Showing posts with label User Experience & Honest Opinion. Show all posts
Showing posts with label User Experience & Honest Opinion. Show all posts

সেরা ব্রেকিং সিস্টেমের ৬টি বাইক

 


বাংলাদেশের বাজারে এভেইলেবল এবং বেশ পপুলার কিছু বাইক নিয়ে আমরা সেই বাইকগুলোর ব্রেকিং পার্ফমেন্স টেস্ট করেছিলাম। ব্রেকিং টেস্টে কিছু বাইক খুব চমৎকার স্কোর করেছে এবং ব্রেকিং পার্ফমেন্স এবং ব্রেকিং ডিস্টেন্সের দিক থেকে হাইয়েস্ট স্কোর করা ৬ টি বাইক লিস্টের একদম টপে অবস্থান করছে৷ আসুন দেখে নেই বাইকগুলো। 


শুরুতেই আছে Honda CB Ex Motion অথবা Streetster 150. এটি মুলত থাই রিজিওনের বাইক। 



সামনে four piston caliper এবং Redial ব্রেক সেটাপ ও প্যাটাল ডিস্ক এই বাইকের ব্রেকিং পার্ফমেন্সকে এক অন্য লেভেলে নিয়ে গেছে। সাথে USD সাসপেন্সন থাকায় বাইকের স্ট্যাবিলিটি হয়েছে চমৎকার। এতে আছে gyroscope সেন্সর সহ Dual Channel ABS.

এরপরেই আছে Honda CBR 150R. 


এই বাইকেও রেডিয়াল ব্রেক সেটাপ, বড় সাইজের প্যাটাল ডিস্ক এবং USD fork রয়েছে। পুরো ব্রেক সেটাপ বিখ্যাত Nissin ব্রান্ডের। Dual Channel ABS থাকায় এই বাইকের ব্রেকিং পার্ফমেন্স অসাধারণ। 


সেকেন্ড পজিশনে আছে ইন্ডিয়ান ব্রান্ড হিরো এবং বাজাজ এর দুটো বাইক। Hero Xmr 210 এবং Pulsar N250.



XMR বাইকটিতে 300 মিলিমিটার প্যাটাল ডিস্ক এবং পেছনে 230 মিলিমিটার ডিস্ক ইউজ করা হয়েছে। আছে ডুয়াল চ্যানেল এবিএস। ব্রেক সেটাপ নেয়া হয়েছে ব্রেকিং এর জন্য ফেমাস ব্রান্ড Bybre থেকে৷ বাইকের ব্রেকিং বাইট খুব ভালো এবং স্টপিং ডিস্টেন্স অনেক কম। 

Pulsar N250 তেও সামনে ৩০০ এবং পেছনে ২৩০ মিলিমিটার ডিস্ক রয়েছে। আছে ডুয়াল চ্যানেল এবিএস। ব্রেক সেটাপে ইউজ করা হয়েছে Gremica ব্রান্ডের ব্রেকিং ইকুইপমেন্ট। 

যদিও এটা নতুন ব্রান্ড তবে পার্ফমেন্স এর দিক থেকে দারুন ফিডব্যাক দেখিয়েছে। 


১২৫ সিসি সেগমেন্টে সবচেয়ে ভালো ব্রেকিং পার্ফমেন্স পেয়েছি  KTM 125 থেকে। 

এই বাইকের সামনে ৩২০ এবং পেছনে ২৩০ মিলিমিটার ডিস্ক আছে, সাথে আছে Dual Channel ABS এবং USD ফর্ক। Bybre ব্রান্ডের ব্রেকিং সিস্টেম ইউজ করা হয়েছে এই বাইকটিতে। 


Non ABS বাইকের মধ্যে আমাদের টেস্টে R15 v3 ইন্দো এবং থাই ভার্সন খুব ভালো স্কোর করেছে। এতে ইউজ করা হয়েছে Nissin ব্রান্ডের ব্রেক সেটাপ। ব্রেকিং বাইট এবং স্টপিং ডিস্টেন্স ছিলো আপ টু দ্যা মার্ক। 


