভিজ্ঞতা কমেন্টে লিখে জানাতে পারেন। পোস্টটি উপকারী মনে হলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে পারেন।

হ্যাপি বাইকিং।


লেখাঃ ইকবাল আব্দুল্লাহ রাজ

এডমিন, Bike Doctor BD

লঞ্চ হলো Pulsar NS400z

 Bajaj Has Launched The Biggest Pulsar Ns400z.


Bajaj has launched the biggest Pulsar yet, the Pulsar NS400Z 


➡️ Powered by the same 373cc single-cylinder engine as the Dominar

➡️ 40 ps @8800rpm and 35nm @6500rpm

➡️ 43MM USD forks

➡️ 320mm front disc, 230mm rear disc

5-step adjustable levers



➡️ Hazard lights

➡️ Ride by wire, four ride modes: road, rain, sport and offroad

➡️ Switchable traction control

➡️ Top speed of 154km/h



➡️ Bluetooth connected LCD display with turn by turn navigation, music controls and lap timer

➡️ Colpur options: Red, White, Black and Pewter Grey



What are your thoughts on the pricing?


#BajajPulsarNS400Z

বন্ধ হতে যাচ্ছে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে মোটরসাইকেল চলাচল

 


"ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বন্ধ হচ্ছে মোটরসাইকেল"

শনিবার (২৭ এপ্রিল) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত মহাসড়কের তিনটি পয়েন্টে চেকপোস্ট বসিয়ে অভিযান পরিচালনা করেন বিআরটিএর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শিফা নুসরাতসহ হাঁসাড়া হাইওয়ে পুলিশের সদস্যরা। এ সময় অভিযানে উপস্থিত ছিলেন বিআরটিএর চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ মজুমদার ও হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. মোস্তাফিজুর রহমান।

বিআরটিএর চেয়ারম্যান বলেন, 

মহাসড়কের দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সড়ক

নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারে শিগগিরই

কঠোর পদক্ষেপে যাচ্ছে বিআরটিএ কর্তৃপক্ষ। 


ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে দুর্ঘটনার সংখ্যা 

বৃদ্ধি পাওয়ায় শিগগিরই সিসিটিভির

মাধ্যমে মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করা

হবে মহাসড়কে।

এছাড়া প্রথম  দিনের  অভিযানে ফুটওভার

ব্রিজ ব্যবহারে যাত্রী ও পথচারীদের অনীহা

ও যানবাহনের ওভার ট্রাকিংসহ অতিরিক্ত

গতিতে চলাচলের চিত্র চোখে পড়েছে। 

ফলে দ্রুত এসব বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে যানবাহন

ও চালকদের বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রয়োগের 

মাধ্যমে সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে স্থায়ীভাবে

কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এতো ফিচার এড করে দাম বাড়ালো মাত্র ১ হাজার রুপি

Launched New 2024 Bajaj Pulsar N250 In India.


Updates:

37mm USD Forks,

110 in front & 140 Section Wider Rear Tyre,

Traction Control,

Switchable ABS,

3 ABS Modes,

Patal Disk,



New Full Digital Instrument Cluster with Blutooth Connectivity, 



New Exciting Colour and Graphics.


But Price Increased Only 1000 Rs.

New Price is 1 lac 51,000 rs/-

It Will Be A Great Deal 🔥🔥🔥


Bangladesh Is Wating For This.

হেলমেট পরিস্কার করা এখন পানির মত সোজা


বাইক চালাতে হলে হেলমেট তো পড়তেই হয়, আর হেলমেট ব্যাবহার করলে মাথার ঘাম আর বাইরের ধুলাবালিতে হেলমেটের ভিতর বাহির সবই নোংরা হয়। প্রয়োজন পড়ে হেলমেট পরিস্কার পরিচ্ছন্ন এবং জীবানুমুক্ত করার। অনেকেই জানেন না হেলমেট কিভাবে ক্লিন করতে হয়।

