লঞ্চিং এর আগেই টেস্ট রাইড?? এটাও সম্ভব?

 


সাধারণত যেটা হয়, একটা বাইক অফিসিয়ালি লঞ্চ হবার আগে বাইকের চেহারা কেমন সেটা দেখার কোনো সুযোগ থাকে না। 

একমাত্র নির্দিষ্ট কিছু টেস্ট ড্রাইভাররা কনফিডেনসিয়ালি বিভিন্ন রোড কন্ডিশনে অথবা ফ্যাক্টরিতে বিভিন্নভাবে বাইকের পার্ফমেন্স এবং ডিউরেবিলিটি টেস্ট করে থাকেন, প্রয়োজনীয় অব্জারভেশন দেন এবং সেগুলো কারেকশন করার পর বাইক অফিসিয়ালি লঞ্চ করা হয়। 


তবে এই প্রথম অফিসিয়ালি ৬০০০ কিলোমিটার এন্ডুরেন্স টেস্ট করার পাশাপাশি রুল ব্রেক করে কমন বাইকাররা বাইকটি টেস্ট করে দেখা এবং অব্জারভেশন শেয়ার করার সুযোগ পেলো। বাইকের কোয়ালিটি নিয়ে কতটা কনফিডেন্ট হলে এতটা দুঃসাহস দেখানো সম্ভব সেটা ভেবে বেশ অবাক হলাম। 

Thanks A Lot To Honourable managing director Abdul Ahmad To Make This Possible. 


তবে অফিসিয়াল রেস্ট্রিকশনের কারনে বাইকটি কার্বন Wrap করা ছিলো যার কারনে বাইকের নাম এবং কালার হিডেন ছিলো। 



যাই হোক, বাইকটি নিয়ে বাইকারদের Excitement দেখেও অবাক হয়েছি। অবশ্য টেস্ট রাইড করার পর এই এক্সাইটমেন্টের কারন আমিও বুঝতে পারলাম। 


স্পোর্টি লুক, ফিচার, ইঞ্জিন রিফাইনমেন্ট, পাওয়ার, এক্সিলারেশন, স্মুথনেস, কম্ফোর্ট, ব্যালেন্স মিলিয়ে দারুন একটা প্যাকেজ। সুন্দর পাওয়ার আউটপুটের কারনে চালিয়ে মনেই হয়নি ১২৫ সিসি বাইক চালাচ্ছি, বরং পাওয়ারের দিক থেকে বাজারের কিছু কিছু ১৫০ সিসি বাইকের Equivalent বলেই মনে হলো। তাছাড়া ১২৫ সিসি সেগমেন্টে এই বাইক অফার করছে ABS, Which is very impressive.





যেহেতু ১২৫ সিসি সেগমেন্টের বাইকের মার্কেট বেশ প্রাইস সেন্সেটিভ তাই প্রাইসিং নিয়ে সবচেয়ে বেশি query ছিলো।

কিছু বড় ব্রান্ডের ক্ষেত্রে দেখেছি প্রোডাক্ট ওভারপ্রাইসড করে রাখতে এবং দাম বেশি মানেই প্রোডাক্ট খুব প্রিমিয়াম এমন একটা মাইন্ডসেট ক্রিয়েট করার চেস্টা করতে। তবে দেশের বাইকাররা এখন অনেক স্মার্ট, দামের বিপরীতে ফিচার & কোয়ালিটি জাস্টিফাই করতে শিখছে আস্তে আস্তে, এটা বেশ ভালো ব্যাপার। 


Hero Bangladesh এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর আশ্বাস দিয়েছেন একটা ভালো কোয়ালিটির fi ABS বাইকের লজিক্যাল দাম যা হওয়া উচিত তার চেয়ে কম দাম রাখার চেস্টা করা হবে যেন এই মন্দার বাজারে বাইকারদের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যেই বাইকটি থাকে। 

আমার বিশ্বাস সব ঠিকঠাক থাকলে ১২৫ সিসি সেগমেন্টে Xtreme 125R বাইকটি হতে যাচ্ছে Game Changer!! 