আপনার কাছে কোন বাইকের ব্রেকিং পার্ফর্মেন্স ভালো লাগে কমেন্টে লিখে জানাবেন। মনে রাখবেন ব্রেকিং প্রতিটা বাইকের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তাই বাইক কেনার আগে বাইকের ব্রেকিং পার্ফমেন্স কেমন সেই ব্যাপারে খোজ খবর এবং ইউজার ফিডব্যাক নেয়ার চেস্টা করবেন। বাইক কেনার সময় চেক করে নেবেন বাইকের মাস্টার সিলিন্ডার এবং ক্যালিপার একই ব্রান্ডের কিনা? কারন অনেক সময় দেখা যায় উৎপাদন খরচ কমাতে বিভিন্ন ব্রান্ড মাস্টার সিলিন্ডার এবং ক্যালিপার আলাদা আলাদা ব্রান্ডের দিয়ে দেয়। এতে ব্রেকিং পার্ফমেন্স একুরেট হয় না, ব্রেক মিস করার সম্ভাবনা থাকে। তাই ব্রেক সেটাপ পুরোটাই ভালো সেম ব্রান্ডের হলে ব্রেক নিয়ে কনফিডেন্ট থাকতে পারবেন। 

হ্যাপি বাইকিং!!


ফেসবুকে ফলো করুন Bike Doctor BD

পৌনে দুই লাখ কিলোমিটার চালানোর বাস্তব অভিজ্ঞতা

 Long Term Ownership Feelings... 


কর্নফুলি মোটরসের ইম্পোর্ট করা Yzf R15 বাইক। কোয়ালিটি এতই ভালো যে ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। 
১৩ বছর ধরে চালাচ্ছি বাইকটা, এখনো প্রায় নতুনের মতই পার্ফমেন্স পাচ্ছি। সামনে পিছনে ওভার সাইজ টায়ার লাগানোর পরেও টপ ১৪৪ হিট করে। 
গত ১৩ বছরে বাইকটি চালিয়েছি, 
১ লক্ষ ৭৫ হাজার কিলোমিটার। 
কখনো হতাশ করেনি এই দীর্ঘ যাত্রায়।
দেড় লক্ষ কিলোমিটার চালানোর পর প্রথমবার ইঞ্জিন রিবিল্ট করিয়েছিলাম।



ট্যাংকি খুলে যাওয়া, চেইন ছিড়ে যাওয়া,
রঙ উঠে যাওয়া, ফুয়েল পাম্প নস্ট হওয়া, তেলের মিটারে উলটা পালটা রিডিং দেয়া, ব্রেক মিস করা, চেসিস বেকে যাওয়া, 
রিম ভেংগে যাওয়া, নানান যায়গায় মরিচা পড়া অথবা রাস্তায় বন্ধ হয়ে যাওয়ার মত কোনো বাজে ঘটনা আজ পর্যন্ত কখনো ঘটেনি আমার সাথে। 

কর্নফুলি মোটরস প্রায় ৪০ বছর ধরে বাংলাদেশে ইয়ামাহার অথোরাইজড ডিলার ছিলো, এই ৪০ বছরে উপরে লেখা সমস্যাগুলো কোনো ইয়ামাহা ইউজার ফেস করেছেন বলেও আমার জানা নেই। 

ঘুরে বেড়িয়েছি দেশের আনাচে কানাচে পাহাড়ে সাগরে যখন তখন। একবারের জন্যেও রাস্তায় কোন বিড়ম্বনায় পড়তে হয়নি বাইকের জন্য। তবে ভ্যাজাল তেলের কারনে মাঝে মাঝে সামান্য এক্সিলারেশন প্রবলেম ফেস করেছি যেটা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ঘটনা, তাই টুরে গেলে সাথে অক্টেন বুস্টার রাখি। 


রাস্তা যত দুর্গমই হোক ইঞ্জিনের পাওয়ার এবং এক্সিলারেশনে কোন বিশেষ কমতি আমি ফিল করিনি, বরং যে-কোন টাফ সিচুয়েশন থেকে স্মুথলি বের হয়ে এসেছি এই বাইকের দারুন কন্ট্রোলিং এর কারনে।




আমি মনে করি বছরের পর বছর সেরা কোয়ালিটি এনশিওর করার পরেই ধীরে ধীরে ব্রান্ড ভ্যালু তৈরি হয়। 
বাইকের কোয়ালিটিতে সন্তস্ট হবার কারনেই আমি কর্নফুলি মোটরসের কাছে কৃতজ্ঞ। 
কারন তাদের মাধ্যমেই কোয়ালিফাইড এবং সত্যিকারের প্রিমিয়াম কোয়ালিটির ইয়ামাহা বাইকের স্বাদ নিতে পেরেছিলাম।