তাই চলুন আজকে জেনে নেই হেলমেট পরিস্কার করার নিয়ম।


হেলমেট সাধারণত ২ টা মেথডে ক্লিন করা যায়,

১। সফট ক্লিন এবং

২। ডীপ ক্লিন।


অল্পস্বল্প ময়লা পরিস্কার এবং জীবানুমুক্ত করার জন্য হেলমেট সফট ক্লিন করে নেয়া খুবই সোজা৷

বাজারে কিছু ডিসইনফ্যাক্টিং ফোম স্প্রে পাওয়া যায়। সেই ফোমটা হেলমেটের ইন্টেরিয়র এবং এক্সটেরিয়রে স্প্রে করে কিছুক্ষন রেখে মাইক্রোফাইবার ক্লথ দিয়ে মুছে শুকিয়ে নিলেই কাজ শেষ।


তবে দীর্ঘদিন ব্যাবহারের পর হেলমেট যখন অতিরিক্ত নোংরা হয় তখন প্রয়োজন পড়ে ডীপ ক্লিন করার। এই পদ্ধতিতে হেলমেট সবচেয়ে ভালো পরিস্কার হয়। 

ধাপগুলি বলে দিচ্ছিঃ 


১। শুরুতেই হেলমেটের ভাইজর এবং প্যাডিং সতর্কতার সাথে খুলে নিন। প্রতিটি সার্টিফাইড হেলমেটে প্যাডিং খোলার সহজ ব্যাবস্থা থাকে। 

এরপর বড় একটা গামলায় হাল্কা গরম অথবা স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানিতে ডিটারজেন্ট অথবা শ্যাম্পু নিন।

ডিটারজেন্ট ভালো ভাবে পানির সাথে মিশিয়ে ফেনা তৈরি করে নিন। 


২। হেলমেটের প্যাডিং এবং লাইনার   ডিটারজেন্ট মেশানো পানিতে ৩০ মিনিট ডুবিয়ে রাখুন, তারপর প্যাডিং এর যেসব অংশে বেশি ময়লা ধরে ওইসব জাইগায় দাত মাজার নরম ব্রাশ দিয়ে হাল্কা ভাবে ব্রাশ করে পরিস্কার করুন।


৩। এবার আরেকটা গামলায় পরিস্কার পানি নিয়ে তাতে প্যাডিংগুলা কয়েকবার চুবিয়ে ডিটারজেন্টমুক্ত করুন৷ চাইলে পানিতে সামান্য স্যাভলন বা ডেটল মিশিয়ে নিতে পারেন। এতে প্যাডিং জীবানুমুক্ত হবে৷



সবশেষে প্যাডিংগুলা পানি থেকে তুলে সুতা দিয়ে ঝুলিয়ে রোদে শুকাতে দিন। পানি নিজে থেকেই ঝরে গিয়ে প্যাডিং শুকিয়ে যাবে।


বিশেষ সতর্কতাঃ প্যাডিংগুলা কখনোই ধোয়া কাপড়ের মত করে চিপড়াবেন না কিংবা মোচড়াবেন না। এতে প্যাডিং এর ভিতরে থাকা ফোমগুলো নস্ট হতে পারে।

হেলমেটের প্যাডিং ডীপ ওয়াশ করলে অবশ্যই রোদ্রজ্জল দিনে করার চেস্টা করবেন৷ এতে প্যাডিং দ্রুত শুকাবে।


এক্সটেরিয়র ক্লিন করার জন্য ডিটারজেন্ট মেশানো পানিতে একটুকরো ফোম ডুবিয়ে নিন, তারপর হেলমেটের চারপাশ হালকাভাবে মেজে শুকনো কাপড় দিয়ে মুছে ফেলুন।


পরিস্কার পরিচ্ছন্ন হেলমেট আপনার রাইডিং কে করবে আরো কনফিডেন্ট।

কোন জিজ্ঞাসা বা প্রশ্ন থাকলে কমেন্টে লিখে জানাতে পারেন৷ উপকারী মনে হলে বন্ধুদের সাথে পোস্ট টি শেয়ার করুন। 


লেখাঃ ইকবাল আবদুল্লাহ রাজ 

এডমিন Bike Doctor BD

ব্রান্ড ভ্যালুর চক্করে বাড়তি টাকায় ধরা খাচ্ছেন না তো?

