টায়ার কেনার আগে যা অবশ্যই চেক করতে হবে

আমরা যারা মোটরসাইকেল ব্যাবহার করি তাদের মোটরসাইকেলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ কোনটা বলতে পারবেন? চিন্তায় পড়ে গেছেন? আচ্ছা বলে দিচ্ছি, 

মোটরসাইকেলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হচ্ছে এর চাকা বা টায়ার ।  কেননা এই টায়ারের উপর ভর করেই বাইক এবং বাইকের উপর ভর করে আমরা চলাফেরা করি অথচ টায়ার নিয়ে আমাদের মধ্যে রয়েছে অনেক উদাসীনতা। 



টায়ার কিনতে গেলে কোন ধরনের টায়ার কেনা উচিত, কোন টায়ার ভালো হবে এসব বিষয়েও আমরা তেমন কনসার্ন না।

টায়ার কিনতে গেলে যে টায়ারের সাইজ, ধরন, ব্রান্ড এবং কোয়ালিটি দেখার পাশাপাশি যেই জিনিসটা অবশ্যই দেখতে হবে তা হলো টায়ারের তৈরির সাল বা ম্যানুফ্যাকচারিং ডেট। 

বাইকের টায়ারের ক্ষেত্রে তৈরির পর থেকে সর্বোচ্চ ৬ বছর পর্যন্ত টায়ারের গুনগত মান ঠিকঠাক থাকে। তবে পরিবহন ত্রুটি, স্টোরেজ কোয়ালিটি  অথবা আবহাওয়ার কারনেও দ্রুত টায়ার তার কার্যক্ষমতা হারাতে পারে৷ 

তাই সবসময় টায়ার কেনার সময় লক্ষ্য রাখতে হবে বিক্রেতা যেন বেশি পুরানো টায়ার আপনাকে ধরিয়ে দিতে না পারে৷ 

প্রতিটি টায়ারের গায়ে উৎপাদন তারিখ খোদাই করে লেখা থাকে। যেমন 4023 লেখা থাকলে বুঝতে হবে টায়ারটি ২০২৩ সালের ৪০ তম সপ্তাহে প্রস্তত করা হয়েছে। 

টায়ার যত বেশি সময় অব্যাবহৃত থাকবে ততই এর কম্পাউন্ড তার টেম্পার হারাতে থাকবে। আর বেশি পুরানো টায়ার থেকে কখনোই আপনি সঠিক গ্রিপ, সঠিক ব্রেকিং পার্ফমেন্স, এবং ভালো লংজিভিটি পাবেন না৷ 


তাই অবশ্যই চেস্টা করবেন একদম রিসেন্ট ম্যানুফ্যাকচার হওয়া টায়ার কিনার জন্য।

সর্বোচ্চ ৬ মাসের পুরানো টায়ার নিতে পারেন,  তার বেশি নয় 


পোস্ট টি ভালো লাগলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন।

কোনো পরামর্শ বা জিজ্ঞাসা থাকলে কমেন্টে লিখে জানাতে পারেন। ধন্যবাদ।

কি কারনে বসে যাচ্ছে নতুন বাইকের ব্যাটারি?

একটা ভালো ব্যাটারি কমপক্ষে ২ থেকে ৩ বছর চলার কথা, কিন্ত নতুন বাইক কিনতে না কিনতেই যদি ব্যাটারি সমস্যা দেখা দেয় সেটা অবশ্যই চিন্তার বিষয়। 



ব্যাটারি নস্ট হবার পেছনে অনেক রকম কারনই থাকে, তবে যাদের বাইকে Y connect নামের ব্লুটুথ ডিভাইস আছে তারা ব্যাটারির সমস্যাটা অনেক বেশি ফেস করে থাকেন। 