বাইকের বিল্ড কোয়ালিটি এবং মেটাল কোয়ালিটি যথেষ্ট ভালো হবার কারনে ঘনঘন সার্ভিস সেন্টারে নেয়ারও প্রয়োজন হয়নি। শুধুমাত্র ব্রেক প্যাড, এয়ার ফিল্টার, অয়েল ফিল্টার, চেইন এবং টায়ারের মত বেসিক কঞ্জুমেবল এবং মেইন্টেনেন্স পার্টস ছাড়া আর উল্লেখযোগ্য কোনো কিছুই প্রয়োজন হয়নি। তাই আমি এই বাইক নিয়ে সুপার কনফিডেন্ট। 

বাইকের প্রতিটা পার্টস খুবই হাই কোয়ালিটি এবং ডিউরেবল। 
কর্নফুলি মোটরসের ইম্পোর্ট করা Yamaha FZ16 2009 মডেল চালিয়েছিলাম এর আগে প্রায় ৫৫ হাজার কিলোমিটার, সেটার কোয়ালিটিও এরকম চমৎকার ছিলো। অরিজিনাল ইয়ামাহা বলতে এরকম কোয়ালিটিই বুঝি। যারা কর্নফুলি মোটরসের ইম্পোর্ট করা ইয়ামাহা বাইক চালিয়েছেন তারা অবশ্যই আমার সাথে কোয়ালিটির ব্যাপারে  একমত হবেন। 

আসলে ভালো কোয়ালিটির একটা প্রোডাক্টই ম্যানুফ্যাকচারার অথবা ডিলারের সাথে ইউজারের বন্ডিং, বিশ্বাস এবং আস্থা তৈরি করে করে দেয়, 
এর বাইরে এক্সট্রা কোনো গিফট, ফ্রি সার্ভিস, ফ্রি টিশার্ট, ডিস্কাউন্ট অফার, অথবা দাওয়াতের প্রয়োজন হয়না। 
Product Quality Really Matters!!

Yamaha R15 version 1  বাইকের লং টার্ম অউনারশিপ ফিলিংস শেয়ার করেছেন-
 iqbal abdullah raaz

Hero XMR 210 চালিয়ে কেমন লাগলো?

প্রথম ১০০ কিমি চালিয়ে ব্যক্তিগত মতামত শেয়ার করেছেন Hero XMR Owner 

-- Rezwan Hossain.

জেন্টলি ক্রুজ করে সর্বোচ্চ ৯০ পর্যন্ত স্পিড তুলেছি।

সিটি, হাইওয়ে, বালির রাস্তা, গ্রাম সব মিলিয়ে চালানো হয়েছে। 

বিভিন্ন দিক-

✅ সিটিং পজিশন - এত ভাল যেটা আশাতীত।

✅ মাইলেজ- ৩৩ দেখায় এভারেজ। আমার প্রত্যাশা ৩৫। যা একটা সার্ভিসের পর আরো বেশি পাব আশাকরি।

✅ লুক- এটা নিয়ে বলার ভাষা নাই। ব্যক্তিগত মত হচ্ছে বর্তমানে বাংলাদেশের সবচেয়ে গুড লুকিং বাইক।

✅ এক্সেলেরেশন- নতুন বাইক কিন্তু খুব স্মুথ। আর কিছু বলব না একবার চালাইলে বুঝবেন।

✅ ব্রেকিং - সুপার 👌👌

✅ ভাইব্রেশন- যেহেতু রেভিং করিনি মন্তব্য করতে পারছি না। যা চালিয়েছি তাতে অতিরিক্ত ভাইব্রেশন টাইপ কিছু ফিল হয়নি।টা

✅ টায়ার গ্রীপ- অনেক ভাল কনফিডেন্স পাচ্ছি আলহামদুলিল্লাহ। তবে রেডিয়াল টায়ার হলে আরো ভালো হতো। 

✅ হিটিং- লিকুইড কুলিং থাকায় বাড়তি হিট হচ্ছে বলে মনে হয় নাই। তবে একটানা দীর্ঘ রাইড করলে ভালো বুঝা যেতো।

