সার্ভিস সেন্টারে কিভাবে মাইলেজ মাপে?

 


বাংলাদেশে তেলের উচ্চমুল্যের কারনে বাইকের মাইলেজ নিয়ে চিন্তা করতেই হয়, বিশেষ করে যারা প্রয়োজনীয় কাজ সারার জন্য বাইক চালান তাদের জন্য ভালো মাইলেজ পাওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। 


বাইকটা প্রতি লিটার তেলে কত কিলোমিটার চলছে এবং সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে কত কিলোমিটার চলা উচিত সেটা জানা থাকলে বাইকের শরীর স্বাস্থ্য ভালো আছে কিনা সেটাও চট করে বুঝে ফেলা যায়। 


কিন্ত মাইলেজ মাপা নিয়ে আমাদের মধ্যে রয়েছে বেশ কিছু ভুল ভ্রান্তি। তাই চলুন জেনে নেই মাইলেজ মাপার সঠিক উপায় বা পদ্ধতিগুলো। 


সহজ ৩ টি মেথডের মাধ্যমে ২ পর্বে আমরা জানবো বাইকের মাইলেজ পরিমাপ করার সঠিক পদ্ধতিগুলো। 


শুরুতেই জানবো 

মেজারমেন্ট_বোতল_পদ্ধতি নিয়ে।


যাদের কার্বোরেটর ইঞ্জিনের বাইক তারা সহজেই বোতল পদ্ধতিতে মাইলেজ চেক করতে পারেন।

বাজারে মাইলেজ মেজারিং কনটেইনার বা পরিমাপক বোতল কিনতে পাওয়া যায়। 

অনলাইনে কিনতে চাইলে দারাজেও এই মাইলেজ চেক করার বোতল পাবেন। দাম ৩৫০-৪৫০ টাকার আশেপাশে। 


প্রথমে বাইকের তেলের চাবি অফ করবেন তারপর বাইক চালিয়ে কার্বোরেটরে জমে থাকা তেলটা শেষ করবেন। এরপর মেজারমেন্ট বোতলে ১০০ বা ২০০ মিলিলিটার তেল নিয়ে বোতলের পাইপটা কার্বোরেটরে কানেক্ট করবেন, মিটার জিরো করবেন এবং বাইক চালাবেন। 


১০০ বা ২০০ মিলি তেলে কত কিলোমিটার চললো সেটা হিসেব করেলেই জেনে যাবেন আপনার বাইক কতটা মাইলেজ দিচ্ছে। 

উদাহরণ স্বরুপ, ১০০ মিলি তেলে যদি ৫ কিমি চলে তাহলে ১০০০ মিলি তেলে বাইক চলবে ৫০ কিলোমিটার। 


আমরা মেজারমেন্ট বোতল মেথড এপ্লাই করে হোন্ডা এক্সব্লেড কার্বোরেটর ইঞ্জিনের বাইক থেকে প্রতি ১০০ মিলি তেলে মাইলেজ পেয়েছিলাম ৫.৩ কিলোমিটার এবং 

সুজুকি জিক্সার কার্বোরেটর ভার্সন থেকে প্রতি ১০০ মিলি তেলে মাইলেজ পেয়েছি ৪.৮ কিলোমিটার। 


আগামী পর্বে আমরা জানবো, fi ইঞ্জিনের মাইলেজ জানার ভিন্ন পদ্ধতি নিয়ে।

কারন fi ইঞ্জিনের বাইকে কার্বোরেটর থাকে না, তাই বোতল পদ্ধতিতে মাইলেজ মাপার কোনো সুযোগ নেই।

মজার ব্যাপার হলো বোটল টেস্টে আপনি ফাকা রাস্তায় টপ গিয়ারে যে মাইলেজটা পান সেটার কাছাকাছি রেজাল্ট পাবেন তবে রিয়েল টাইম মাইলেজ রেজাল্ট পেতে হলে আপনাকে অবশ্যই পরবর্তী পর্বের মেথড ফলো করতে হবে।


[পর্ব-১]

চলবে….. 


ইকবাল আব্দুল্লাহ রাজ

এডমিন, Bike Doctor BD

No comments:

Post a Comment