বন্ধ হতে যাচ্ছে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে মোটরসাইকেল চলাচল

 


"ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বন্ধ হচ্ছে মোটরসাইকেল"

শনিবার (২৭ এপ্রিল) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত মহাসড়কের তিনটি পয়েন্টে চেকপোস্ট বসিয়ে অভিযান পরিচালনা করেন বিআরটিএর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শিফা নুসরাতসহ হাঁসাড়া হাইওয়ে পুলিশের সদস্যরা। এ সময় অভিযানে উপস্থিত ছিলেন বিআরটিএর চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ মজুমদার ও হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. মোস্তাফিজুর রহমান।

বিআরটিএর চেয়ারম্যান বলেন, 

মহাসড়কের দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সড়ক

নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারে শিগগিরই

কঠোর পদক্ষেপে যাচ্ছে বিআরটিএ কর্তৃপক্ষ। 


ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে দুর্ঘটনার সংখ্যা 

বৃদ্ধি পাওয়ায় শিগগিরই সিসিটিভির

মাধ্যমে মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করা

হবে মহাসড়কে।

এছাড়া প্রথম  দিনের  অভিযানে ফুটওভার

ব্রিজ ব্যবহারে যাত্রী ও পথচারীদের অনীহা

ও যানবাহনের ওভার ট্রাকিংসহ অতিরিক্ত

গতিতে চলাচলের চিত্র চোখে পড়েছে। 

ফলে দ্রুত এসব বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে যানবাহন

ও চালকদের বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রয়োগের 

মাধ্যমে সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে স্থায়ীভাবে

কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এতো ফিচার এড করে দাম বাড়ালো মাত্র ১ হাজার রুপি

Launched New 2024 Bajaj Pulsar N250 In India.


Updates:

37mm USD Forks,

110 in front & 140 Section Wider Rear Tyre,

Traction Control,

Switchable ABS,

3 ABS Modes,

Patal Disk,



New Full Digital Instrument Cluster with Blutooth Connectivity, 



New Exciting Colour and Graphics.


But Price Increased Only 1000 Rs.

New Price is 1 lac 51,000 rs/-

It Will Be A Great Deal 🔥🔥🔥


Bangladesh Is Wating For This.

পৌনে দুই লাখ কিলোমিটার চালানোর বাস্তব অভিজ্ঞতা

 Long Term Ownership Feelings... 


কর্নফুলি মোটরসের ইম্পোর্ট করা Yzf R15 বাইক। কোয়ালিটি এতই ভালো যে ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। 
১৩ বছর ধরে চালাচ্ছি বাইকটা, এখনো প্রায় নতুনের মতই পার্ফমেন্স পাচ্ছি। সামনে পিছনে ওভার সাইজ টায়ার লাগানোর পরেও টপ ১৪৪ হিট করে। 
গত ১৩ বছরে বাইকটি চালিয়েছি, 
১ লক্ষ ৭৫ হাজার কিলোমিটার। 
কখনো হতাশ করেনি এই দীর্ঘ যাত্রায়।
দেড় লক্ষ কিলোমিটার চালানোর পর প্রথমবার ইঞ্জিন রিবিল্ট করিয়েছিলাম।



ট্যাংকি খুলে যাওয়া, চেইন ছিড়ে যাওয়া,
রঙ উঠে যাওয়া, ফুয়েল পাম্প নস্ট হওয়া, তেলের মিটারে উলটা পালটা রিডিং দেয়া, ব্রেক মিস করা, চেসিস বেকে যাওয়া, 
রিম ভেংগে যাওয়া, নানান যায়গায় মরিচা পড়া অথবা রাস্তায় বন্ধ হয়ে যাওয়ার মত কোনো বাজে ঘটনা আজ পর্যন্ত কখনো ঘটেনি আমার সাথে। 