বাইক কিনতে গেলে ব্রান্ড ভ্যালুর প্রসংগটা চলেই আসে। 

আর এই ব্রান্ড ভ্যালুর দোহাই দিয়ে বিভিন্ন কোম্পানি মাত্রাতিরিক্ত দাম হাকায়। 


আসলে ব্রান্ড ভ্যালু জিনিসটা কি?? 

এর পেছনে কৃতিত্ব কার? 

কোয়ালিটির বিচারে শত বছর ধরে গড়ে ওঠা একটা রিনোউন জাপানিজ ব্রান্ডের ব্রান্ড ভ্যালুর সাথে সেই ব্রান্ডের থার্ড ওয়ার্ল্ড কান্ট্রিগুলোতে লোকালি প্রোডাকশন হওয়া বাইকের মিল কতটুকু?

ভ্যালুর কথা চিন্তা করে বাড়তি টাকায় একটা বাইক কিনে ভ্যালু ফর মানি প্রোডাক্ট পেলাম নাকি লোগো কিনে আনলাম? কম্পিটিশনের বাজারে বিষয়গুলো ইগনোর করার সুযোগ নেই। 


সাধারণত, 

একটা মোটরবাইক, কতটা মানসম্মত? 

কতটা ডিউরেবল? কতটা রিলায়েবল?

এভেইলেবিলিটি কেমন? 

ইউজার ফিডব্যাক কতটা ভালো?

মান অনুযায়ী দাম জাস্টিফাইড কিনা?

এইসব বিষয়ের উপর ভিত্তি করে ব্রান্ড ভ্যালু গড়ে উঠে এবং একটা ব্রান্ড ওয়েল নোউন এবং স্টাবলিশড হয় । তবে ব্রান্ড ভ্যালু তৈরিতে কঞ্জিউমার একটা ভাইটাল রোল প্লে করে। তবে ব্রান্ড ভ্যালু একদিনে তৈরি হয়না, বছরের পর বছর ধরে সেরা প্রোডাক্ট এবং সেরা সার্ভিস কোয়ালিটি ধরে রাখার পর অল্প অল্প করে একটা ব্রান্ড বিশ্বস্ততা অর্জন করে। তবে ব্রান্ড ভ্যালু তৈরি হতে যতটা সময় লাগে ভ্যালু নস্ট হতে কিন্ত এত সময় লাগে না৷ তাই প্রতিটা ব্রান্ড ভ্যালু ধরে রাখার জন্য অনেক চেস্টা করে। 

ফানফ্যাক্ট ইজ, প্রোডাকশন কোথায় হচ্ছে সেটা রিয়েলি ইম্পর্ট্যান্ট, ইন্ডিয়ার বাজারে ইন্ডিয়ান লোকাল ব্রান্ডের বাইকের ডিউরেবিলিটি জাপানিজ ব্রান্ডের বাইকের চেয়েও বেটার হতে দেখা যায়। আবার ইন্ডিয়ার চেয়ে জাপানিজ ব্রান্ডের ইন্দো এবং থাই ভার্সনগুলো মাচ বেটার। 

একটা বাইক সম্পর্কে ফিডব্যাক দেয়ার আগে প্রতিটা কাস্টমার বা ইউজারের উচিত সঠিক ফিডব্যাক দেয়া যাতে আপনার দেয়া ফিডব্যাকের কারনে একটা সঠিক প্রোডাক্ট ভ্যালু পায়। এতে আপনার সাথে সাথে অন্যরাও উপকৃত হবে। তাছাড়া বায়াসড বা পেইড রিভিউ এখন আরেক মহামারির নাম।

মনে রাখা উচিত, যদি আপনি অন্ধের মত সামান্য কিছু সুবিধার বিনিময়ে খারাপ জিনিসটাকেও ভালো বলতে থাকেন তাহলে এই চক্রে খুব শীঘ্রই আপনিও পড়বেন এবং ফে*ই*ক বা পেইড রিভিউ/ফিডব্যাক দেখে কোনো বাইক কিনে রাম ধরা খাবেন আর কপাল চাপড়াবেন। হ্যাপি বাইকিং।


Follow BIKE DOCTOR BD

চলবে...

