Showing posts with label Biking News. Show all posts
Showing posts with label Biking News. Show all posts

লঞ্চ হলো Hornet 2.0, দাম কত??

 




বাংলাদেশের বাজারে লঞ্চ হলো Most Awaited Bike Honda Hornet 2.0.


বাইকটতে আছে 184.4 সিসির একটি পাওয়ারফুল ইঞ্জিন যার পাওয়ার আউটপুট 17.26 bhp এবং টর্ক 15.9 নিউটন মিটার। স্কয়ার ইঞ্জিন হবার কারনে এই বাইকটা চালিয়ে যেকোনো ধরনের রাস্তায় নিঃসন্দেহে চমৎকার রাইডিং এক্সপেরিয়েন্স পাওয়া যাবে। 
আরো থাকছে USD সাস্পেনশন যা বাইকের অসাধারণ  হ্যান্ডেলিং নিশ্চিত করবে। ব্রেকিং সিস্টেমে আছে ABS. 
Fi ইঞ্জিন হওয়ায় ভালো মাইলেজ প্রোভাইড করবে এই বাইকটি৷ আরো এডভান্সড ফিচারের মধ্যে আছে
Gear Position Indicator, 

Battery Voltmeter, 

Side Stand Engine Cut Off, 

Assist Slipper Clutch 

Hazard Switch ইত্যাদি। 


ভারতের বাজারে বাইকটির দাম ১ লাখ ৩৯ হাজার রুপি। 
বাংলাদেশের বাজারে দাম ধরা হয়েছে ২,৮৯,০০০ টাকা। 
আশা করছি Bangladesh Honda Private Limited বরাবরের স্পেসিফিকেশন এবং ফিচার অনুযায়ী বাইকের দাম রিজনেবল রেখেছে এটা নিয়ে সন্দেহের অবকাশ নেই। 
আশা করা যায় বাইকারদের জন্য এই বাইকটি দারুন একটা চয়েস হবে। 


আফটার সেল সার্ভিস নাকি স্ক্যাম?

 


বাইকের কোয়ালিটি ভালো হলে আফটার সেল সার্ভিস নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তিত হবার প্রয়োজন হয়না। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো যে বাইকটা কিনছেন সেই বাইকের স্পেয়ার পার্টস খোলা বাজারে মোস্ট এভেইলেবল কিনা এবং দাম কেমন সেটা জেনে নেয়া। 


বাংলাদেশে আফটার সেল সার্ভিস একটা বিরাট স্ক্যামের নাম।

আফটার সেল সার্ভিসের আড়ালে চলে বাইকারদের পকেট কাটা এবং স্পেয়ার পার্টস বানিজ্য। অথচ এর উল্টো হওয়া উচিত ছিলো। 


ছোট একটা উদাহরণ দেই। ধরুন, আপনি একটা নতুন বাইক ১০ থেকে ১২ হাজার কিমি চালালেন, স্বাভাবিকভাবেই সামনের চেইন স্পকেটটা ক্ষয়ে যাবে যা রিপ্লেস করতে ২৫০-৩০০ টাকা লাগে। এতে আপনার বাইকের চেইন আরো ১২/১৫ হাজার কিমি চলার জন্য রেডি হয়ে গেলো। অথচ, অফিসিয়াল সার্ভিস সেন্টারে গেলে আপনাকে পুরো চেইন স্প্রকেট সেট পরিবর্তন করার পরামর্শ দেবে এবং ভয়ভীতি দেখিয়ে ইন্সিস্ট করবে, এতে আপনার খরচ হবে ৪ হাজার টাকার আশেপাশে। অথচ এই ফুল চেইন সেট রিপ্লেসমেন্ট একেবারেই অপ্রয়োজনীয় ছিলো।


যে ব্রান্ড আফটার সেল সার্ভিস নিয়ে যতবেশি গলাবাজি করবে বুঝে নিতে হবে সেই ব্রান্ডের বাইকের কোয়ালিটিতে ততবেশি ঝামেলা আছে। 


অনেকেই খেয়াল করেন না যে, ফ্রি সার্ভিসের নামে যে সার্ভিসগুলো দেয়া হয় সেটা আসলেই ফ্রি না। বাইকের দামের সাথে সার্ভিসের চার্জ আগেই নিয়ে নেয় বাইক কোম্পানি। 

একই সাথে কৌশলে নানান শর্ত এবং ডেড লাইন জুড়ে দেয়। আর এখান থেকেই স্ক্যামের শুরু...