Spec & Featurewise হিরো বরাবরই তাদের প্রোডাক্ট প্রাইস রিজনেবল রাখার চেস্টা করে এটা ভালো ব্যাপার। আমিও চাই যৌক্তিক দামে দেশের বাইকাররা ভালো ভালো বাইক ব্যাবহার করার সুযোগ পাক। 


Bike Doctor BD

দেশে এলো আড়াইশো সিসির ডুয়াল সিলিন্ডার বাইক

 সিসি লিমিট বাড়ার পর এই প্রথম দেশে এলো ডুয়াল সিলিন্ডারের ২৫০ সিসি বাইক৷ 


চলুন এক নজরে দেখে নেই বাইকটির স্পেক ওভারভিউ 

Hyosung GV250DRA

A Cruiser Category Bike.

Dual Cylinder, 250 cc

Maxpower  20.80 Bhp @ 8500.00 RPM

Max torque 27.00 NM @ 9000.00 RPM


Fuel System Fuel Injection (Fi)

Liquid Cooled Engine, 

6 Gears 


Single Channel ABS

Upside Down

Suspension in front, 

Twin Shock at Rear.

Dual Disk Brake.


Mileage 30 Kmpl

Topspeed 145 Kmph (approx)


Waiting to be Launched in Bangladesh.. 


Follow Bike Doctor BD

রেইনকোট কেনার সিক্রেট টিপস

 


কিছুদিন পরেই বর্ষাকাল। প্রায় প্রতিদিনই বৃস্টি মাথায় নিয়ে কাজে বের হতে হবে কর্মজীবী মানুষদের।

আর কর্মজীবীদের একটা বড় অংশই বাইকার।  

তাই বৃষ্টির দিনে না ভিজে গন্তব্যে পৌছাতে একটা ভালো রেইনকোটের বিকল্প নেই।

তবে মুল সমস্যা হলো ভালো রেইনকোট চিনবো কি করে? পাবো কোথায়??? 


রেইনকোটের মুল এবং একমাত্র কাজ হলো বৃষ্টির পানি থেকে আমাদেরকে প্রোটেকশন দেয়া। কিন্ত এই কাজে যদি রেইনকোট ব্যার্থ হয় তাহলে সেই রেইনকোট মুল্যহীন। 

তাছাড়া লিক হয়ে রেইনকোটের ভিতর পানি ঢুকে গেলে খুবই বিব্রতকর পরিস্থিতির স্বীকার হতে হয়।


বাজারে এভেইলেবল বেশিরভাগ রেইনকোটই শতভাগ পানিরোধী নয়। ওয়াটার লিকেজ এড়াতে আমরা অনেক নামীদামী রেইনকোট টেস্ট করে দেখেছি এবং হতাশ হয়েছি।

টাকার অপচয় হয়েছে অনেক।

উপরের পার্ট মোটামুটি পানিরোধী হলেও প্যান্ট দিয়ে পানি লিক করার প্রবনতা থাকে যার ফলে পুরো রেইনকোটই ব্যাবহারের অযোগ্য হয়ে পড়ে।  

তাই আজকে শেয়ার করবো রেইনকোট কেনার কিছু সিক্রেট টিপস, আর আপনারা জানেন Bike Doctor BD টিপস মানেই পয়সা বাচানো প্র‍্যাকটিক্যাল টিপস। 


☑️ প্রথমেই সর্বনিম্ন ৫০০-৭০০ এবং সর্বোচ্চ ৩৫০০-৪৫০০ এই দুইটা রেঞ্জের রেইনকোট লিস্ট থেকে বাদ দিয়ে দিন। কারন ৫০০ টাকার রেইনকোট অত্যন্ত নিম্মমানের এবং ৩৫০০ টাকার উপরের রেইনকোট দিয়েও পানি লিক করার প্রচুর কম্পলেইন আমরা পেয়েছি তাই কার্যত দুই রেঞ্জের রেইনকোটের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আমাদের দেশে এভেইলেবল নামী ব্রান্ডের দামী রেইনকোট গুলোর প্রায় সবই রেপ্লিকা অথবা মাস্টার কপি, সুতরাং সাবধান। 


☑️ রেইনকোটের জন্য বাজেট রাখবেন সর্বনিম্ন ১০০০-১২০০ এবং সর্বোচ্চ ২০০০-২২০০ টাকা। এই রেঞ্জের রেইনকোটগুলোর ম্যাটেরিয়াল তুলনামূলক ভালো পেয়েছি এবং রেইনকোট উলটে দেখে নেবেন সেলাই দেয়া যায়গাগুলোতে প্লাস্টিক দিয়ে সীল করা আছে কিনা? 