স্পীড লিমিট মেনে ব্রেক ইন পিরিয়ড নয়

অনেক বন্ধুই নতুন বাইক কিনে বুঝতে পারেনা, ব্রেক ইন পিরিয়ডে কত কিলোমিটার স্পীডে রাইড করতে হবে???

তাছাড়া বিভিন্ন নামীদামী ব্রান্ডের শোরুম থেকেও ব্রেক ইন পিরিয়ড নিয়ে ভুল তথ্য দিয়ে থাকে৷ অনেক সময় ৪০-৫০ এর বেশি স্পীড তুলতে নিষেধ করে দেয় এবং এতে বাইকের ক্ষতি হবার ভয় দেখায়।


সঠিক পদ্ধতি হলো প্রথম ৫০০ -২০০০ কিমি পর্যন্ত ৪ থেকে ৫ হাজার RPM মেইনটেইন করে চালাতে হবে এবং হঠাৎ জোরে এক্সিলারেট করা যাবেনা। 

এই সময়টাতে গিয়ার শিফটিং করতে হবে স্বাভাবিকের চেয়ে দ্রুত। 

যেমন ফার্স্ট গিয়ারে ১০-২০ 

সেকেন্ড গিয়ারে ২০-৩০, 

থার্ড গিয়ারে ৩০-৪০, 

ফোর্থ গিয়ারে ৪০-৫০, 

ফিফথ গিয়ারে ৫০-৬০ কিমি/ঘন্টা, এই রকম স্পীড  রেশিও মেইনটেইন করলে ভালো হয়। 


আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো :

🟪 একই আরপিএমে বেশিক্ষণ চালানো যাবে না। 

🟩 ওভারলোড নেয়া যাবেনা। 

🟦 সকালে প্রথম স্টার্ট দিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিতে হবে ইঞ্জিন গরম হবার জন্য। 

🟨একটানা অনেকক্ষণ চালানো যাবে না, কিছুক্ষন পর পর ইঞ্জিনকে রেস্ট দিতে হবে। 


পোস্টটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন এবং ফলো করুন BIKE DOCTOR BD





ফ্রি সার্ভিসের ফাদে পড়ছেন না তো?

 ফ্রি সার্ভিস কি আসলেই ফ্রি?



ফ্রি শব্দটা শুনলেই কেমন যেন খুশি হয়ে যাই আমরা তাই না?

এই খুশির সুত্র ধরেই বিভিন্ন কোম্পানি বাইক বিক্রির সময় নির্দিষ্ট মেয়াদে কিছু ফ্রি-সার্ভিস অফার করে।


কিন্ত কখনো কি ভেবে দেখেছেন, সার্ভিস গুলো আসলেই ফ্রি কিনা??


না, কখনোই ফ্রি নয়,  


সার্ভিসের চার্জগুলো বাইকের দামের সাথেই হিডেন ভাবে যোগ করা থাকে। তাই ফ্রি সার্ভিস পেলে খুশিতে লাফ দেয়ার কোনো কারন নেই বরং এটা বাইক ক্রেতার অধিকার।


খেয়াল করে দেখবেন ফ্রি সার্ভিস দেয়ার ব্যাপারটিকে অফিসিয়াল এবং আন অফিসিয়ালের প্যাচ মোচড় দিয়ে বাইকের পরিবেশক এমন ভাবে উপস্থাপন করেন যাতে করে মনে হবে আপনাকে অতিরিক্ত আদর আপ্যায়ন করা হচ্ছে, কোম্পানি আপনার প্রতি খুবই যত্নবান। আপনার বাইকের জন্য তারা মহা চিন্তিত।


