Suzuki GSX-R 150 ইউজার ম্যানুয়াল

মোটরসাইকেল ইউজারদের মধ্যে মোটরসাইকেল চালানোর দক্ষতা থাকলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই নিজের মোটরসাইকেলের মেইন্টেনেন্স নলেজ অথবা ছোটখাটো বেসিক নলেজ থাকেনা।

তাই মাথার মধ্যে ঘুরতে থাকে অনেক রকম প্রশ্ন, নানা রকম জিজ্ঞাসা।


কি ভাবে মেইনটেইন করলে বাইক ভালো থাকবে? 

কোন গ্রেডের ইঞ্জিন অয়েল ঢালবো?

পেট্রোল ইউজ করবো নাকি অকটেন?

প্লাগ কতদিন পর পর চেঞ্জ করতে হয়?

ইঞ্জিন অয়েল কি পরিমাণ ঢালতে হবে ইত্যাদি ইত্যাদি। 


এই জিজ্ঞাসা গুলো নিয়ে আমরা অনেক সময়ই ফেসবুক গ্রুপগুলোতে পোস্ট দেই। কিন্ত ফেসবুকে পোস্ট দেয়ার সুবিধার পাশাপাশি কিছু অসুবিধাও আছে। 


যেমন ধরুন গ্রুপে যদি ১০০ জন আপনাকে সাজেশন দেয় তাহলে আপনি ১০০ ধরনের সাজেশন পাচ্ছেন, এতে আপনার কনফিউশান বাড়বে। কোন সাজেশন টা সঠিক সেটা খুজে পাবেন না। পাজলড হয়ে যাবেন। তাছাড়া যারা সাজেশন দিচ্ছে তাদের ও সেই বিষয়ে প্রপার নলেজ আছে কিনা সেটাও কিন্ত বড় একটা প্রশ্ন। 


অথচ আপনার সম্ভাব্য সকল জিজ্ঞাসার উত্তর এবং গাইডলাইন কিন্ত আপনার হাতেই রয়েছে। 

অবাক হচ্ছেন? জি ঠিকই বলছি। 

আপনার মোটরবাইক সম্পর্কিত যাবতীয় প্রয়োজনীয় তথ্য, মেইন্টেনেন্স গাইডলাইন, পার্টস ইনফরমেশন, ইঞ্জিন অয়েল রিকমেন্ডেশন, পার্টস রিপ্লেসমেন্ট, ইঞ্জিন অয়েল লেভেল, পিরিয়ডিক চেক আপ সহ সব ধরনের প্রপার গাইড লাইন দেয়া আছে আপনার বাইকের সাথে প্রোভাইড করা ইউজার ম্যানুয়াল বইতে।

Suzuki GSX-R 150 User Manual  ডাউনলোড করুন 

এই লিংক থেকে - Suzuki GSX-R 150 User Manual

জুলাই মাসেই দেশের রাস্তা কাপাবে Royal Enfield

জুলাই মাসের মধ্যে দেশের বাজারে স্থানীয়ভাবে তৈরি

রয়্যাল এনফিল্ড মোটরসাইকেল লঞ্চ করবে বলে 

জানিয়েছে Royal Enfield এর বাংলাদেশের পরিবেশক

ইফাদ মোটরস।

ইফাদ গ্রুপের ডিরেক্টর তাসকিন আহমেদ জানিয়েছেন, ক্লাসিক, বুলেট, হান্টার এবং মিটিওর- এই ৪ টি মডেলই স্থানীয়ভাবে তৈরি করা হবে। 
তিনি আরো বলেন,
"আমরা দাম যতটা সম্ভব কম রাখার চেষ্টা করব তবে বাজারমুল্য ডলারের দামের উপর নির্ভর করবে,"

আশা করা হচ্ছে, ডলারের দাম ১২৫ টাকার মধ্যে থাকলে চারটি মডেলের সম্ভাব্য দাম ৫ থেকে ৬ লাখ টাকার মধ্যে হতে পারে।

ইফাদ মোটরসের ম্যানুফ্যাকচারিং প্লান্টে বছরে তৈরি হবে মোট ৪০ হাজার রয়েল এনফিল্ড মোটরসাইকেল। 

রয়্যাল এনফিল্ড, একটি বহু পুরানো এবং জনপ্রিয় টু-হুইলার ব্র্যান্ড। এর প্রতি দেশের বাইকারদের রয়েছে অন্যরকম আকর্ষণ। 

সরকার গত বছরের শেষের দিকে ১৬৫সিসির বেশি ইঞ্জিন ক্ষমতা সম্পন্ন স্থানীয়ভাবে তৈরি মোটরসাইকেল বিক্রি করার অনুমতি দিয়েছে, তবে সর্বোচ্চ লিমিট নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৭৫ সিসি পর্যন্ত। 