(সচেতন হোন, আপনার বাইকার বন্ধুকে সচেতন করতে পোস্টটা কপি অথবা শেয়ার করতে পারেন)

লঞ্চিং এর আগেই টেস্ট রাইড?? এটাও সম্ভব?

 


সাধারণত যেটা হয়, একটা বাইক অফিসিয়ালি লঞ্চ হবার আগে বাইকের চেহারা কেমন সেটা দেখার কোনো সুযোগ থাকে না। 

একমাত্র নির্দিষ্ট কিছু টেস্ট ড্রাইভাররা কনফিডেনসিয়ালি বিভিন্ন রোড কন্ডিশনে অথবা ফ্যাক্টরিতে বিভিন্নভাবে বাইকের পার্ফমেন্স এবং ডিউরেবিলিটি টেস্ট করে থাকেন, প্রয়োজনীয় অব্জারভেশন দেন এবং সেগুলো কারেকশন করার পর বাইক অফিসিয়ালি লঞ্চ করা হয়। 


তবে এই প্রথম অফিসিয়ালি ৬০০০ কিলোমিটার এন্ডুরেন্স টেস্ট করার পাশাপাশি রুল ব্রেক করে কমন বাইকাররা বাইকটি টেস্ট করে দেখা এবং অব্জারভেশন শেয়ার করার সুযোগ পেলো। বাইকের কোয়ালিটি নিয়ে কতটা কনফিডেন্ট হলে এতটা দুঃসাহস দেখানো সম্ভব সেটা ভেবে বেশ অবাক হলাম। 

Thanks A Lot To Honourable managing director Abdul Ahmad To Make This Possible. 


তবে অফিসিয়াল রেস্ট্রিকশনের কারনে বাইকটি কার্বন Wrap করা ছিলো যার কারনে বাইকের নাম এবং কালার হিডেন ছিলো। 



যাই হোক, বাইকটি নিয়ে বাইকারদের Excitement দেখেও অবাক হয়েছি। অবশ্য টেস্ট রাইড করার পর এই এক্সাইটমেন্টের কারন আমিও বুঝতে পারলাম। 


স্পোর্টি লুক, ফিচার, ইঞ্জিন রিফাইনমেন্ট, পাওয়ার, এক্সিলারেশন, স্মুথনেস, কম্ফোর্ট, ব্যালেন্স মিলিয়ে দারুন একটা প্যাকেজ। সুন্দর পাওয়ার আউটপুটের কারনে চালিয়ে মনেই হয়নি ১২৫ সিসি বাইক চালাচ্ছি, বরং পাওয়ারের দিক থেকে বাজারের কিছু কিছু ১৫০ সিসি বাইকের Equivalent বলেই মনে হলো। তাছাড়া ১২৫ সিসি সেগমেন্টে এই বাইক অফার করছে ABS, Which is very impressive.





যেহেতু ১২৫ সিসি সেগমেন্টের বাইকের মার্কেট বেশ প্রাইস সেন্সেটিভ তাই প্রাইসিং নিয়ে সবচেয়ে বেশি query ছিলো।

কিছু বড় ব্রান্ডের ক্ষেত্রে দেখেছি প্রোডাক্ট ওভারপ্রাইসড করে রাখতে এবং দাম বেশি মানেই প্রোডাক্ট খুব প্রিমিয়াম এমন একটা মাইন্ডসেট ক্রিয়েট করার চেস্টা করতে। তবে দেশের বাইকাররা এখন অনেক স্মার্ট, দামের বিপরীতে ফিচার & কোয়ালিটি জাস্টিফাই করতে শিখছে আস্তে আস্তে, এটা বেশ ভালো ব্যাপার। 


Hero Bangladesh এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর আশ্বাস দিয়েছেন একটা ভালো কোয়ালিটির fi ABS বাইকের লজিক্যাল দাম যা হওয়া উচিত তার চেয়ে কম দাম রাখার চেস্টা করা হবে যেন এই মন্দার বাজারে বাইকারদের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যেই বাইকটি থাকে। 

আমার বিশ্বাস সব ঠিকঠাক থাকলে ১২৫ সিসি সেগমেন্টে Xtreme 125R বাইকটি হতে যাচ্ছে Game Changer!! 