কর্নফুলি মোটরস প্রায় ৪০ বছর ধরে বাংলাদেশে ইয়ামাহার অথোরাইজড ডিলার ছিলো, এই ৪০ বছরে উপরে লেখা সমস্যাগুলো কোনো ইয়ামাহা ইউজার ফেস করেছেন বলেও আমার জানা নেই। 

ঘুরে বেড়িয়েছি দেশের আনাচে কানাচে পাহাড়ে সাগরে যখন তখন। একবারের জন্যেও রাস্তায় কোন বিড়ম্বনায় পড়তে হয়নি বাইকের জন্য। তবে ভ্যাজাল তেলের কারনে মাঝে মাঝে সামান্য এক্সিলারেশন প্রবলেম ফেস করেছি যেটা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ঘটনা, তাই টুরে গেলে সাথে অক্টেন বুস্টার রাখি। 


রাস্তা যত দুর্গমই হোক ইঞ্জিনের পাওয়ার এবং এক্সিলারেশনে কোন বিশেষ কমতি আমি ফিল করিনি, বরং যে-কোন টাফ সিচুয়েশন থেকে স্মুথলি বের হয়ে এসেছি এই বাইকের দারুন কন্ট্রোলিং এর কারনে।




আমি মনে করি বছরের পর বছর সেরা কোয়ালিটি এনশিওর করার পরেই ধীরে ধীরে ব্রান্ড ভ্যালু তৈরি হয়। 
বাইকের কোয়ালিটিতে সন্তস্ট হবার কারনেই আমি কর্নফুলি মোটরসের কাছে কৃতজ্ঞ। 
কারন তাদের মাধ্যমেই কোয়ালিফাইড এবং সত্যিকারের প্রিমিয়াম কোয়ালিটির ইয়ামাহা বাইকের স্বাদ নিতে পেরেছিলাম।

বাইকের বিল্ড কোয়ালিটি এবং মেটাল কোয়ালিটি যথেষ্ট ভালো হবার কারনে ঘনঘন সার্ভিস সেন্টারে নেয়ারও প্রয়োজন হয়নি। শুধুমাত্র ব্রেক প্যাড, এয়ার ফিল্টার, অয়েল ফিল্টার, চেইন এবং টায়ারের মত বেসিক কঞ্জুমেবল এবং মেইন্টেনেন্স পার্টস ছাড়া আর উল্লেখযোগ্য কোনো কিছুই প্রয়োজন হয়নি। তাই আমি এই বাইক নিয়ে সুপার কনফিডেন্ট। 

বাইকের প্রতিটা পার্টস খুবই হাই কোয়ালিটি এবং ডিউরেবল। 
কর্নফুলি মোটরসের ইম্পোর্ট করা Yamaha FZ16 2009 মডেল চালিয়েছিলাম এর আগে প্রায় ৫৫ হাজার কিলোমিটার, সেটার কোয়ালিটিও এরকম চমৎকার ছিলো। অরিজিনাল ইয়ামাহা বলতে এরকম কোয়ালিটিই বুঝি। যারা কর্নফুলি মোটরসের ইম্পোর্ট করা ইয়ামাহা বাইক চালিয়েছেন তারা অবশ্যই আমার সাথে কোয়ালিটির ব্যাপারে  একমত হবেন। 

আসলে ভালো কোয়ালিটির একটা প্রোডাক্টই ম্যানুফ্যাকচারার অথবা ডিলারের সাথে ইউজারের বন্ডিং, বিশ্বাস এবং আস্থা তৈরি করে করে দেয়, 
এর বাইরে এক্সট্রা কোনো গিফট, ফ্রি সার্ভিস, ফ্রি টিশার্ট, ডিস্কাউন্ট অফার, অথবা দাওয়াতের প্রয়োজন হয়না। 
Product Quality Really Matters!!

Yamaha R15 version 1  বাইকের লং টার্ম অউনারশিপ ফিলিংস শেয়ার করেছেন-
 iqbal abdullah raaz

দেশে এলো ৩০০ সিসির স্পোর্টস বাইক

 দেশের প্রথম ৩০০ সিসির স্পোর্টস বাইক... 


