Hero Honda Hunk বাইকের ইউজার ম্যানুয়াল

বাইকের মেইন্টেনেন্স নিয়ে অনেকের থাকে অনেক প্রশ্ন, অনেক জিজ্ঞাসা।

ফেসবুক গ্রুপে হেল্প সিকিং পোস্টে জেনে না জেনে অনেকেই দেন পরামর্শ। 

কোনটা সঠিক পরামর্শ আর কোনটা ভুল সেটা নিয়েও রয়ে যায় কনফিউশান। 

তাই সঠিক মেইন্টেনেন্স এবং রিকমেন্ডেশন খুজে পাবার সবচেয়ে সহজ এবং নির্ভরযোগ্য উপায় হলো অউনারস ম্যানুয়াল, কিন্ত কোথায় পাবেন এই অউনারস ম্যানুয়াল? 


মোটরসাইকেল ইউজারদের মধ্যে মোটরসাইকেল চালানোর দক্ষতা থাকলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই নিজের মোটরসাইকেলের মেইন্টেনেন্স নলেজ অথবা ছোটখাটো বেসিক নলেজ থাকেনা।


কি ভাবে মেইনটেইন করলে বাইক ভালো থাকবে? 

কোন গ্রেডের ইঞ্জিন অয়েল ঢালবো?

পেট্রোল ইউজ করবো নাকি অকটেন?

প্লাগ কতদিন পর পর চেঞ্জ করতে হয়?

ইঞ্জিন অয়েল কি পরিমাণ ঢালতে হবে ইত্যাদি ইত্যাদি। 


এই জিজ্ঞাসা গুলো নিয়ে আমরা অনেক সময়ই ফেসবুক গ্রুপগুলোতে পোস্ট দেই। কিন্ত ফেসবুকে পোস্ট দেয়ার সুবিধার পাশাপাশি কিছু অসুবিধাও আছে। 

যেমন ধরুন গ্রুপে যদি ১০০ জন আপনাকে সাজেশন দেয় তাহলে আপনি ১০০ ধরনের সাজেশন পাচ্ছেন, এতে আপনার কনফিউশান বাড়বে। কোন সাজেশন টা সঠিক সেটা খুজে পাবেন না। পাজলড হয়ে যাবেন। 

তাছাড়া যারা সাজেশন দিচ্ছে তাদের ও সেই বিষয়ে প্রপার নলেজ আছে কিনা সেটাও কিন্ত বড় একটা প্রশ্ন। 


অথচ আপনার সম্ভাব্য সকল জিজ্ঞাসার উত্তর এবং গাইডলাইন কিন্ত আপনার হাতেই রয়েছে। 

অবাক হচ্ছেন? জি ঠিকই বলছি। 

আপনার মোটরবাইক সম্পর্কিত যাবতীয় প্রয়োজনীয় তথ্য, মেইন্টেনেন্স গাইডলাইন, পার্টস ইনফরমেশন, ইঞ্জিন অয়েল রিকমেন্ডেশন, পার্টস রিপ্লেসমেন্ট, ইঞ্জিন অয়েল লেভেল, পিরিয়ডিক চেক আপ সহ সব ধরনের প্রপার গাইড লাইন দেয়া আছে আপনার বাইকের  ইউজার ম্যানুয়াল বইতে। যেটা পড়লে বাইক এবং বাইকের মেইন্টেনেন্স বিষয়ে আপনি নিজেই হয়ে যেতে পারেন মাস্টার... 

কিন্ত কোথায় পাবেন ইউজার ম্যানুয়াল? 