অবশ্য এর পেছনে যৌক্তিক কারনও আছে।


মুলত এই ফ্রি সার্ভিসের আড়ালেই রয়েছে বিরাট ব্যাবসায়িক ফাদ।

একটা ছোট গল্পের মাধ্যমে উদাহরণটা দিলে আরো ভালোভাবে বুঝবেন।।


প্রথমে যখন এই উপমহাদেশে চায়না থেকে চা ব্যাবসায়ীরা চা বিক্রি করতে এসেছিলো তখন কেউই চা খেতে তেমন আগ্রহ প্রকাশ করেনি। 

একপর্যায়ে চায়নারা ফ্রি তে চা খাওয়ানো শুরু করলো এবং চায়ের উপকারিতা সম্পর্কে মানুষকে মোটিভেশন দেয়া শুরু করলো। 

বিভিন্ন ভাবে প্রচার প্রচারণা আর বিজ্ঞাপন দেয়া শুরু করলো।

কিছুদিনের মধ্যেই মানুষের মধ্যে চা খাওয়ার অভ্যস্ততা তৈরি হলো এবং বর্তমানে চায়ের ব্যাবসা কতটা লাভজনক সেটা আশা করি ব্যাখ্যা করে বুঝাতে হবে না।

অলিতে গলিতে আর কিছু না থাক, চায়ের দোকান পাবেন না এটা অসম্ভব।

বিভিন্ন ফ্লেভার, বিভিন্ন নাম এবং দামে বাহারী চা খাচ্ছি উচ্চমুল্যে। 

অপরদিকে চা খেতে যে পরিমাণ সময়, এফোর্ড আর পয়সা খরচ করছি তার বিপরীতে আমাদের লসের অংক কিন্ত বিরাট। 

তাছাড়া চা তে এমন আহামরি কোনো জীবন রক্ষাকারী উপাদান আছে বলেও কোনো রিসার্চ নেই।

উপকারীতা থাকলেও তা খুব সামান্য। 

বরং অতিরিক্ত চা পানে ক্ষুধামন্দা, অনিদ্রা, শরীর কড়া হওয়া সহ নানান জটিলতা রয়েছে। 

কিন্ত চায়ের সাথে সম্পৃক্ত কাউকেই চা পানের ক্ষতিকর দিক বা সমস্যা হাইলাইট করতে দেখবেননা, 

বরং চা খেলে কি লাভ, কোন ব্রান্ডের চা খেলে কতটা চাংগা লাগে এসব দিকেই ফোকাস দিতে দেখবেন কারন পাবলিকের ব্রেইন ওয়াশ করতে পারলে চায়ের সেল বাড়ে, লাভ বেশি হয়। 


একইভাবে শুরুতে ফ্রি সার্ভিস (আসলে ফ্রি নয়) দিয়ে অভ্যস্ততা তৈরি করা হয়।

কারন ফ্রি শুনলে আমরা নতুন লুংগি পেতে আলকাতরা নিতেও লাইনে দাঁড়িয়ে ধাক্কাধাক্কি করি এটা খুব কমন ঘটনা।

 

ফ্রি সার্ভিসে নিতে গেলে আমাদেরকে বিভিন্নভাবে বুঝানো হয়, রেগুলার সার্ভিস না করালে বাইকের বিরাট আকারের ক্ষতি হবে, একমাত্র তাদের সার্ভিস সেন্টার ছাড়া 

পৃথিবীর আর কোথাও জেনুইন পার্টস পাওয়া যায়না, অথোরাইজড সার্ভিস সেন্টার ছাড়া অন্য কোনো সার্ভিস সেন্টারে সার্ভিস করালে তারা আর কোনো ওয়ারেন্টি দেবেনা ইত্যাদি ভয়ভীতিও দেখানো হয়। 


বাইরে থেকে কোনো পার্টস কিনে নিয়ে গেলে সেটাও তারা লাগিয়ে দেবেনা। বলবে সেটা নকল পার্টস। অর্থাৎ তাদের কাছ থেকেই পার্টস কিনতে বাধ্য করবে আপনাকে।


আদতে একটা ব্রান্ড নিউ বাইকে প্রথম এক বছরে ফ্রি সার্ভিসের নামে তারা কি কি সার্ভিস করে কখনো খেয়াল করে দেখেছেন?