Spec & Featurewise হিরো বরাবরই তাদের প্রোডাক্ট প্রাইস রিজনেবল রাখার চেস্টা করে এটা ভালো ব্যাপার। আমিও চাই যৌক্তিক দামে দেশের বাইকাররা ভালো ভালো বাইক ব্যাবহার করার সুযোগ পাক। 


Bike Doctor BD

সেরা ব্রেকিং সিস্টেমের ৬টি বাইক

 


বাংলাদেশের বাজারে এভেইলেবল এবং বেশ পপুলার কিছু বাইক নিয়ে আমরা সেই বাইকগুলোর ব্রেকিং পার্ফমেন্স টেস্ট করেছিলাম। ব্রেকিং টেস্টে কিছু বাইক খুব চমৎকার স্কোর করেছে এবং ব্রেকিং পার্ফমেন্স এবং ব্রেকিং ডিস্টেন্সের দিক থেকে হাইয়েস্ট স্কোর করা ৬ টি বাইক লিস্টের একদম টপে অবস্থান করছে৷ আসুন দেখে নেই বাইকগুলো। 


শুরুতেই আছে Honda CB Ex Motion অথবা Streetster 150. এটি মুলত থাই রিজিওনের বাইক। 



সামনে four piston caliper এবং Redial ব্রেক সেটাপ ও প্যাটাল ডিস্ক এই বাইকের ব্রেকিং পার্ফমেন্সকে এক অন্য লেভেলে নিয়ে গেছে। সাথে USD সাসপেন্সন থাকায় বাইকের স্ট্যাবিলিটি হয়েছে চমৎকার। এতে আছে gyroscope সেন্সর সহ Dual Channel ABS.

এরপরেই আছে Honda CBR 150R. 


এই বাইকেও রেডিয়াল ব্রেক সেটাপ, বড় সাইজের প্যাটাল ডিস্ক এবং USD fork রয়েছে। পুরো ব্রেক সেটাপ বিখ্যাত Nissin ব্রান্ডের। Dual Channel ABS থাকায় এই বাইকের ব্রেকিং পার্ফমেন্স অসাধারণ। 


সেকেন্ড পজিশনে আছে ইন্ডিয়ান ব্রান্ড হিরো এবং বাজাজ এর দুটো বাইক। Hero Xmr 210 এবং Pulsar N250.



XMR বাইকটিতে 300 মিলিমিটার প্যাটাল ডিস্ক এবং পেছনে 230 মিলিমিটার ডিস্ক ইউজ করা হয়েছে। আছে ডুয়াল চ্যানেল এবিএস। ব্রেক সেটাপ নেয়া হয়েছে ব্রেকিং এর জন্য ফেমাস ব্রান্ড Bybre থেকে৷ বাইকের ব্রেকিং বাইট খুব ভালো এবং স্টপিং ডিস্টেন্স অনেক কম। 

Pulsar N250 তেও সামনে ৩০০ এবং পেছনে ২৩০ মিলিমিটার ডিস্ক রয়েছে। আছে ডুয়াল চ্যানেল এবিএস। ব্রেক সেটাপে ইউজ করা হয়েছে Gremica ব্রান্ডের ব্রেকিং ইকুইপমেন্ট। 

যদিও এটা নতুন ব্রান্ড তবে পার্ফমেন্স এর দিক থেকে দারুন ফিডব্যাক দেখিয়েছে। 


১২৫ সিসি সেগমেন্টে সবচেয়ে ভালো ব্রেকিং পার্ফমেন্স পেয়েছি  KTM 125 থেকে। 

এই বাইকের সামনে ৩২০ এবং পেছনে ২৩০ মিলিমিটার ডিস্ক আছে, সাথে আছে Dual Channel ABS এবং USD ফর্ক। Bybre ব্রান্ডের ব্রেকিং সিস্টেম ইউজ করা হয়েছে এই বাইকটিতে। 