বাজাজ ইতিমধ্যে বাজারে তাদের ২৫০ সিসির Pulsar N250 লঞ্চ করেছে এবং বিক্রিও শুরু করেছে। বাইকটির মুল্য মাত্র ৩ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা রাখা হয়েছে, যেটা বেশ যুক্তিসঙ্গত এবং সহনীয় দাম বলেই সবাই মনে করছে। খুশি বাইক প্রেমিরাও। বাইকগুলো রেজিষ্ট্রেশন পেয়ে
রাস্তায় চলাচল করছে। 
অন্যান্য আরো কিছু ব্রান্ডের হাইয়ার সিসি আছে পাইপ লাইনে।

Royal Enfield এর জন্য অপেক্ষায় থাকা
বন্ধুদের সাথে নিউজটি শেয়ার করুন।

A Journey With Alpollo Alpha H1

Apollo Alpha H1 নিয়ে

অভিজ্ঞতা জানাচ্ছেন 

বাইকার ----জুলকার নাইম



স্টক টায়ারে ২৩ হাজার কিলোমিটার চালানোর পর 
ফ্রন্ট টায়ার টা আর সাপোর্ট দিচ্ছিলো না।
ভাবলাম চেঞ্জ করে নেই। 
কিন্তু সমস্যা হল,কি টায়ার নিবো এইটা নিয়ে 
হিউজ কনফিউজড ছিলাম। 
বিশেষ করে  ১১০/৭০ সেকশনের ফ্রন্ট 
রেডিয়াল টায়ার পাওয়াটা একটু ডিফিকাল্ট ছিল।
যেগুলো পাই সেগুলো হয় বায়াসড টায়ার,
অথবা বাজেটের বাইরে।

হঠাৎ করেই দেখলাম অ্যাপোলোর একটা 
রেডিয়াল টায়ার আছে যেটা পারফেক্টলি 
আমার বাইকের সাইজে আসে।
খোজ খবর নিলাম, ইভেন গ্রুপেও পোস্ট করি 
ডিটেইলস জানার জন্য।
বাট তখন এই টায়ারের এত ইউসার না থাকায় 
অইভাবে রেসপন্স পাইনি।
ইউটিউবে একটু ঘাটাঘাটি করে যেটা দেখলাম,
পাশের দেশে এই টায়ারটা বেশ জনপ্রিয়,
বিশেষ করে কে,টি,এম ডিউক/আর,সি সিরিজে।
ইউসার ফিডব্যাকও বেশ ভালো।
ফাইনাল ডিসিশন নিয়ে নিলাম,
Apollo Alpha H1 ই সই।

এবার এই টায়ারের কিছু ভালো আর

খারাপ দিক নিয়ে কথা বলি।


প্রথমেই ভালো দিক

এক কথায় অস্থির লেভেলের একটা টায়ার।

সুপার গ্রিপ এবং সুপার স্টাবিলিটি।

মি ৪০০০ কিলোমিটারের 

মত টায়ারটা ইউস করছি এবং 

আমি টোটাল্লি স্যাটিসফাইড। 

আমার মনে হয়না মার্কেটে এই 

বাজেটে এর চেয়ে ভালো রেডিয়াল 

টায়ার আছে তাও ১১০ সেকশনের

(আমি ৫১৫০টাকা দিয়ে নিয়েছিলাম)।

পাহাড়ে, সিটি রাইডে, হাইওয়েতে, 

টুকটাক ভাঙাচোরা রাস্তায় চালিয়েছি,

একবারও মনে হয়নাই চাকার গ্রিপ ছুটে

যাচ্ছে বা ইমব্যালান্স হয়ে যাচ্ছে। 

বিশেষ করে কর্নারিং এ হিউজ একটা

এ্যাডভান্টেজ পাওয়া যায় এই টায়ারের

শেইপের কারনে।

ইভেন এই টায়ারের জন্য মাইলেজ ড্রপ বা

বাইক ভার ভার লাগার মত কোন ইস্যু পাইনি।


এবার খারাপ দিক

সত্যি কথা বলতে এই টায়ারের খারাপ দিক এখনো খুজে পাইনি। 

তবে টায়ারটা আমার বাইকের স্টক টায়ার

(ডানলপ স্পোর্টসম্যাক্স) থেকে একটু শক্ত।

যদিও আমি বাইকের বিষয়ে অনেক 

বেশি খুতখুতে স্বভাবের, 

অন্যরা হয়ত জিনিসটা ফিল করবেনা।


কয়েকদিন পর হয়ত আমি আমার 

রেয়ার টায়ারটাও চেঞ্জ করব এবং 

সেটা অবশ্যই Apollo Alpha H1, 

কারন আমি এই টায়ারের কোয়ালিটিতে

টোটালি স্যাটিসফাইড।

হ্যাপি বাইকিং।