✅ সাউন্ড - আরপিএম ভেদে একেক রকম। লো আরপিএমে জেন্টল সাউন্ড। খারাপ না। 

সবমিলিয়ে আমি প্রত্যাশা থেকে বেশি খুশি আলহামদুলিল্লাহ। আমি এর আগে দীর্ঘ সময় ধরে যে বাইক গুলা চালিয়েছি- পালসার ১৫০, 

ডিসকভার ১৩৫, 

জিক্সার এস এফ এফ আই এবিএস এবং 

Yamaha R15 v3. ভুল ভ্রান্তি ক্ষমা করবেন।

Apache RTR 4V fi ABS ইউজার এক্সপেরিয়েন্স

TVS 4V Fi Abs এর অথেন্টিক ইউজার রিভিউ দিয়েছেন FCB ফিজিক্যাল মেম্বার জনাব আকিমুল মাহমুদ। 

#TVSRTR4vfiabs #review

Tvs 4v fi abs বাইকটি আমি এখন পর্যন্ত ১৫০০কিমি চালিয়েছি। এর আগে Suzuki gsx bandit 150 বাইকটি চালাতাম। 

ব্যান্ডিট প্রায় ৫০০০০কিমি চালিয়ে বিক্রি করে TVS 4v fi abs কিনি। এই ১৫০০ কিমি চালানোতে আমার অবজারভেশনগুলোই আমি তুলে ধরছি। 


TVS 4v fi abs বাইকটিতে আগের 4v এর থেকে বেশ কিছু জিনিস চেঞ্জ করেছে। যেমন 

টায়ার, 

FI সিস্টেম, 

Engine position, 

Engine power, 

Riding modes. এই বেশ কিছু চেঞ্জ এর ফলে আগের মডেল এর সাথে এই মডেল রাইডে বেশ ভালো রকমের পার্থক্য বোঝা যায়। টায়ার চেঞ্জ করায় ব্রেকিং আগের থেকে ভালো হয়েছে, তবে ব্রেকিং সিস্টেম সেই পুরান হওয়ায় ব্রেকিং বাইট কিছুটা কম, front এ এবিএস থাকায় স্কিড করার ভয় নাই তবে পিছনের টায়ার রেডিয়াল দেয়ায় সারফেস গ্রিপ কম পায় এবং স্কিড করেছে আমার কাছে ২ বার। 

FI সিস্টেম হওয়ায় এক্সিলারেশন আগের চেয়ে স্মুথ হয়েছে এবং মাইলেজ বেড়েছে বেশ ভালো রকমের। আমি সিটি এবং হাইওয়ে মিলিয়ে ৪৭+ মাইলেজ পেয়েছি। আমি ব্রেক ইন পিরিয়ডে হাইওয়েতে স্মুথ এক্সিলারেশনে ১১৬ পর্যন্ত তুলেছি কিন্তু আগের ভার্শনে যে রেডি পিকাপ ছিল সেটা আর নেই। তবে বাইকটির লং ট্যুরে কেমন পারফরম্যান্স চেক করতে পারিনি এখনো। তবে ১৮০ কিমি একটা শর্ট ট্যুরে পারফরম্যান্স ভালোই পেয়েছি। 

বাইকটির সাস্পেনশন ভালোই, হেডলাইটের আলো যথেষ্ট ভালো, বিল্ড কোয়ালিটিও ভালো। 


এবার আসি বাইকের কিছু খারাপ দিক যা আমার ভালো লাগে নি। 

বাইকটির পাওয়ার আগের তুলনায় বেশি হলেও এক্সিলারেশন এবং টপ স্পিড কম।  ১০০কিমি স্পিড এর উপর ভাইব্রেট করে ভালোই। ১৫০০কিমিতেই ট্যাপেট লুজ হয়ে গেছে। ব্রেকিং পারফরম্যান্স আপগ্রেড করার জন্য FZS v3 এর মাস্টার সিলিন্ডার ইন্সটল করেছি, পিছনের Radial tyre চেঞ্জ করে mrf masseter  ইন্সটল করার পরে ব্যালেন্স এবং ব্রেকিং এর অসাধারণ ইম্প্রুভমেন্ট হয়েছে। তবে সার্ভিস সেন্টারে ২টি বিষয় খটকা লেগেছে যেমন, FI নাকি ক্লিন করতে হয় না আর স্টক অবস্থায় থ্রটল ফ্রি প্লে একেবারেই ছিল না জিজ্ঞাসা করায় বলেছে যে থ্রটল ফ্রি প্লে নাকি লাগে না। এখন দেখার বিষয় লং টার্মে কেমন পারফর্ম করে🤔🤔