Non ABS বাইকের মধ্যে আমাদের টেস্টে R15 v3 ইন্দো এবং থাই ভার্সন খুব ভালো স্কোর করেছে। এতে ইউজ করা হয়েছে Nissin ব্রান্ডের ব্রেক সেটাপ। ব্রেকিং বাইট এবং স্টপিং ডিস্টেন্স ছিলো আপ টু দ্যা মার্ক। 


আপনার কাছে কোন বাইকের ব্রেকিং পার্ফর্মেন্স ভালো লাগে কমেন্টে লিখে জানাবেন। মনে রাখবেন ব্রেকিং প্রতিটা বাইকের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তাই বাইক কেনার আগে বাইকের ব্রেকিং পার্ফমেন্স কেমন সেই ব্যাপারে খোজ খবর এবং ইউজার ফিডব্যাক নেয়ার চেস্টা করবেন। বাইক কেনার সময় চেক করে নেবেন বাইকের মাস্টার সিলিন্ডার এবং ক্যালিপার একই ব্রান্ডের কিনা? কারন অনেক সময় দেখা যায় উৎপাদন খরচ কমাতে বিভিন্ন ব্রান্ড মাস্টার সিলিন্ডার এবং ক্যালিপার আলাদা আলাদা ব্রান্ডের দিয়ে দেয়। এতে ব্রেকিং পার্ফমেন্স একুরেট হয় না, ব্রেক মিস করার সম্ভাবনা থাকে। তাই ব্রেক সেটাপ পুরোটাই ভালো সেম ব্রান্ডের হলে ব্রেক নিয়ে কনফিডেন্ট থাকতে পারবেন। 

হ্যাপি বাইকিং!!


ফেসবুকে ফলো করুন Bike Doctor BD

লঞ্চ হলো Pulsar NS400z

 Bajaj Has Launched The Biggest Pulsar Ns400z.


Bajaj has launched the biggest Pulsar yet, the Pulsar NS400Z 


➡️ Powered by the same 373cc single-cylinder engine as the Dominar

➡️ 40 ps @8800rpm and 35nm @6500rpm

➡️ 43MM USD forks

➡️ 320mm front disc, 230mm rear disc

5-step adjustable levers



➡️ Hazard lights

➡️ Ride by wire, four ride modes: road, rain, sport and offroad

➡️ Switchable traction control

➡️ Top speed of 154km/h



➡️ Bluetooth connected LCD display with turn by turn navigation, music controls and lap timer

➡️ Colpur options: Red, White, Black and Pewter Grey



What are your thoughts on the pricing?


#BajajPulsarNS400Z

বন্ধ হতে যাচ্ছে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে মোটরসাইকেল চলাচল

 


"ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বন্ধ হচ্ছে মোটরসাইকেল"

শনিবার (২৭ এপ্রিল) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত মহাসড়কের তিনটি পয়েন্টে চেকপোস্ট বসিয়ে অভিযান পরিচালনা করেন বিআরটিএর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শিফা নুসরাতসহ হাঁসাড়া হাইওয়ে পুলিশের সদস্যরা। এ সময় অভিযানে উপস্থিত ছিলেন বিআরটিএর চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ মজুমদার ও হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. মোস্তাফিজুর রহমান।

বিআরটিএর চেয়ারম্যান বলেন, 

মহাসড়কের দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সড়ক

নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারে শিগগিরই

কঠোর পদক্ষেপে যাচ্ছে বিআরটিএ কর্তৃপক্ষ। 


ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে দুর্ঘটনার সংখ্যা 

বৃদ্ধি পাওয়ায় শিগগিরই সিসিটিভির

মাধ্যমে মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করা

হবে মহাসড়কে।

এছাড়া প্রথম  দিনের  অভিযানে ফুটওভার

ব্রিজ ব্যবহারে যাত্রী ও পথচারীদের অনীহা

ও যানবাহনের ওভার ট্রাকিংসহ অতিরিক্ত

গতিতে চলাচলের চিত্র চোখে পড়েছে। 

ফলে দ্রুত এসব বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে যানবাহন

ও চালকদের বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রয়োগের 

মাধ্যমে সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে স্থায়ীভাবে

কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এতো ফিচার এড করে দাম বাড়ালো মাত্র ১ হাজার রুপি

Launched New 2024 Bajaj Pulsar N250 In India.