ইঞ্জিন অয়েল চেঞ্জ,

অয়েল ফিল্টার চেঞ্জ,

বড় নাট বোল্ট গুলা চেক করা,

চেইনে লুব দেয়া আর ওয়াশ ছাড়া আর কোনো বিশেষ সার্ভিস কি আসলেই তারা করে?

অবশ্য নতুন বাইকে এর চেয়ে বেশি কিছু প্রয়োজনও হয়না।

বরং বেশি বেশি খোলা ফিটিং হলেই বাইকে নানান রকম ইস্যু ক্রিয়েট হয়। 


তাছাড়া কোম্পানির সার্ভিস সেন্টারে গেলেই দেখবেন নানান উসিলায় পার্টস সেল করার একটা প্রবনতা থাকে। মুলত ব্যাবসাটা ওই পার্টস সেলের মধ্যেই।

বাইক বিক্রি করে লাভ করে একবার, কিন্ত পার্টস বানিজ্য চলতেই থাকে বছর জুড়ে। 


যে কোম্পানিকে যতবেশি সার্ভিস সেন্টার আর জেনুইন পার্টস নিয়ে হাইলাইট করতে দেখবেন বুঝে নেবেন তাদের বাইকের বিল্ড কোয়ালিটি তত দুর্বল। 


যদি বাইকের বিল্ড কোয়ালিটি ভালো হয়, পার্টস কোয়ালিটি ভালো হয় তাহলে একটা বাইকে অতিরিক্ত সার্ভিস এবং স্পেয়ার পার্টস লাগা খুবই অস্বাভাবিক ঘটনা। 


তবে হ্যা, কিছু বেসিক কনজুমেবল পার্টস লাগবেই, যেমন, ব্রেক প্যাড, অয়েল ফিল্টার, এয়ার ফিল্টার, ক্লাচ ক্যাবল, চেইন স্প্রকেট, টায়ার ইত্যাদি।


যদি দেখেন কোনো কোম্পানি ফ্রি সার্ভিস নেয়ার জন্য বারবার ফোন করে রিমাইন্ডার দিচ্ছে তখন তাদেরকে বন্ধু ভাবার কোনো কারন নেই।

কেননা তারা যদি বন্ধুই হতো তাহলে পার্টসের দাম ৩-৪ গুন বেশি না নিয়ে রিজনেবল রাখতো এবং ভালো বিল্ড কোয়ালিটির বাইক দিয়ে আমাদের মেইন্টেনেন্স খরচ কমিয়ে দিতো।

তাহলেই ঘন ঘন সার্ভিস সেন্টারে গিয়ে আমাদের সময় এবং টাকার অপচয় করতে হতো না।


বাস্তবতার সাথে পোস্টের মিল খুজে পেলে পোস্টটি শেয়ার করতে পারেন।

আর অবশ্যই বাইক কেনার আগে সার্ভিস এবং পার্টস বানিজ্যের ব্যাপারে খোজ খবর নেবেন। 


ফ্রি সার্ভিস নিতে গিয়ে আপনার অভিজ্ঞতা কেমন ছিলো কমেন্টে লিখে জানাতে পারেন।


ভালো থাকুক আপনার বাইক।

হ্যাপি বাইকিং।


লেখাঃ ইকবাল আব্দুল্লাহ রাজ 

এডমিন, Bike Doctor BD

হাইওয়েতে সবুজ বোর্ডে N1,N2 কেন লেখা থাকে?