পরিশেষে বলা যায় বাইকটি ২,৭০,০০০ টাকা বাজেটে মোটামুটি ভালো একটা ডিল তবে yamaha আর Suzuki এর সাথে প্রতিযোগিতায় টিকতে হলে দাম ২,৫০,০০০ করা উচিৎ ছিল আর TVS  এর ব্রেকিং নিয়ে কাজ করা উচিৎ।


Akimul Mahmud 

Registered member of

Freewheelers Club BD Ltd. (FCB) 

সেকেন্ড হ্যান্ড বাইকের মিটার টেম্পারিং !!

জীবনে আর যাই করুন মিটারে মাইলেজ দেখে সেকেন্ড হ্যান্ড বাইকের শোরুম থেকে কখনো পুরাতন বাইক কিনবেন না। 

গতমাসে আমার ব্যবহৃত "হিরো হাঙ্ক" বাইকটি বিক্রির জন্য বিভিন্ন গ্রুপে এবং  ফেসবুক মার্কেটপ্লেসে পোষ্ট করি। যার দাম নির্ধারন করেছিলাম "আটষট্টি হাজার" টাকা। 

"ষাট হাজার কিলোমিটার রান" এবং "পাঁচ বছর ব্যবহৃত।"  

সর্বশেষ ভালো রেসপন্স না পেয়ে পুরাতন বাইক কেনাবেচা করে এরকম একটা  শোরুমে "বাষট্টি হাজার টাকায়" বিক্রি করে দেই।


তার একদিন পরে আমার পোষ্ট দেখা এক ভাই ঐ শোরুমে যায় বাইক কিনতে।

তিনি তখন খেয়াল করেননি যে এটা আমার পোস্ট করা বাইক। উনি প্রায় কিনেই ফেলেছিলেন, এমন অবস্থায় লুকিং গ্লাস ভাঙ্গা দেখে উনার আমার বাইকের কথা মনে পড়ে যাওয়াতে উনি কৌশলে ঐ জায়গা থেকে সরে গিয়ে আমাকে কল দেন।


ওনার থেকে জানতে পারি ওই বাইকের মিটার নাকি কমিয়ে "বারো হাজার রান" করে ফেলছে। টায়ারটি পাল্টানোর কারনে উনি বুঝতেই পারেননি বাইকটি এতো বেশী পুরোনা। এছাড়া দাম চেয়েছে অনেক বেশি।

পুরাতন বাইকের ব্যাবসায়ীরা মিটার ট্যাম্পারিং করে এটা জানতাম, তবে প্রায় "একষট্টি হাজার" কিলোমিটার চলা একটা  বাইক কারসাজি  করে মাত্র "বারো হাজার" দেখিয়ে বিক্রি করতে পারে এমনটা কখনো ভাবিনি। 

তাই যারা মিটারে অল্প মাইলেজ দেখে খুশি হয়ে বেশি দামে পুরাতন বাইকের শোরুম থেকে বাইক কিনে ফেলেন তাদেরকে বলবো ভালো করে বাইকের কন্ডিশন বুঝে তারপর দরদাম করে বাইক কিনবেন। মিটারে কম মাইলেজ দেখে বাইক কিনলে ঠকে যাবার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকবে। কারন ইউজারের ইউজের ভিত্তিতে অনেক সময় মাত্র পাচ হাজার কিমিতেও বাইকের অবস্থা খুব খারাপ হয়ে যেতে পারে, আবার যারা যত্ন করে ইউজ করে তাদের হাতে একই মডেলের বাইক ৫০ হাজার কিমিতেও অনেক ফ্রেশ এবং হেলদি কন্ডিশনে থাকে। 

