বাইক কিনতে গেলে ব্রান্ড ভ্যালুর প্রসংগটা চলেই আসে।
আর এই ব্রান্ড ভ্যালুর দোহাই দিয়ে বিভিন্ন কোম্পানি মাত্রাতিরিক্ত দাম হাকায়।
আসলে ব্রান্ড ভ্যালু জিনিসটা কি??
এর পেছনে কৃতিত্ব কার?
কোয়ালিটির বিচারে শত বছর ধরে গড়ে ওঠা একটা রিনোউন জাপানিজ ব্রান্ডের ব্রান্ড ভ্যালুর সাথে সেই ব্রান্ডের থার্ড ওয়ার্ল্ড কান্ট্রিগুলোতে লোকালি প্রোডাকশন হওয়া বাইকের মিল কতটুকু?
ভ্যালুর কথা চিন্তা করে বাড়তি টাকায় একটা বাইক কিনে ভ্যালু ফর মানি প্রোডাক্ট পেলাম নাকি লোগো কিনে আনলাম? কম্পিটিশনের বাজারে বিষয়গুলো ইগনোর করার সুযোগ নেই।
সাধারণত,
একটা মোটরবাইক, কতটা মানসম্মত?
কতটা ডিউরেবল? কতটা রিলায়েবল?
এভেইলেবিলিটি কেমন?
ইউজার ফিডব্যাক কতটা ভালো?
মান অনুযায়ী দাম জাস্টিফাইড কিনা?
এইসব বিষয়ের উপর ভিত্তি করে ব্রান্ড ভ্যালু গড়ে উঠে এবং একটা ব্রান্ড ওয়েল নোউন এবং স্টাবলিশড হয় । তবে ব্রান্ড ভ্যালু তৈরিতে কঞ্জিউমার একটা ভাইটাল রোল প্লে করে। তবে ব্রান্ড ভ্যালু একদিনে তৈরি হয়না, বছরের পর বছর ধরে সেরা প্রোডাক্ট এবং সেরা সার্ভিস কোয়ালিটি ধরে রাখার পর অল্প অল্প করে একটা ব্রান্ড বিশ্বস্ততা অর্জন করে। তবে ব্রান্ড ভ্যালু তৈরি হতে যতটা সময় লাগে ভ্যালু নস্ট হতে কিন্ত এত সময় লাগে না৷ তাই প্রতিটা ব্রান্ড ভ্যালু ধরে রাখার জন্য অনেক চেস্টা করে।
ফানফ্যাক্ট ইজ, প্রোডাকশন কোথায় হচ্ছে সেটা রিয়েলি ইম্পর্ট্যান্ট, ইন্ডিয়ার বাজারে ইন্ডিয়ান লোকাল ব্রান্ডের বাইকের ডিউরেবিলিটি জাপানিজ ব্রান্ডের বাইকের চেয়েও বেটার হতে দেখা যায়। আবার ইন্ডিয়ার চেয়ে জাপানিজ ব্রান্ডের ইন্দো এবং থাই ভার্সনগুলো মাচ বেটার।
একটা বাইক সম্পর্কে ফিডব্যাক দেয়ার আগে প্রতিটা কাস্টমার বা ইউজারের উচিত সঠিক ফিডব্যাক দেয়া যাতে আপনার দেয়া ফিডব্যাকের কারনে একটা সঠিক প্রোডাক্ট ভ্যালু পায়। এতে আপনার সাথে সাথে অন্যরাও উপকৃত হবে। তাছাড়া বায়াসড বা পেইড রিভিউ এখন আরেক মহামারির নাম।
মনে রাখা উচিত, যদি আপনি অন্ধের মত সামান্য কিছু সুবিধার বিনিময়ে খারাপ জিনিসটাকেও ভালো বলতে থাকেন তাহলে এই চক্রে খুব শীঘ্রই আপনিও পড়বেন এবং ফে*ই*ক বা পেইড রিভিউ/ফিডব্যাক দেখে কোনো বাইক কিনে রাম ধরা খাবেন আর কপাল চাপড়াবেন। হ্যাপি বাইকিং।
Follow BIKE DOCTOR BD
চলবে...

No comments:
Post a Comment