Apollo Alpha H1 নিয়ে
অভিজ্ঞতা জানাচ্ছেন
বাইকার ----জুলকার নাইম
ফ্রন্ট টায়ার টা আর সাপোর্ট দিচ্ছিলো না।
ভাবলাম চেঞ্জ করে নেই।
কিন্তু সমস্যা হল,কি টায়ার নিবো এইটা নিয়ে
বিশেষ করে ১১০/৭০ সেকশনের ফ্রন্ট
রেডিয়াল টায়ার পাওয়াটা একটু ডিফিকাল্ট ছিল।
যেগুলো পাই সেগুলো হয় বায়াসড টায়ার,
অথবা বাজেটের বাইরে।
এবার এই টায়ারের কিছু ভালো আর
খারাপ দিক নিয়ে কথা বলি।
প্রথমেই ভালো দিক
এক কথায় অস্থির লেভেলের একটা টায়ার।
সুপার গ্রিপ এবং সুপার স্টাবিলিটি।
আমি ৪০০০ কিলোমিটারের
মত টায়ারটা ইউস করছি এবং
আমি টোটাল্লি স্যাটিসফাইড।
আমার মনে হয়না মার্কেটে এই
বাজেটে এর চেয়ে ভালো রেডিয়াল
টায়ার আছে তাও ১১০ সেকশনের
(আমি ৫১৫০টাকা দিয়ে নিয়েছিলাম)।
পাহাড়ে, সিটি রাইডে, হাইওয়েতে,
টুকটাক ভাঙাচোরা রাস্তায় চালিয়েছি,
একবারও মনে হয়নাই চাকার গ্রিপ ছুটে
যাচ্ছে বা ইমব্যালান্স হয়ে যাচ্ছে।
বিশেষ করে কর্নারিং এ হিউজ একটা
এ্যাডভান্টেজ পাওয়া যায় এই টায়ারের
শেইপের কারনে।
ইভেন এই টায়ারের জন্য মাইলেজ ড্রপ বা
বাইক ভার ভার লাগার মত কোন ইস্যু পাইনি।
এবার খারাপ দিক
সত্যি কথা বলতে এই টায়ারের খারাপ দিক এখনো খুজে পাইনি।
তবে টায়ারটা আমার বাইকের স্টক টায়ার
(ডানলপ স্পোর্টসম্যাক্স) থেকে একটু শক্ত।
যদিও আমি বাইকের বিষয়ে অনেক
বেশি খুতখুতে স্বভাবের,
অন্যরা হয়ত জিনিসটা ফিল করবেনা।
কয়েকদিন পর হয়ত আমি আমার
রেয়ার টায়ারটাও চেঞ্জ করব এবং
সেটা অবশ্যই Apollo Alpha H1,
কারন আমি এই টায়ারের কোয়ালিটিতে
টোটালি স্যাটিসফাইড।
হ্যাপি বাইকিং।

No comments:
Post a Comment