লঞ্চিং এর ১ দিনের মধ্যেই স্টক আউট Karizma XMR

 

গত ১২ ই ফেব্রুয়ারী ২০২৪ তারিখে এক জমকালো লঞ্চিং ইভেন্টের মাধ্যমে Hero Bangladesh লঞ্চ করে Most Awaited ২১০ সিসি স্পোর্টস বাইক Karizma XMR 210.

ফুল ফেয়ারড স্পোর্টস টুরার ক্যাটাগরির এই বাইকটিতে রয়েছে 210 সিসির একটি DOHC 4valve লিকুইড কুলিং পাওয়ারফুল ইঞ্জিন যা 25.5 bhp এবং 20.4 nm টর্ক প্রোডিউস করতে সক্ষম। 

লেটেস্ট ফিচারে ঠাসা Stunning লুকের এই বাইকটি লঞ্চ হবার সাথে সাথেই Karizma প্রেমিদের মধ্যে উত্তেজনার ঝড় বয়ে গেছে।

যার ফলাফল হিসেবে লঞ্চিং এর মাত্র ১ দিন পরেই ২১০+ ইউনিট বাইক বুকড হয়ে গেছে।

বাইকটির প্রাইস এনাউন্স করা হয়েছিলো ৪ লক্ষ ৯৯ হাজার টাকা তবে প্রথম ২১০ জনের জন্য ছিলো স্পেশাল ডিসকাউন্ট ১ লক্ষ টাকা। 

স্পেসিফিকেশনের দিক থেকেও বাইকটি অনেক এডভান্সড। 

হিরো বাংলাদেশ জানিয়েছে তারা এখনো বুকিং চালু রেখেছে এবং বুকিংকৃত বাইকগুলো মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যেই হাতে পাবেন Karizma লাভাররা।  


বাইকিং সম্পর্কিত বিষয়ে বিভিন্ন আপডেট পেতে ফলো করুন আমাদের ফেসবুক পেইজ Bike Doctor BD


অফিশিয়ালি লঞ্চ হলো Karizma XMR 210, দাম কত?


দেশের বাজারে জমকালো বিগেস্ট লঞ্চিং ইভেন্টের মাধ্যমে লঞ্চ হলো মোস্ট Awaited 210cc sports বাইক 

Karizma XMR 210. 

বাইকটির প্রাইস এনাউন্স করা হয় ৪ লক্ষ ৯৯৯৯০ টাকা, 

তবে প্রথম ২১০ জন বাইকটিতে পাবে ১ লক্ষ টাকা ডিস্কাউন্ট। অর্থাৎ ৩ লক্ষ ৯৯৯৯০ টাকায় 


বাইকটি পাওয়া যাবে 

iconic yellow, 

turbo red এবং 

phantom black এই ৩ টি এক্সাইটিং কালারে। 

কোন কালারটি আপনার কাছে বেস্ট লেগেছে কমেন্টে জানাবেন।

একই সাথে লঞ্চ করা হয় Hero Thriller 160R 4v. 

এই বাইকটি এসেছে নতুন কিছু আধুনিক ফিচারের সাথে। 

এর দাম ধরা হয়েছে ২ লক্ষ ৭৪,৯৯০ টাকা, তবে যারা ইন্সট্যান্ট বাইকটি কিনবেন তারা বাইকটি পাবেন ২০,০০০ টাকা ক্যাশব্যাকে 

২ লক্ষ ৫৪,৯৯০ টাকায়। 

সেকেন্ড হ্যান্ড বাইকের মিটার টেম্পারিং !!

জীবনে আর যাই করুন মিটারে মাইলেজ দেখে সেকেন্ড হ্যান্ড বাইকের শোরুম থেকে কখনো পুরাতন বাইক কিনবেন না। 

গতমাসে আমার ব্যবহৃত "হিরো হাঙ্ক" বাইকটি বিক্রির জন্য বিভিন্ন গ্রুপে এবং  ফেসবুক মার্কেটপ্লেসে পোষ্ট করি। যার দাম নির্ধারন করেছিলাম "আটষট্টি হাজার" টাকা। 

"ষাট হাজার কিলোমিটার রান" এবং "পাঁচ বছর ব্যবহৃত।"  

সর্বশেষ ভালো রেসপন্স না পেয়ে পুরাতন বাইক কেনাবেচা করে এরকম একটা  শোরুমে "বাষট্টি হাজার টাকায়" বিক্রি করে দেই।


তার একদিন পরে আমার পোষ্ট দেখা এক ভাই ঐ শোরুমে যায় বাইক কিনতে।

তিনি তখন খেয়াল করেননি যে এটা আমার পোস্ট করা বাইক। উনি প্রায় কিনেই ফেলেছিলেন, এমন অবস্থায় লুকিং গ্লাস ভাঙ্গা দেখে উনার আমার বাইকের কথা মনে পড়ে যাওয়াতে উনি কৌশলে ঐ জায়গা থেকে সরে গিয়ে আমাকে কল দেন।


ওনার থেকে জানতে পারি ওই বাইকের মিটার নাকি কমিয়ে "বারো হাজার রান" করে ফেলছে। টায়ারটি পাল্টানোর কারনে উনি বুঝতেই পারেননি বাইকটি এতো বেশী পুরোনা। এছাড়া দাম চেয়েছে অনেক বেশি।

পুরাতন বাইকের ব্যাবসায়ীরা মিটার ট্যাম্পারিং করে এটা জানতাম, তবে প্রায় "একষট্টি হাজার" কিলোমিটার চলা একটা  বাইক কারসাজি  করে মাত্র "বারো হাজার" দেখিয়ে বিক্রি করতে পারে এমনটা কখনো ভাবিনি। 

তাই যারা মিটারে অল্প মাইলেজ দেখে খুশি হয়ে বেশি দামে পুরাতন বাইকের শোরুম থেকে বাইক কিনে ফেলেন তাদেরকে বলবো ভালো করে বাইকের কন্ডিশন বুঝে তারপর দরদাম করে বাইক কিনবেন। মিটারে কম মাইলেজ দেখে বাইক কিনলে ঠকে যাবার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকবে। কারন ইউজারের ইউজের ভিত্তিতে অনেক সময় মাত্র পাচ হাজার কিমিতেও বাইকের অবস্থা খুব খারাপ হয়ে যেতে পারে, আবার যারা যত্ন করে ইউজ করে তাদের হাতে একই মডেলের বাইক ৫০ হাজার কিমিতেও অনেক ফ্রেশ এবং হেলদি কন্ডিশনে থাকে। 

তাই ইউজড বাইক কিনলে অবশ্যই বাইকের কন্ডিশন বুঝে কেনা উচিত। 

সবাইকে সচেতন করার জন্য পোস্টটি শেয়ার করুন। 


অভিজ্ঞতা জানিয়েছেনঃ Md Nurul Haque