একটা সময় Bajaj Pulsar 220F ছিলো তরুন সমাজের ড্রিম বাইক।
অনেক বছর ধরে ডিজাইন এবং ফিচার এবং রিজনেবল প্রাইসের কারনে ভারতের বাজারে জনপ্রিয়তার তুংগে থেকে রাজত্ব করার পর ডিসকন্টিনিউড হলো Pulsar 220F
রিপ্লেসমেন্ট হিসেবে প্রচুর আপগ্রেডেশন নিয়ে লঞ্চ হলো
ALL New Pulsar F250.
এককথায় পুরো বাইকটাই নতুনভাবে ডিজাইন করেছে বাজাজ।
যুক্ত হয়েছে ২৪৯.৭ সিসির একটি পাওয়ারফুল Fi ইঞ্জিন, যা ২৪.৫ বিএইচপি পাওয়ার প্রোডিউস করে এবং ২১.৫ নিউটন মিটার টর্ক উৎপন্ন করতে সক্ষম।
সুপার পাওয়ারফুল class d LED projected হেডলাইটের সাথে এরো ডায়ানামিক ফুল ফেয়ারিং বাইকটির ডিজাইনে নতুন ডায়ামেনশন যোগ করেছে। বাইকের বিল্ড কোয়ালিটিও অসাধারণ।
চমৎকার সীটকুশনিং, মনোশক সাসপেনশন এবং সীটিং পজিশন মিলিয়ে বাইকটি খুবই কম্ফোর্টেবল। রয়েছে ৩০০ মিমি বিগার ফ্রন্ট ডিস্ক এবং ডুয়াল চ্যানেল এবিএস।
২৫০ সিসি হলেও লাইট ওয়েট ম্যাটারিয়াল ইউজ করার কারনে বাইকটির ওজন মাত্র ১৬৪ কেজি যার ফলে যেকোনো রাইডার খুব সহজে এই বাইকটিকে কন্ট্রোল করতে পারবে।
বাইকের মোস্ট আইকনিক পার্ট হলো এর ডিজিটাল ইন্সট্রুমেন্ট ক্লাস্টার যা ভীষণ ইনফরমেটিভ। গিয়ার ইন্টিকেটর, মাল্টিপল ট্রিপ মিটার, ফুয়েল ইন্ডিকেটর, ঘড়ি, স্পীডোমিটার, ট্যাকোমিটার, এবিএস ইন্ডিকেটর, সাইড স্ট্যান্ড ইন্ডিকেটর তো আছেই, এছাড়াও আছে এভারেজ মাইলেজ এবং ডিস্টেন্স টু এম্পটি ফুয়েল এসিস্ট্যান্ট।
ভারতীয় রুপিতে এই বাইকের দাম মাত্র ১ লক্ষ ৫০ হাজার রুপি।
সম্প্রতি বাংলাদেশের বাজারেও লঞ্চ হয়েছে এর ন্যাকেড ভার্সন N250 এবং মাত্র ৩ লক্ষ ৪০ হাজার টাকায় এই বাইকটি লঞ্চ হওয়ায় দেশের বাইকাররা এই বাইক নিয়ে প্রচুর এক্সাইটেড।
অলরেডি বছরের শুরুতেই বেশ ভালো একটা রেস্পন্স পেয়েছে N250.
আশা করা যাচ্ছে খুব শীঘ্রই দেশের বাজারে F250 লঞ্চ হবে।
কে কে F250 র জন্য অপেক্ষায় আছেন কমেন্টে জানাতে পারেন।







No comments:
Post a Comment