Updates:

37mm USD Forks,

110 in front & 140 Section Wider Rear Tyre,

Traction Control,

Switchable ABS,

3 ABS Modes,

Patal Disk,



New Full Digital Instrument Cluster with Blutooth Connectivity, 



New Exciting Colour and Graphics.


But Price Increased Only 1000 Rs.

New Price is 1 lac 51,000 rs/-

It Will Be A Great Deal 🔥🔥🔥


Bangladesh Is Wating For This.

দেশে এলো ৩০০ সিসির স্পোর্টস বাইক

 দেশের প্রথম ৩০০ সিসির স্পোর্টস বাইক... 


সিসি লিমিট বাড়ার পর দেশের বাইকারদের মধ্যে উত্তেজনা অনেক বেড়ে যায় আর তার পরিপ্রেক্ষিতে দেশে একের পর ঢুকতে থাকে হাইয়ার সিসি বাইক। সিসি লিমিট ৩৭৫ সিসি পর্যন্ত উন্নীত হবার পর সবার আগে লঞ্চ হয় Pulsar N250, এরপর Hero XMR 210, Suzuki Gixxer 250SF এবং অলরেডি দেশের বাজারে ঢুকে গেছে KPR 200. 

তবে এবার ধামাকা হিসেবে হাজির হলো, 

৩০০ সিসির CFMOTO 300ss. 

চলুন দেখে নেই বাইকটির বেসিক স্পেসিফিকেশন 

ডুয়াল ওভারহেড ক্যামশাফটের সাথে লিকুইড কুলড ফোর ভালভ ২৯২ সিসির ইএফয়াই ইঞ্জিন। 

ইঞ্জিন পার্ফমেন্স দুর্দান্ত হবে এটা বলাই বাহুল্য। সিক্স স্পীড গিয়ারবক্সের সাথে যোগ হয়েছে স্লিপার ক্লাচ। 

ইঞ্জিন টি ২৯ হর্সপাওয়ার উৎপন্ন করতে সক্ষম। 


ইউজ করা হয়েছে ট্রেলিস ফ্রেম যা হাইয়ার সিসি বাইকগুলোতে সর্বাধিক ব্যাবহার করা হয়। এই ট্রেলিস ফ্রেমের কারনে বাইকের হ্যান্ডেলিং খুব শার্প হয় এবং ওজনে হালকা হবার কারনে কুইক এক্সিলারেশনে হেল্প করে। সাসপেনশন হিসেবে থাকছে ৩৭ মিমি ইউএসডি বা আপসাইড ডাউন সাসপেনশন, যা বাইকের কমফোর্ট এবং স্ট্যাবিলিটি অনেক বেশি এনহ্যান্স করবে। 
সেফটি ফিচার হিসেবে ডুয়াল চ্যানেল এবিএস এবং বিগ সাইজ ডিস্ক থাকছে যা দেবে অসাধারণ ব্রেকিং পার্ফমেন্স। 


দুর্দান্ত লুক এবং ডিজাইনের এই CFMoto300ss বাইকটি বাইক প্রেমিদের নজর কাড়বে এটা চোখ বন্ধ করে বলা যায়, তবে দেশের বাইরে এই বাইকের ভাল জনপ্রিয়তা থাকলেও বাংলাদেশের বাজারে এই বাইক কতটা রিলায়েবল হবে এই বিষয়ে প্রশ্ন থেকে যায়, কারন দেশের বাজারে জাপানিজ এবং ইন্ডিয়ান ব্রান্ডের বাইরে যেসব অপ্রচলিত ব্রান্ড রয়েছে সেগুলোর সার্ভিস এবং স্পেয়ার নিয়ে আমরা কনফিডেন্ট না। 

সার্ভিস এবং স্পেয়ারের সাপোর্ট যদি নিশ্চিত করা যায় তাহলে CFMOTO 300SS দেশের বাইক প্রেমিদের কাছে বেশ ভালো একটা অপশন হতে পারে। 

ইইন্টারন্যাশনাল মার্কেটে এই বাইকের দাম ৪ হাজার ৪৯৯ ইউএস ডলার।

ভারতে ২ লাখ রুপির আশেপাশে

বাইকটি সম্পর্কে আপনার আগ্রহ কেমন এবং মতামত কি, কমেন্টে জানাতে পারেন। ফলো করুন আমাদের ফেসবুক পেইজ Bike Doctor BD.