তাই ইউজড বাইক কিনলে অবশ্যই বাইকের কন্ডিশন বুঝে কেনা উচিত। 

সবাইকে সচেতন করার জন্য পোস্টটি শেয়ার করুন। 


অভিজ্ঞতা জানিয়েছেনঃ Md Nurul Haque

A Journey With Alpollo Alpha H1

Apollo Alpha H1 নিয়ে

অভিজ্ঞতা জানাচ্ছেন 

বাইকার ----জুলকার নাইম



স্টক টায়ারে ২৩ হাজার কিলোমিটার চালানোর পর 
ফ্রন্ট টায়ার টা আর সাপোর্ট দিচ্ছিলো না।
ভাবলাম চেঞ্জ করে নেই। 
কিন্তু সমস্যা হল,কি টায়ার নিবো এইটা নিয়ে 
হিউজ কনফিউজড ছিলাম। 
বিশেষ করে  ১১০/৭০ সেকশনের ফ্রন্ট 
রেডিয়াল টায়ার পাওয়াটা একটু ডিফিকাল্ট ছিল।
যেগুলো পাই সেগুলো হয় বায়াসড টায়ার,
অথবা বাজেটের বাইরে।

হঠাৎ করেই দেখলাম অ্যাপোলোর একটা 
রেডিয়াল টায়ার আছে যেটা পারফেক্টলি 
আমার বাইকের সাইজে আসে।
খোজ খবর নিলাম, ইভেন গ্রুপেও পোস্ট করি 
ডিটেইলস জানার জন্য।
বাট তখন এই টায়ারের এত ইউসার না থাকায় 
অইভাবে রেসপন্স পাইনি।
ইউটিউবে একটু ঘাটাঘাটি করে যেটা দেখলাম,
পাশের দেশে এই টায়ারটা বেশ জনপ্রিয়,
বিশেষ করে কে,টি,এম ডিউক/আর,সি সিরিজে।
ইউসার ফিডব্যাকও বেশ ভালো।
ফাইনাল ডিসিশন নিয়ে নিলাম,
Apollo Alpha H1 ই সই।

এবার এই টায়ারের কিছু ভালো আর

খারাপ দিক নিয়ে কথা বলি।


প্রথমেই ভালো দিক

এক কথায় অস্থির লেভেলের একটা টায়ার।

সুপার গ্রিপ এবং সুপার স্টাবিলিটি।

মি ৪০০০ কিলোমিটারের 

মত টায়ারটা ইউস করছি এবং 

আমি টোটাল্লি স্যাটিসফাইড। 

আমার মনে হয়না মার্কেটে এই 

বাজেটে এর চেয়ে ভালো রেডিয়াল 

টায়ার আছে তাও ১১০ সেকশনের

(আমি ৫১৫০টাকা দিয়ে নিয়েছিলাম)।

পাহাড়ে, সিটি রাইডে, হাইওয়েতে, 

টুকটাক ভাঙাচোরা রাস্তায় চালিয়েছি,

একবারও মনে হয়নাই চাকার গ্রিপ ছুটে

যাচ্ছে বা ইমব্যালান্স হয়ে যাচ্ছে। 

বিশেষ করে কর্নারিং এ হিউজ একটা

এ্যাডভান্টেজ পাওয়া যায় এই টায়ারের

শেইপের কারনে।

ইভেন এই টায়ারের জন্য মাইলেজ ড্রপ বা

বাইক ভার ভার লাগার মত কোন ইস্যু পাইনি।


এবার খারাপ দিক

সত্যি কথা বলতে এই টায়ারের খারাপ দিক এখনো খুজে পাইনি। 

তবে টায়ারটা আমার বাইকের স্টক টায়ার

(ডানলপ স্পোর্টসম্যাক্স) থেকে একটু শক্ত।

যদিও আমি বাইকের বিষয়ে অনেক 

বেশি খুতখুতে স্বভাবের, 

অন্যরা হয়ত জিনিসটা ফিল করবেনা।


কয়েকদিন পর হয়ত আমি আমার 

রেয়ার টায়ারটাও চেঞ্জ করব এবং 

সেটা অবশ্যই Apollo Alpha H1, 

কারন আমি এই টায়ারের কোয়ালিটিতে

টোটালি স্যাটিসফাইড।

হ্যাপি বাইকিং।

নতুন Honda SP125 fi এর ভালো মন্দ

Honda SP125 Fi BS6 বাইকটি বাংলাদেশের বাজারে অফিসিয়ালি লঞ্চ হয়েছে বেশ কিছুদিন আগে।

