বাইকের কোয়ালিটি ভালো হলে আফটার সেল সার্ভিস নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তিত হবার প্রয়োজন হয়না। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো যে বাইকটা কিনছেন সেই বাইকের স্পেয়ার পার্টস খোলা বাজারে মোস্ট এভেইলেবল কিনা এবং দাম কেমন সেটা জেনে নেয়া।
বাংলাদেশে আফটার সেল সার্ভিস একটা বিরাট স্ক্যামের নাম।
আফটার সেল সার্ভিসের আড়ালে চলে বাইকারদের পকেট কাটা এবং স্পেয়ার পার্টস বানিজ্য। অথচ এর উল্টো হওয়া উচিত ছিলো।
ছোট একটা উদাহরণ দেই। ধরুন, আপনি একটা নতুন বাইক ১০ থেকে ১২ হাজার কিমি চালালেন, স্বাভাবিকভাবেই সামনের চেইন স্পকেটটা ক্ষয়ে যাবে যা রিপ্লেস করতে ২৫০-৩০০ টাকা লাগে। এতে আপনার বাইকের চেইন আরো ১২/১৫ হাজার কিমি চলার জন্য রেডি হয়ে গেলো। অথচ, অফিসিয়াল সার্ভিস সেন্টারে গেলে আপনাকে পুরো চেইন স্প্রকেট সেট পরিবর্তন করার পরামর্শ দেবে এবং ভয়ভীতি দেখিয়ে ইন্সিস্ট করবে, এতে আপনার খরচ হবে ৪ হাজার টাকার আশেপাশে। অথচ এই ফুল চেইন সেট রিপ্লেসমেন্ট একেবারেই অপ্রয়োজনীয় ছিলো।
যে ব্রান্ড আফটার সেল সার্ভিস নিয়ে যতবেশি গলাবাজি করবে বুঝে নিতে হবে সেই ব্রান্ডের বাইকের কোয়ালিটিতে ততবেশি ঝামেলা আছে।
অনেকেই খেয়াল করেন না যে, ফ্রি সার্ভিসের নামে যে সার্ভিসগুলো দেয়া হয় সেটা আসলেই ফ্রি না। বাইকের দামের সাথে সার্ভিসের চার্জ আগেই নিয়ে নেয় বাইক কোম্পানি।
একই সাথে কৌশলে নানান শর্ত এবং ডেড লাইন জুড়ে দেয়। আর এখান থেকেই স্ক্যামের শুরু...
(সচেতন হোন, আপনার বাইকার বন্ধুকে সচেতন করতে পোস্টটা কপি অথবা শেয়ার করতে পারেন)




