৩১২ সিসির নতুন স্টান্ট বাইক
মোটরসাইকেল ইন্ডাস্ট্রি ক্রমেই বড় হচ্ছে,
মোটরসাইক্লিং এখন যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন পারপাসে।
যেমন ভ্রমনপিপাসুরা বেছে নিচ্ছেন মোটোট্রাভেলিং,
অফিস গামীরা বেছে নিচ্ছেন কমিউটিং বাইক, আবার যারা শহরের পাশাপাশি মাঝে মাঝে অফরোডিং করতে ভালোবাসেন তারা ঝুকছেন ডুয়াল পারপাস বা এডভেঞ্চার টুরার টাইপের বাইকের দিকে। ব্রান্ডগুলো ও তাই বিভিন্ন পারপাস সার্ভ করার জন্য বিভিন্ন ক্যাটাগরি ও ডিজাইনের মোটরসাইকেল নিয়ে আসছে বাজারে।
যাদের কম্ফোর্ট এবং টুকটাক মালামাল ক্যারি করার স্পেস দরকার তাদের জন্য আছে স্কুটি বা ম্যাক্সিস্কুটার।
কিন্ত একটা বড় বাইকার পোর্শন রয়ে গেছে যারা বাইক স্টান্টকে নিয়েছেন প্রোফেশন হিসেবে।
কিন্ত দুঃখজনক হলেও সত্য, স্টান্ট রাইডারদের কথা ভেবে কোনো বাইকের ব্রান্ড নির্দিষ্টভাবে কোনো বাইক ডিজাইন করে না।
সাধারণত স্টান্ট রাইডাররা পাওয়ারফুল ইঞ্জিনের কোনো একটা বাইক কিনে তাদের প্রয়োজনমত বিভিন্ন ইকুইপমেন্ট ইন্সটল করে নেয়।
বডিপার্টের শেপ চেঞ্জ করে মোডিফিকেশন করে নেয় যা অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং সময়সাপেক্ষ, একই সাথে কিছুটা ঝুকিপুর্ন৷ কারন স্টান্ট মোডিফিকেশনগুলো খুব বেশি সেন্সেটিভ হয়ে থাকে এবং মেজারমেন্ট একুরেট হওয়া খুব বেশি জরুরি।
এবার স্টান্ট লাভারসদের জন্য এলো 310 সিসির স্টান্ট এডিশন। মুলত এটি RTR 310 বাইকটির স্টান্ট ভার্সন। বাইকের বডি, ট্যাংক, মাডগার্ড, হেডলাইট, ব্যাকপ্যানেল, টায়ার, ব্রেক সেটাপ সহ বিভিন্ন জায়গায় আনা হয়েছে স্টান্ট ফ্রেন্ডলি চেঞ্জেস।
যদিও এটা একটা থার্ড পার্টি মোডিফিকেশন, তবে কাজটা বেশ সুন্দর এবং নিখুঁত হয়েছে যা প্রশংসার দাবীদার।
এই বাইকের 312cc লিকুইড কুল্ড ইঞ্জিন 35.6 ps পাওয়ার এবং 28.7 nm. টর্ক ডেলিভারি করতে পারবে। বাইকে কুইক শিফটার এবং ডুয়াল চ্যানেল এবিএস থাকবে তবে এবিএস হবে সুইচেবল। রাইডার ইচ্ছেমত এবিএস অন অফ করতে পারবে।
দেশে সিসি লিমিট যেহেতু বেড়েছে সেই সাথে স্টান্ট রাইডিং বর্তমান সময়ে বাংলাদেশে একটি স্টাবলিশড স্পোর্টস এবং প্রোফেশন। তাই TVS 310 Stunt Edition আমরা বাংলাদেশের বাজারে আশা করতেই পারি।
ফলো করুন আমাদের ফেসবুক পেইজ BIKE DOCTOR BD