যেহেতু ১২৫ সিসি ইকোনমি কমিউটার সেগমেন্টে fi ইঞ্জিন নিয়ে বাইকটি বাজারে এসেছে তাই বাইকটি নিয়ে কৌতুহল বা আগ্রহের কোন কমতি নেই। সেইম সেগমেন্টের আর কোনো বাইক fi ইঞ্জিন অফার করছে না।তাই এই বাইকে ভালো মন্দ দিক গুলো নিয়ে অনেকেই জানতে চাচ্ছেন। 


বেশ কিছুদিন ধরে বাইকটি বিভিন্ন রোড কন্ডিশনে চালিয়ে বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং তার দৃষ্টিতে বাইকের Pros & Cons জানাচ্ছেন Honda SP125 fi বাইকের অউনারঃ Ananto CH


PROS.

১। লুকস্ অনেক সুন্দর & আকারে লম্বা চওড়া হওয়ায় রাইডিং এক্সপেরিয়েন্স অনেক কমফোর্টেবল লেগেছে, এমনকি পিলিয়ন রাইডার এই বাইকের কম্ফোর্ট নিয়ে দারুন প্রশংসা করেছে। 

২. নতুন অবস্থাতেই ব্রেকিং পিরিয়ড মেইনটেইন করেও এর FI ইঞ্জিন থেকে আমি ৬৪/৬৫ মাইলেজ পাচ্ছি।

৩. এটার ডিজিটাল মিটারে RPM ছাড়া সব তথ্য পাওয়া যায়। যেমন টাইম, টোটাল রান, ট্রিপ A, ট্রিপ B, মাইলেজ, যতটুক ফুয়েল আছে তা দিয়ে কত কিলোমিটার যাওয়া যাবে ইত্যাদি। 

৪. সেল্ফ+ইঞ্জিন কিল সুইচ একসাথে থাকায় কোন পেরা নাই। সেল্ফ টা ওয়ান টাচের মতো কাজ করে।

৫. এর ফ্রন্ট LED অনেক ভালো আলো প্রডিউস করে।

আমি সিটি বা গ্রামের রাস্তা কোথাও তেমন একটা অসুবিধা ফিল করিনি। তবে হ্যাঁ, হাইওয়েতে অবশ্যই আরো বেশি আলো দরকার পরে। তাই ভবিষ্যতে রাতের বেলা হাইওয়েতে রাইড করার প্রয়োজন হলে ছোট দুটো ফগলাইট ইন্সটল করে নেবো ভাবছি। 

৬. সাইড স্ট্যান্ড এর ফিচার্স গুলো অনেক কাজের ও দরকারী যেমন, সাইড সাইড স্ট্যান্ড নামানো থাকলে বাইক র্স্টাট না হওয়া, বাইক র্স্টাট থাকা অবস্থায় সাইড স্ট্যান্ড নামালে ইঞ্জিন অফ হয়ে যায়। এইগুলা অনেক ভালো লাগছে। 

৭. আগের ভার্সনের চেয়ে মোটা টায়ার হওয়ায় ব্রেকিং অনেক ভালো হয় বলে মনে হচ্ছে, সাথে CBS ব্রেক টা অনেক ভালো কাজ করে। ব্রেকিং নিয়ে আমি বেশ খুশি এবং কনফিডেন্ট ফিল করছি। 

৮. গিয়ার চেঞ্জ খুবই স্মুথ এবং 

৯. বাইকের এক্সহস্ট নোট বা ইঞ্জিন সাউন্ড অনেক সুন্দর। 

Cons: 

১. সীট কুশনিং সামান্য শক্ত মনে হয়েছে আমার কাছে। হতে পারে নতুন বলে, বসতে বসতে হয়তো আরো নরম হবে। আমার আগের বাইকেও কিছুদিন পর সীট নরম হয়ে গিয়েছিলো। 

২. ডিজিটাল মিটার হওয়া সত্বেও RPM নাই 😒 এই ফিচারটা মিস করছি। এত আপডেট একটা বাইকে RPM শো করবে না এটা মানা কঠিন। 