লেখা: ইকবাল আব্দুল্লাহ রাজ 

Admin, BIKE DOCTOR BD

চোরের সর্দার জানালো বাইক চুরি ঠেকানোর উপায়

মোটরসাইকেল যারা চালাই তাদের অনেক বড় একটা টেনশন থাকে বাইকের নিরাপত্তা নিয়ে। কারন,

বাইক নিয়ে বিভিন্ন কাজে গেলে বাইক খোলা জায়গায় পার্ক করতে হয়।


অরক্ষিত পার্কিং থেকেই বাইক চুরি হবার ঝুকি থাকে সবচেয়ে বেশি।


বাইকারদের কাছে বাইক অনেক শখের এবং প্রয়োজনীয় একটা ভেহিক্যাল। অন্যান্য যানবাহনের তুলনায় বাইক চুরি হবার প্রবনতা অনেক অনেক বেশি তাই বাইকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা খুবই জরুরি। 


কিন্ত কিভাবে? 

বাজারে যেসব তালা বা ডিস্ক লক পাওয়া যায় সেগুলো কতটা নিরাপদ এটা নিয়েও প্রচুর কনফিউশান আছে ৷

তাছাড়া সাধারণ তালাগুলো ভেংগে ফেলাও খুব সহজ। বিভিন্ন সিসিটিভি থেকে বাইক চুরির ফুটেজ সংগ্রহ করে দেখা গেছে সাধারণ ডিস্কলক বা তালা ভাংতে চোরের সময় লাগে গড়ে ১৪ সেকেন্ড। ঘাড় লক ভাংতে ৪ সেকেন্ড এবং মাস্টার চাবি দিয়ে বাইক চালু করতে ৬ সেকেন্ড। 

অর্থাৎ মাত্র ২৫ সেকেন্ডের কম সময়ে একটা বাইক চুরি হয়ে যেতে পারে। 


পরিসংখ্যান বলছে শুধুমাত্র ঢাকা শহর থেকে প্রতিমাসে চুরি হয় ৩৬-৪০ টি বাইক এবং বছরে প্রায় ১৪ হাজার বাইক। 


মিরপুর, বাড্ডা, শ্যামলি, মাটিকাটা, শাহবাগ, মিটফোর্ড, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, উত্তরা এবং কামরাংগীরচরে অন্তত ২০টি সক্রিয় চোরচক্র রয়েছে। 

চুরি যাওয়া বাইকগুলো ঢাকার বাইরে পাচার করে দেয়া বা যন্ত্রাংশ খুলে বিক্রি করে দেয়া হয়। 


অভিজ্ঞ একজন মোটরসাইকেল চোরের সাথে কথা বলে জানতে পেরেছি কি কি উপায়ে মোটরসাইকেল লক করলে সেটা চুরি করা অসম্ভব? চলুন দেখি চোর কি কি বলেছে?


শীর্ষ মোটরসাইকেল চোর আবুল কালাম। ১৩ বছরে যিনি দুইশোর বেশি মোটরসাইকেল চুরি করেছেন। 

তার বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে ৫৩টি।

প্রায় ১০-১২ জনের একটা চোর চক্রের ওস্তাদ তিনি। বললেন মোটরসাইকেল চুরি ঠেকানোর ৩ টি উপায় নিয়ে। 


প্রথমত : মোটরসাইকেলে তীব্র শব্দের সিকিউরিটি এলার্ম লাগানো। যেন বাইক স্পর্শ করলেই এলার্ম বেজে উঠে। এলার্ম বাজলে চোরেরা সেই বাইকের উপর আকর্ষণ হারিয়ে ফেলে এবং দুরত্ব বজায় রাখে। কারন শব্দ এবং আলো এই দুটি জিনিস চোরের চিরশত্রু। 

দ্বিতীয়ত : জিপিএস ট্র‍্যাকার লাগানো যেতে পারে যাতে বাইকের অবস্থান সহজেই সনাক্ত করা যায়। তবে মোটরবাইকে জিপিএস লাগালে সেটা অবশ্যই এলার্মের সাথে কম্বাইন্ড করে লাগানো উচিত। কারন বাইক স্পর্শ করলে শব্দ হওয়া অনেক বেশি জরুরি। 