 N1, N2,.... N3 ইত্যাদি লেখাগুলোর সাথে আমরা অনেকেই হয়তো পরিচিত। কারন বিভিন্ন হাইওয়ে ধরে যাওয়ার সময় সবুজ সাইনবোর্ডে এই লেখাগুলো আমরা প্রায়ই  দেখি। কেউ কেউ এই লেখা ডিকোড করতে পারলেও আমরা অনেকেই হয়তো জানি না, 


আসলে এই লেখাগুলো দ্বারা কি বুঝানো হয়?



N1, N2, N3 এগুলো হচ্ছে আমাদের জাতীয় মহাসড়ক (হাইওয়ে) সমূহের সংক্ষিপ্ত রূপ। যার মাধ্যমে সহজেই বোঝা যায়, কোনটা কোন মহাসড়ক? 


আমাদের দেশে এখন পর্যন্ত ন্যাশনাল হাইওয়ে আছে মোট আটটি। 


চলুন জেনে নিই, আমাদের দেশের আটটি মহাসড়কের সংক্ষিপ্ত নাম- এবং কোন নাম দিয়ে কোন মহাসড়ক বুঝানো হয়


🟨N1 = ঢাকা - চট্টগ্রাম - টেকনাফ


🟩N2 = ঢাকা - সিলেট - তামাবিল


🟦N3 = ঢাকা - ময়মনসিংহ 


🟪N4 = ঢাকা - জামালপুর


🟫N5 = ঢাকা - আরিচা - রংপুর - বাংলাবান্ধা


⬛N6 = ঢাকা - রাজশাহী - চাপাইনবাবগঞ্জ 


🟧N7 = দৌলতিয়া - খুলনা - মোংলা


🟥N8 = ঢাকা - ভাঙ্গা - বরিশাল - পটুয়াখালী

চোরের সর্দার জানালো বাইক চুরি ঠেকানোর উপায়

মোটরসাইকেল যারা চালাই তাদের অনেক বড় একটা টেনশন থাকে বাইকের নিরাপত্তা নিয়ে। কারন,

বাইক নিয়ে বিভিন্ন কাজে গেলে বাইক খোলা জায়গায় পার্ক করতে হয়।


অরক্ষিত পার্কিং থেকেই বাইক চুরি হবার ঝুকি থাকে সবচেয়ে বেশি।


বাইকারদের কাছে বাইক অনেক শখের এবং প্রয়োজনীয় একটা ভেহিক্যাল। অন্যান্য যানবাহনের তুলনায় বাইক চুরি হবার প্রবনতা অনেক অনেক বেশি তাই বাইকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা খুবই জরুরি। 


কিন্ত কিভাবে? 

বাজারে যেসব তালা বা ডিস্ক লক পাওয়া যায় সেগুলো কতটা নিরাপদ এটা নিয়েও প্রচুর কনফিউশান আছে ৷

তাছাড়া সাধারণ তালাগুলো ভেংগে ফেলাও খুব সহজ। বিভিন্ন সিসিটিভি থেকে বাইক চুরির ফুটেজ সংগ্রহ করে দেখা গেছে সাধারণ ডিস্কলক বা তালা ভাংতে চোরের সময় লাগে গড়ে ১৪ সেকেন্ড। ঘাড় লক ভাংতে ৪ সেকেন্ড এবং মাস্টার চাবি দিয়ে বাইক চালু করতে ৬ সেকেন্ড। 

অর্থাৎ মাত্র ২৫ সেকেন্ডের কম সময়ে একটা বাইক চুরি হয়ে যেতে পারে। 


পরিসংখ্যান বলছে শুধুমাত্র ঢাকা শহর থেকে প্রতিমাসে চুরি হয় ৩৬-৪০ টি বাইক এবং বছরে প্রায় ১৪ হাজার বাইক। 


মিরপুর, বাড্ডা, শ্যামলি, মাটিকাটা, শাহবাগ, মিটফোর্ড, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, উত্তরা এবং কামরাংগীরচরে অন্তত ২০টি সক্রিয় চোরচক্র রয়েছে। 

চুরি যাওয়া বাইকগুলো ঢাকার বাইরে পাচার করে দেয়া বা যন্ত্রাংশ খুলে বিক্রি করে দেয়া হয়। 


অভিজ্ঞ একজন মোটরসাইকেল চোরের সাথে কথা বলে জানতে পেরেছি কি কি উপায়ে মোটরসাইকেল লক করলে সেটা চুরি করা অসম্ভব? চলুন দেখি চোর কি কি বলেছে?