৩. হর্ন এর সাউন্ড আগের SP Shine এর তুলনায় কম লাউড।

৪. ফুয়েল রিজার্ভ অপশন নাই এবং চোক নাই। তবে এগুলার জন্য কখনও সমস্যা হবে বলে মনে হচ্ছে না কারণ বিকল্প দিয়ে দিয়েছে কোম্পানি। 

এছাড়া আর কোন Cons আমার চোখে পড়েনি। 

ভালো/খারাপ মিলিয়েই একটা বাইক হয়। 

আর এই বাইকে অন্যান্য ১২৫ সিসি বাইকের তুলনায় অনেক এডভান্সড ফিচার্স রয়েছে। 

ভুল ত্রুটি থাকলে ক্ষমা করবেন, ভালো লাগা বা মন্দ লাগা অথবা কোনো প্রশ্ন বা সাজেশন থাকলে কমেন্টে জানাবেন

ধন্যবাদ। 

৯ বছরে ১ লাখ কিমি

TVS ব্রান্ডের বাইকগুলোর বিল্ড কোয়ালিটি আসলেই অসাধারণ। ভীষণ মজবুত আর দীর্ঘস্থায়ী। 

ছবিতে দেখুন খুব সামান্য মেইন্টেনেন্স আর হাতে গোনা কয়েকটি পার্টস চেঞ্জ করেই  ৯ বছরে মোট ১ লাখ কিমি অনায়াসেই পাড়ি দেয়া গেছে। 

১ লক্ষ কিলোমিটার পারি দেয়ার অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেনঃ

 Md. Mosfakur Rahman.

১ লক্ষ কিমি চলতে যা যা লেগেছে

আমার হর্নেট ৯৯৯৯৯ ক্রস করলো। 
আলহামদুলিল্লাহ, এই দীর্ঘ জার্নিতে বড় কোন সমস্যার সম্মূখীন হইনি।

বাইকটি বেশ স্মুথ এবং কম্ফোর্টেবল ছিলো বলেই এত লম্বা সময় ধরে বাইকটি চালাতে পেরেছি।

বাইকের ব্রেকিং এবং ব্যালেন্স কখনোই আমাকে হতাশ করেনি। 

সবকিছুই অন পয়েন্ট ছিলো। এই দীর্ঘ পথে খুব বেশি মেইন্টেনেন্স বা উল্লেখযোগ্য সার্ভিসের প্রয়োজন হয়নি।  শুধু রেগুলার মেইনটেনেন্স বলতে যতটুকু প্রয়োজন ঠিক ততটুকুই লেগেছে। বাইকের বেস্ট পার্ট বলতে আমার কাছে মনে হয়েছে এর মজবুত বিল্ড কোয়ালিটি এবং স্মুথ ইঞ্জিন। সিটি হোক বা হাইওয়ে, যেকোনো ধরনের রাস্তায় চমৎকার রাইডিং এক্সপেরিয়েন্স হয়েছে আমার।

এই বাইকের কন্ট্রোলিং বেশ সহজ এবং সাবলীল লেগেছে আমার কাছে। যেকোনো বয়সের রাইডার খুব সুন্দর ভাবে এই বাইকটি চালাতে সক্ষম হবে। 

এই দীর্ঘ জার্নিতে যেসব  কনজুমেবল এবং মেইন্টেনেন্স পার্টস রিপ্লেস করতে হয়েছে তা হলোঃ

✅ পেছনের টায়ার ২ টা, 
✅ সামনের টায়ার ১ টা,
✅ চেইন স্পোকেট ২ সেট, 
✅ স্পার্ক প্লাগ ৩ টা,
✅ ব্যাটারি ১ টা, 
✅ ক্লাচ ক্যাবল ১ টা, 
✅ সামনের ব্রেক প্যাড ৩ সেট, 
✅ পেছনের ব্রেক সু ১ সেট, 
✅ এয়ার ফিল্টার ৬ টা।


এখনো বাইকের সাথে আসা অরিজিনাল ক্লাচপ্লেটই চলছে। ইঞ্জিন সম্পুর্ন স্টক অবস্থায় আছে৷ 

Honda Hornet 160R বাইকটি চালিয়ে আমি সন্তুষ্ট। 


নিজের বাইকের লং টার্ম ইউজার রিভিউ দিয়েছেনঃ 

Md Fazle Gani Masum.