তৃতীয়ত : এলার্মের পাশপাশি সাধারণ ডিস্কলক ব্যাবহার না করে মোটা এবং লম্বা হুকের তালা ব্যাবহার করতে পারলে ভালো কারন সেগুলো ভাংতে অপেক্ষাকৃত বেশি সময় এবং পরিশ্রম লাগে। 


এই ৩টি উপায়ে বাইক লক করা থাকলে চোর কখনোই ঝুকি নিতে চায় না। 


কোন ধরনের বাইক চুরি করতে বেশি আগ্রহী এই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাজারে যেসব বাইক সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং কমন সেগুলোর দিকেই চোরের টার্গেট থাকে বেশি, যেমন FZS, Gixxer, 4v, Pulsar, R15, CBR, MT15, Hunk, Hornet, Discover এসব বাইক চুরি করে বিক্রি করা সহজ, কারন এসব বাইকের কাস্টমার এভেইলেবল। দাম ভালো পাওয়া যায়৷ 


বাজারে এভেইলেবল কোন ধরনের লক বা তালাকে ভয় পান? এর উত্তরে তিনি জানান অরিজিনাল চোর কখনো কোনো তালাকে ভয় পায় না। 

তবে TASSLOCK টাইপের এলার্ম এবং জিপিএস সহ কম্বাইন্ড সিকিউরিটি সিস্টেম গুলো লাগানো থাকলে আমরা প্রচন্ড বিরক্ত হই, যার কারনে এলার্ম লাগানো বাইকগুলো এড়িয়ে চলি। 


সাধারণত কোন সময়টাতে বাইক চুরি করেন? জবাবে তিনি বলেন, 

চুরির আসলে কোনো নির্দিস্ট সময় নাই, তবে রোজার সময়, ঈদের সময় চুরি করতে বেশি সুবিধা। কারন রোজার সময় মানুষ ক্লান্ত থাকে, বাইকের দিকে খেয়াল রাখে কম। ঈদেও মানুষ ব্যাস্ততা বা মার্কেট করা নিয়ে ব্যাস্ত থাকার কারনে বাইকের কথা ভুলে যায়। 



লেখাঃ ইকবাল আব্দুল্লাহ রাজ।

এডমিন, Bike Doctor BD

নিরবে লঞ্চ হলো Pulsar NS 125. দাম কত?

 Launched Pulsar NS 125 In Bangladesh


Pulsar NS160 is a popular naked sports bike in Bangladesh. Now we are Getting A Smaller Version of it. Lets know About it.


Super powerful

কমতে পারে জ্বালানি তেলের দাম।

সারা বিশ্বে জ্বালানি তেলের সংকট এবং ডলার রেটের উর্ধগতির সাথে পাল্লা দিয়ে জ্বালানি তেলের দাম চলে গেছে নাগালের বাইরে। 



রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের কারনে এই সংকট মারাত্বক আকার ধারণা করে। 


 ৮৯ টাকা লিটার থেকে একলাফে ১৩০ টাকা লিটারে চলে যায় অকটেনের মুল্য। পেট্রোল ডিজেল কেরোসিন সবকিছুতেই ৩৬ থেকে ৪৩ শতাংশ মুল্য বৃদ্ধি হয়। 

বর্ধিত জ্বালানি তেলের দামের কারনে এর ব্যাপক প্রভাব পড়েছে পরিবর্তন সেক্টর সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের বাজারেও। 

সময়ের সাথে সাথে বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমলেও আমাদের দেশে এর প্রভাব পড়েনি। 

তবে IMF এর শর্তানুযায়ী এবার তেলের দাম সমন্বয় করতে বাধ্য হতে পারে কর্তৃপক্ষ। 

বিপিসি জানিয়েছে ডিজেলের দামে খুব বেশি মুনাফা তারা করছে না। তাই মূল্যহ্রাস করার খুব বেশি সুযোগ নেই। 

কিন্ত অকটেন এবং পেট্রোলের ক্ষেত্রে প্রতি মাসেই মুল্য সমন্বয় করা হবে। অকটেনের মুল্য প্রতি লিটার ডিজেলের চেয়ে ১০ টাকা বেশি হবে এমন আশ্বাস দিয়েছে বিপিসি। 

তেলের নতুন মুল্য চলতি মাসেই কার্যকর হবার সম্ভাবনা রয়েছে।



কেমন দামে লঞ্চ হতে পারে Gixxer 250?