সাধারণত প্রতিটি নতুন বাইকের সাথেই ইউজার ম্যানুয়াল শোরুম থেকে দিয়ে দেয়া হয়। যদি না পেয়ে থাকেন তাহলে চেয়ে নিন। আর যদি হারিয়ে গিয়ে থাকে তাহলে অনলাইন থেকে ইউজার ম্যানুয়ালের e কপি ডাউনলোড করে নিতে পারেন। ধন্যবাদ। 

Hero Honda Hunk বাইকের ইউজার ম্যানুয়াল ডাউনলোড করুন 👇

Hero Honda Hunk Owner's Manual

Apache RTR 4v বাইকের ইউজার ম্যানুয়াল

বাইকের মেইন্টেনেন্স নিয়ে অনেকের থাকে অনেক প্রশ্ন, অনেক জিজ্ঞাসা। 

ফেসবুক গ্রুপে হেল্প সিকিং পোস্টে জেনে অথবা না জেনে অনেকেই দেন পরামর্শ। 

কোন পরামর্শটা সঠিক আর কোনটা ভুল সেটা নিয়েও রয়ে যায় কনফিউশান।



তাছাড়া মোটরসাইকেল ইউজারদের মধ্যে মোটরসাইকেল চালানোর দক্ষতা থাকলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই নিজের মোটরসাইকেলের মেইন্টেনেন্স নলেজ অথবা ছোটখাটো বেসিক নলেজ থাকেনা।


কি ভাবে মেইনটেইন করলে বাইক ভালো থাকবে? 

কোন গ্রেডের ইঞ্জিন অয়েল ঢালবো?

পেট্রোল ইউজ করবো নাকি অকটেন?

প্লাগ কতদিন পর পর চেঞ্জ করতে হয়?

ইঞ্জিন অয়েল কি পরিমাণ ঢালতে হবে ইত্যাদি ইত্যাদি। 


এই জিজ্ঞাসা গুলো নিয়ে আমরা অনেক সময়ই ফেসবুক গ্রুপগুলোতে পোস্ট দেই। কিন্ত ফেসবুকে পোস্ট দেয়ার সুবিধার পাশাপাশি কিছু অসুবিধাও আছে। 


যেমন ধরুন গ্রুপে যদি ১০০ জন আপনাকে সাজেশন দেয় তাহলে আপনি ১০০ ধরনের সাজেশন পাচ্ছেন, এতে আপনার কনফিউশান বাড়বে। কোন সাজেশন টা সঠিক সেটা খুজে পাবেন না। পাজলড হয়ে যাবেন। 

তাছাড়া যারা সাজেশন দিচ্ছে তাদের ও সেই বিষয়ে প্রপার নলেজ আছে কিনা সেটাও কিন্ত বড় একটা প্রশ্ন। 


অথচ আপনার সম্ভাব্য সকল জিজ্ঞাসার উত্তর এবং গাইডলাইন কিন্ত আপনার হাতেই রয়েছে। 

অবাক হচ্ছেন? জি ঠিকই বলছি। 

আপনার মোটরবাইক সম্পর্কিত যাবতীয় প্রয়োজনীয় তথ্য, মেইন্টেনেন্স গাইডলাইন, পার্টস ইনফরমেশন, ইঞ্জিন অয়েল রিকমেন্ডেশন, পার্টস রিপ্লেসমেন্ট, ইঞ্জিন অয়েল লেভেল, পিরিয়ডিক চেক আপ সহ সব ধরনের প্রপার গাইড লাইন দেয়া আছে আপনার বাইকের  ইউজার ম্যানুয়াল বইতে। যেটা পড়লে বাইক এবং বাইকের মেইন্টেনেন্স বিষয়ে আপনি নিজেই হয়ে যেতে পারেন মাস্টার... 

কিন্ত কোথায় পাবেন ইউজার ম্যানুয়াল? 

সাধারণত প্রতিটি নতুন বাইকের সাথেই ইউজার ম্যানুয়াল শোরুম থেকে দিয়ে দেয়া হয়। যদি না পেয়ে থাকেন তাহলে চেয়ে নিন। আর যদি হারিয়ে গিয়ে থাকে তাহলে অনলাইন থেকে ইউজার ম্যানুয়ালের e কপি ডাউনলোড করে নিতে পারেন। ধন্যবাদ। 

Apache RTR 4v বাইকের User Manual  ডাউনলোড করুন এখান থেকে -  APACHE RTR 160 4V USER Manual.