☑️ রেইনকোটের জিপার দিয়েই পানি লিক করার সম্ভাবনা থাকে সবচেয়ে বেশি তাই জিপারের ভেতরের দিকে ওয়াটার সীল এবং বাইরের অংশে এক্সট্রা প্রোটেক্টিভ লেয়ার দেয়া আছে কিনা চেক করবেন। বাজারে ইদানীং সেলাই ছাড়া প্লাস্টিক ওয়েল্ডিং করা কিছু রেইনকোট পাওয়া যায় সেগুলো দেখতে পারেন। 


☑️ প্যান্টের ক্ষেত্রে প্রতিটা সেলাইয়ের নিচে থাকা ওয়াটার সীল চেক করবেন। এত বেশি চেক করলে দোকানদার ভুরু কুচকে বিরক্ত হতে পারে কিন্ত এই চেকটা আপনার স্বার্থেই আপনাকে করে নিতে হবে৷ কেননা রেইনকোট লিক হলে রাস্তায় আপনাকেই ভিজতে হবে, তখন কিন্ত দোকানী এসে আপনার মাথায় ছাতা ধরবে না।


☑️ চেস্টা করবেন আপনি যে এলাকায় থাকেন তার নিকটবর্তী দোকান থেকে রেইনকোট কেনার, এতে করে রেইনকোটে কোনো সমস্যা হলে বাসায় আসা যাবার পথেই চেঞ্জ বা ওয়ারেন্টি ক্লেইম করতে সুবিধা হবে। যদি একেবারেই না পান তাহলে বংশাল অথবা মিরপুরের বড় কোনো শপ থেকে রেইনকোট কেনার চেস্টা করবেন এতে করেও ওয়ারেন্টি পেতে সুবিধা হবে। কারন বড় দোকান কখনোই তার সুনাম নস্ট হতে দিতে চাইবে না।  


☑️ ওয়ারেন্টির বিস্তারিত খুব ভালো করে শুনে নেবেন,

কি কি শর্তে তারা রেইনকোট পালটে দেবে সেটা খুব মনোযোগ দিয়ে বুঝে নেবেন। 

প্রয়োজনে তারিখ সহ কার্ড বা লিখিত নেবেন। রেইনকোটে পানি ঢুকে কিনা সেটা চেক করার জন্য রেইনকোট গায়ে দিয়ে বাইক ওয়াশের দোকানে গিয়ে সফট প্রেশারে ওয়াটার স্প্রে করে দেখতে পারেন পানি ঢুকে কিনা। 


☑️ যত দামি রেইনকোটই হোক, সাধারণত একটা রেইনকোট মোটামুটি ১ থেকে ২ বছর ঠিকঠাক সার্ভিস দিতে সক্ষম এরপর কার্যক্ষমতা হারাতে থাকে, তাই বেশি দামি রেইনকোট না কিনে ১ থেকে ২ বছর পর পর নতুন রেইনকোট কেনাই বুদ্ধিমানের কাজ। তাছাড়া ১ থেকে ২ হাজার টাকা রেঞ্জের রেইনকোট নিলে আপনার পকেটের উপরেও চাপ কম পড়বে। একটা দামি রেইনকোটের দাম দিয়ে মিডরেঞ্জের ২-৩ টা রেইনকোট কিনতে পারছেন যা দিয়ে ৪-৫ টা বর্ষাকাল অনায়াসে পার করতে পারবেন। 


☑️ সস্তায় ভালো রেইনকোট কিনতে চাইলে মিরপুরের কচুক্ষেতে আর্মিস্টোরের আশে পাশে খোজ করতে পারেন। 


রেইনকোট নিয়ে আপনার অভিজ্ঞতা কমেন্টে লিখে জানাতে পারেন। পোস্টটি উপকারী মনে হলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে পারেন।

হ্যাপি বাইকিং।


লেখাঃ ইকবাল আব্দুল্লাহ রাজ

এডমিন, Bike Doctor BD