Suzuki Gixxer বাংলাদেশের বাজারে ব্যাপক জনপ্রিয় একটা বাইক । 

বিশেষ করে ইয়াং জেনারেশনের কাছে Gixxer এর গ্রহনযোগ্যতা অনেক অনেক বেশি। 

Gixxer কি পরিমাণ জনপ্রিয় আর রাস্তায় কত বেশি জিক্সার চলে সেটা যেকোনো ট্রাফিক সিগনালে দাড়ালে যে কেউ সহজেই বুঝে যাবে। গোটা ২০২৩ সাল জুড়ে জিক্সার ছিলো এই সেগমেন্টের সবচেয়ে হাইয়েস্ট সেলিং বাইক। 


কিন্ত জিক্সার এত বেশি পপুলার হবার কারন কি??

কি এমন স্পেশাল ব্যাপার আছে জিক্সারে??

মুলত জিক্সারের এগ্রেসিভ ডিজাইন ল্যাংগুয়েজ, এর আইকনিক স্টাইলিং, মাস্কুলার এবং বোল্ড লুকস, আউটস্ট্যান্ডিং রোড প্রেজেন্স তো আছেই। সেই সাথে অসাধারণ ইঞ্জিন পাওয়ার, দারুন ব্রেকিং, বাইকটিকে সবার থেকে এগিয়ে রাখে। বাইকের ওয়াইডার টায়ার বাইকের স্ট্যাবিলিটিকে আরো বেশি ইনক্রিজ করেছে। 


তাছাড়া, জিক্সারের Design Department বাইকের প্রিভিয়াস মডেল গুলোকে সময়ের সাথে সাথে আপগ্রেড করে নতুন ডায়ামেনশন যোগ করেছে। বাইকে যুক্ত হয়েছে নতুন নতুন আধুনিক ফিচার, নতুন নতুন এক্সাইটিং কালার গ্রাফিক্স। আর এই কারনেই বাইকের চাহিদা দিন দিন বেড়েছে। 


নতুন Gixxer 250 তে থাকছে ২৪৯ সিসির একটা পাওয়ারফুল fi ইঞ্জিন যা ২৬.৫ পিএস পাওয়ার এবং ২২.২ নিউটন মিটার টর্ক প্রোডিউস করতে পারে। চমৎকার এই পাওয়ার ফিগারকে ট্রান্সমিট করার জন্য এতে থাকছে 6 speed Gearbox

dual disk & dual channel ABS এর সাথে থাকছে সামনের চাকার ৩০০ মিমি বিশাল ডিস্ক যা এই বাইকের স্টপিং ডিস্টেন্স Shorter করবে। 
টুইন মাফলারের এক্সহস্ট নোট টা বেশ স্পোর্টি। SEP Tecnology ইঞ্জিন হবার কারনে সিটি এবং হাইওয়ে মিলিয়ে মাইলেজ পাওয়া যাবে ৩৫-৩৮ কিমি পার লিটার। 

সিসি লিমিট বাড়ার পর দেশের বাজারে হাই সিসি বাইক ঢুকতে শুরু করেছে, Pulsar N250, Karizma XMR 210 এর পর আমরা অপেক্ষায় ছিলাম Gixxer & Gixxer SF 250 এর জন্য। শোনা যাচ্ছে খুব দ্রুতই দেশের বাজারে এভেইলেবল হতে যাচ্ছে এই মডেল দুটি। ভারতের বাজারে জিক্সার ২৫০ এর প্রাইস ১ লাখ ৮৪ হাজার রুপি এবং জিক্সার এস এফ এর প্রাইস রেঞ্জ ২ লাখ থেকে ২ লাখ ১০ হাজার রুপি। 

বাংলাদেশের বাজারে এই বাইক দুটি লঞ্চ হলে ৪ লক্ষ থেকে ৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা প্রাইস রেঞ্জ এক্সপেক্ট করা হচ্ছে। এই বছরের চলতি মাসেই দেশের বাজারে Gixxer এবং Gixxer SF লঞ্চ হবার সম্ভাবনা রয়েছে।