শুরুতে কিছুদিন ঠিকঠাক থাকলেও ফ্রিকোয়েন্টলি 
Y-connect ডিভাইসে ফল্ট আসে এবং এজন্যই ব্যাটারি 
ড্রেইনিং শুরু হয়। 
এই সমস্যা নিয়ে আমাদের ফেসবুক পেইজে প্রচুর ম্যাসেজ এসেছে। প্রাথমিক ভাবে Y-connect ডিভাইসের কানেকশন 
খুলে রাখার পরামর্শ দিয়েছিলাম আমরা। 
ফিডব্যাক হিসেবে কানেকশন খুলে রাখার পর ব্যাটারি ড্রেইনের প্রবলেম সমাধান হয়েছে বলে আমরা জানতে পেরেছি। 

তাছাড়া বিভিন্ন ব্রান্ডের বাইকের সাথে যেই স্টক ব্যাটারি দেয়া থাকে সেটাও অনেক সময় নিম্নমানের হয় অথবা অনেকদিন পড়ে থেকে ড্যামেজ হয়ে গেছে। 
নিম্নমানের RR ইউনিট এবং আর্মেচার কয়েলের কারনেও ব্যাটারি সমস্যায় ভুগতে হয়। 

বাইকের ব্যাটারি নিয়ে নানান প্রশ্ন, উত্তর, অভিজ্ঞতা এবং 
পরামর্শ নিয়ে বিস্তারিত ভিডিও আসছে। ফেসবুকে আমাদের ফলো করতে পারেন

রেট্রো লুকের সাথে মাথানস্ট ফিচার দিলো TVS Ronin

ক্লাসিক বা রেট্রো লুকের বাইকের প্রতি অনেকেরই ব্যাপক ক্রেজ রয়েছে।



তাই বিভিন্ন ব্রান্ড তাদের লাইন আপে যুক্ত করছে রেট্রো লুকের বাইক।
পিছিয়ে নেই জনপ্রিয় ব্রান্ড TVS.

ক্লাসিক লাভারদের জন্য TVS এবার নিয়ে এলো neo-retro ডিজাইনের TVS Ronin.



তবে লুকের দিক থেকে ক্লাসিক ভাইবটা ধরে রাখলেও আধুনিক ফিচার কোনোটাই বাদ যায়নি এই বাইক থেকে।


✅ ডিজিটাল ইন্সট্রুমেন্ট কন্সোল, 

✅ অল এলইডি লাইট, 

✅ ৪১ মিমি USD ফ্রন্ট সাসপেনশন, 

✅ এলয় রিম, 

✅ সেভেন স্টেপ এডজাস্টেবল

✅ মনোশক রিয়ার সাসপেনশন,

✅ টিউবলেস টায়ার, 

✅ USB চার্জিং পোর্ট, 

✅ রাইডিং মোড, 

✅ ৩০০ মিমি বিগার ফ্রন্ট ডিস্ক,

✅ Smart X Connect, 

✅ Voice এবং Ride Assist, 

✅ DRL

✅ ABS Braking Setup সহ

লেটেস্ট সব ফিচার।



হার্ট হিসেবে দেয়া হছে একটি পাওয়ারফুল fi ইঞ্জিন যার Displacement 225.9 cc, 

Max Power 20.1 bhp @ 7750 rpm

Max Torque 19.93 nm.


কুলিং সিস্টেম হিসেবে এড করা হয়েছে অয়েল কুলিং সিস্টেম। রাইডিং মোড হিসেবে আছে URBAN & RAIN.

অন এভারেজ TVS Ronin থেকে মাইলেজ পাওয়া যাবে 42 কিলোমিটার পার লিটার।


Nimbus Gray,

Lightning Black,

Magma Red সহ মোট ৭ টা এক্সাইটিং কালার কম্বিনেশনে

পাওয়া যাবে TVS Ronin.










ভ্যারিয়েন্ট ভেদে ভারতের বাজারে এই বাইকটি লঞ্চ হয়েছে ১ লক্ষ ৭৬ হাজার থেকে শুরু করে ২ লাখ ২ হাজার রুপি প্রাইস রেঞ্জে। 


আশা করা যাচ্ছে বাংলাদেশের বাজারেও এই বাইকটি আসবে। লুক এবং স্পক অনুযায়ী আপনার কাছে কেমন লাগলো TVS Ronin কমেন্টে জানাবেন।


ফলো করুন আমাদের ফেসবুক পেজ BIKE DOCTOR BD