সিসি লিমিট বাড়ার পর দেশের বাইকারদের মধ্যে উত্তেজনা অনেক বেড়ে যায় আর তার পরিপ্রেক্ষিতে দেশে একের পর ঢুকতে থাকে হাইয়ার সিসি বাইক। সিসি লিমিট ৩৭৫ সিসি পর্যন্ত উন্নীত হবার পর সবার আগে লঞ্চ হয় Pulsar N250, এরপর Hero XMR 210, Suzuki Gixxer 250SF এবং অলরেডি দেশের বাজারে ঢুকে গেছে KPR 200. 

তবে এবার ধামাকা হিসেবে হাজির হলো, 

৩০০ সিসির CFMOTO 300ss. 

চলুন দেখে নেই বাইকটির বেসিক স্পেসিফিকেশন 

ডুয়াল ওভারহেড ক্যামশাফটের সাথে লিকুইড কুলড ফোর ভালভ ২৯২ সিসির ইএফয়াই ইঞ্জিন। 

ইঞ্জিন পার্ফমেন্স দুর্দান্ত হবে এটা বলাই বাহুল্য। সিক্স স্পীড গিয়ারবক্সের সাথে যোগ হয়েছে স্লিপার ক্লাচ। 

ইঞ্জিন টি ২৯ হর্সপাওয়ার উৎপন্ন করতে সক্ষম। 


ইউজ করা হয়েছে ট্রেলিস ফ্রেম যা হাইয়ার সিসি বাইকগুলোতে সর্বাধিক ব্যাবহার করা হয়। এই ট্রেলিস ফ্রেমের কারনে বাইকের হ্যান্ডেলিং খুব শার্প হয় এবং ওজনে হালকা হবার কারনে কুইক এক্সিলারেশনে হেল্প করে। সাসপেনশন হিসেবে থাকছে ৩৭ মিমি ইউএসডি বা আপসাইড ডাউন সাসপেনশন, যা বাইকের কমফোর্ট এবং স্ট্যাবিলিটি অনেক বেশি এনহ্যান্স করবে। 
সেফটি ফিচার হিসেবে ডুয়াল চ্যানেল এবিএস এবং বিগ সাইজ ডিস্ক থাকছে যা দেবে অসাধারণ ব্রেকিং পার্ফমেন্স। 


দুর্দান্ত লুক এবং ডিজাইনের এই CFMoto300ss বাইকটি বাইক প্রেমিদের নজর কাড়বে এটা চোখ বন্ধ করে বলা যায়, তবে দেশের বাইরে এই বাইকের ভাল জনপ্রিয়তা থাকলেও বাংলাদেশের বাজারে এই বাইক কতটা রিলায়েবল হবে এই বিষয়ে প্রশ্ন থেকে যায়, কারন দেশের বাজারে জাপানিজ এবং ইন্ডিয়ান ব্রান্ডের বাইরে যেসব অপ্রচলিত ব্রান্ড রয়েছে সেগুলোর সার্ভিস এবং স্পেয়ার নিয়ে আমরা কনফিডেন্ট না। 

সার্ভিস এবং স্পেয়ারের সাপোর্ট যদি নিশ্চিত করা যায় তাহলে CFMOTO 300SS দেশের বাইক প্রেমিদের কাছে বেশ ভালো একটা অপশন হতে পারে। 

ইইন্টারন্যাশনাল মার্কেটে এই বাইকের দাম ৪ হাজার ৪৯৯ ইউএস ডলার।

ভারতে ২ লাখ রুপির আশেপাশে

বাইকটি সম্পর্কে আপনার আগ্রহ কেমন এবং মতামত কি, কমেন্টে জানাতে পারেন। ফলো করুন আমাদের ফেসবুক পেইজ Bike Doctor BD.

লেখা: ইকবাল আব্দুল্লাহ রাজ 

Admin, BIKE DOCTOR BD