লেখা: ইকবাল আব্দুল্লাহ রাজ 

এডমিন# Bike Doctor BD



স্টান্ট রাইডারদের জন্য ৩১২ সিসি বাইক

৩১২ সিসির নতুন স্টান্ট বাইক


মোটরসাইকেল ইন্ডাস্ট্রি ক্রমেই বড় হচ্ছে,

মোটরসাইক্লিং এখন যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন পারপাসে।

যেমন ভ্রমনপিপাসুরা বেছে নিচ্ছেন মোটোট্রাভেলিং,

অফিস গামীরা বেছে নিচ্ছেন কমিউটিং বাইক, আবার যারা শহরের পাশাপাশি মাঝে মাঝে অফরোডিং করতে ভালোবাসেন তারা ঝুকছেন ডুয়াল পারপাস বা এডভেঞ্চার টুরার টাইপের বাইকের দিকে। ব্রান্ডগুলো ও তাই বিভিন্ন পারপাস সার্ভ করার জন্য বিভিন্ন ক্যাটাগরি ও ডিজাইনের মোটরসাইকেল নিয়ে আসছে বাজারে।


যাদের কম্ফোর্ট এবং টুকটাক মালামাল ক্যারি করার স্পেস দরকার তাদের জন্য আছে স্কুটি বা ম্যাক্সিস্কুটার। 

কিন্ত একটা বড় বাইকার পোর্শন রয়ে গেছে যারা বাইক স্টান্টকে নিয়েছেন প্রোফেশন হিসেবে। 



কিন্ত দুঃখজনক হলেও সত্য, স্টান্ট রাইডারদের কথা ভেবে কোনো বাইকের ব্রান্ড নির্দিষ্টভাবে কোনো বাইক ডিজাইন করে না। 


সাধারণত স্টান্ট রাইডাররা পাওয়ারফুল ইঞ্জিনের কোনো একটা বাইক কিনে তাদের প্রয়োজনমত বিভিন্ন ইকুইপমেন্ট ইন্সটল করে নেয়। 

বডিপার্টের শেপ চেঞ্জ করে মোডিফিকেশন করে নেয় যা অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং সময়সাপেক্ষ, একই সাথে কিছুটা ঝুকিপুর্ন৷ কারন স্টান্ট মোডিফিকেশনগুলো খুব বেশি সেন্সেটিভ হয়ে থাকে এবং মেজারমেন্ট একুরেট হওয়া খুব বেশি জরুরি। 



এবার স্টান্ট লাভারসদের জন্য এলো 310 সিসির স্টান্ট এডিশন। মুলত এটি RTR 310 বাইকটির স্টান্ট ভার্সন। বাইকের বডি, ট্যাংক, মাডগার্ড, হেডলাইট, ব্যাকপ্যানেল, টায়ার, ব্রেক সেটাপ সহ বিভিন্ন জায়গায় আনা হয়েছে স্টান্ট ফ্রেন্ডলি চেঞ্জেস। 

যদিও এটা একটা থার্ড পার্টি মোডিফিকেশন, তবে কাজটা বেশ সুন্দর এবং নিখুঁত হয়েছে যা প্রশংসার দাবীদার।



এই বাইকের 312cc লিকুইড কুল্ড ইঞ্জিন 35.6 ps পাওয়ার এবং 28.7 nm. টর্ক ডেলিভারি করতে পারবে। বাইকে কুইক শিফটার এবং ডুয়াল চ্যানেল এবিএস থাকবে তবে এবিএস হবে সুইচেবল। রাইডার ইচ্ছেমত এবিএস অন অফ করতে পারবে। 



দেশে সিসি লিমিট যেহেতু বেড়েছে সেই সাথে স্টান্ট রাইডিং বর্তমান সময়ে বাংলাদেশে একটি স্টাবলিশড স্পোর্টস এবং প্রোফেশন। তাই TVS 310 Stunt Edition আমরা বাংলাদেশের বাজারে আশা করতেই পারি। 


ফলো করুন আমাদের ফেসবুক পেইজ BIKE DOCTOR BD