শীর্ষ মোটরসাইকেল চোর আবুল কালাম। ১৩ বছরে যিনি দুইশোর বেশি মোটরসাইকেল চুরি করেছেন। 

তার বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে ৫৩টি।

প্রায় ১০-১২ জনের একটা চোর চক্রের ওস্তাদ তিনি। বললেন মোটরসাইকেল চুরি ঠেকানোর ৩ টি উপায় নিয়ে। 


প্রথমত : মোটরসাইকেলে তীব্র শব্দের সিকিউরিটি এলার্ম লাগানো। যেন বাইক স্পর্শ করলেই এলার্ম বেজে উঠে। এলার্ম বাজলে চোরেরা সেই বাইকের উপর আকর্ষণ হারিয়ে ফেলে এবং দুরত্ব বজায় রাখে। কারন শব্দ এবং আলো এই দুটি জিনিস চোরের চিরশত্রু। 

দ্বিতীয়ত : জিপিএস ট্র‍্যাকার লাগানো যেতে পারে যাতে বাইকের অবস্থান সহজেই সনাক্ত করা যায়। তবে মোটরবাইকে জিপিএস লাগালে সেটা অবশ্যই এলার্মের সাথে কম্বাইন্ড করে লাগানো উচিত। কারন বাইক স্পর্শ করলে শব্দ হওয়া অনেক বেশি জরুরি। 


তৃতীয়ত : এলার্মের পাশপাশি সাধারণ ডিস্কলক ব্যাবহার না করে মোটা এবং লম্বা হুকের তালা ব্যাবহার করতে পারলে ভালো কারন সেগুলো ভাংতে অপেক্ষাকৃত বেশি সময় এবং পরিশ্রম লাগে। 


এই ৩টি উপায়ে বাইক লক করা থাকলে চোর কখনোই ঝুকি নিতে চায় না। 


কোন ধরনের বাইক চুরি করতে বেশি আগ্রহী এই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাজারে যেসব বাইক সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং কমন সেগুলোর দিকেই চোরের টার্গেট থাকে বেশি, যেমন FZS, Gixxer, 4v, Pulsar, R15, CBR, MT15, Hunk, Hornet, Discover এসব বাইক চুরি করে বিক্রি করা সহজ, কারন এসব বাইকের কাস্টমার এভেইলেবল। দাম ভালো পাওয়া যায়৷ 


বাজারে এভেইলেবল কোন ধরনের লক বা তালাকে ভয় পান? এর উত্তরে তিনি জানান অরিজিনাল চোর কখনো কোনো তালাকে ভয় পায় না। 

তবে TASSLOCK টাইপের এলার্ম এবং জিপিএস সহ কম্বাইন্ড সিকিউরিটি সিস্টেম গুলো লাগানো থাকলে আমরা প্রচন্ড বিরক্ত হই, যার কারনে এলার্ম লাগানো বাইকগুলো এড়িয়ে চলি। 


সাধারণত কোন সময়টাতে বাইক চুরি করেন? জবাবে তিনি বলেন, 

চুরির আসলে কোনো নির্দিস্ট সময় নাই, তবে রোজার সময়, ঈদের সময় চুরি করতে বেশি সুবিধা। কারন রোজার সময় মানুষ ক্লান্ত থাকে, বাইকের দিকে খেয়াল রাখে কম। ঈদেও মানুষ ব্যাস্ততা বা মার্কেট করা নিয়ে ব্যাস্ত থাকার কারনে বাইকের কথা ভুলে যায়। 



লেখাঃ ইকবাল আব্দুল্লাহ রাজ।

এডমিন, Bike Doctor BD