লিজেন্ডারি Yamaha R1 এর সমাপ্তি

অনেক দিন ধরেই শোনা যাচ্ছিলো সমাপ্ত হতে যাচ্ছে ইয়ামাহার লিজেন্ডারি R1 সিরিজের যাত্রা। 

তবে এবার তা সত্যি হতে যাচ্ছে। 

ডিজাইন এবং প্রযুক্তিগত কারনে বহুবছর জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছিলো Yamaha R1 এর প্রায় প্রতিটি এডিশন। সর্বশেষ R1M এডিশন টেকনোলজিক্যালি অনেক এডভান্সড ছিলো এবং এর ট্র‍্যাক পার্ফমেন্স ছিলো অসাধারণ। 

৯৯৮ সিসির ক্রসপ্লেইন ফোর সিলিন্ডারের একটি পাওয়ারফুল ইঞ্জিন ছিলো এই বাইকে, যা ২০০ হর্সপাওয়ার এবং ১১৩ নিউটন মিটার টর্ক প্রোডিউস করতে পারতো। 

বাইকটিতে এত বড় ইঞ্জিন থাকার পরেও এর ওজন ছিলো মাত্র ২০২ কেজি। 

কারন কুইক ল্যাপটাইম এনশিওর করার জন্য স্পীডের দিকে খুব ফোকাস করা হয়েছিলো। 

এরোডায়ানামিক ডিজাইনের পাশাপাশি বাইকটিকে লাইট ওয়েট করার জন্য ইউজ করা হয়েছিলো কার্বন ফাইবার। 


কিন্ত দুঃখজনক হলেও সত্য যে এত জনপ্রিয়তা থাকা স্বত্বেও ইয়ামাহা মোটর জাপানকে R1 সিরিজের প্রোডাকশন বন্ধ করে দিতে হচ্ছে। কারন, আমরা জানি পরিবেশ দুষন নিয়ে পুরো পৃথিবী বর্তমানে ভীষণ কন্সার্ন। ইউরোপ এবং আমেরিকার পরিবেশ দুষন আইন সাংঘাতিক কড়াকড়ি এমনকি আমাদের পাশের দেশ ভারতেও BS6 কম্পলায়েন্ট ইঞ্জিন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। 


যেহেতু R1 সিরিজের একটা বড় মার্কেট ইউরোপ এবং আমেরিকা কেন্দ্রিক তাই তাদের মার্কেটে কোনো বাইক রিলিজ করতে হলে অবশ্যই তাদের ইমিশন স্ট্যান্ডার্ড মিট করতেই হবে। 

এতদিন সব ঠিকঠাক থাকলেও ইউরোপের ইমিশন স্ট্যান্ডার্ড আপডেট হয়ে EURO 5+ হবার কারনে Yamaha R1M এই স্ট্যান্ডার্ড মিট করতে ফেইল করেছে। 

একই সাথে Yamaha Motor Japan বিভিন্নভাবে চেস্টা করে দেখেছে বর্তমান R1M এর ইঞ্জিন আপডেট করে EURO5+ ইমিশন স্ট্যান্ডার্ডে কনভার্ট করা সম্ভব নয়। তাই তারা R1 কে ডিসকন্টিনিউ করার ঘোষণা দিতে বাধ্য হয়েছে। একই কারনে ২০২০ সালেও ইয়ামাহার আরেকটি জনপ্রিয় মডেল R6 এর প্রোডাকশন বন্ধ হয়ে গিয়েছিলো। 

শেষ পর্যন্ত ইয়ামাহা মোটর জাপান ঘোষণা দিয়েছে ২০২৪ সালের পর R1 সিরিজের আর কোনো নতুন সংস্করণ আসবে না। তবে বর্তমান মডেলগুলো ২০২৮ সাল পর্যন্ত এভেইলেবল থাকবে এবং ইউরোপের রাস্তায় চলতে পারবে। 


লেখাঃ ইকবাল আব্দুল্লাহ রাজ 

এডমিন, Bike Doctor BD

১৮৪ সিসির ইঞ্জিন নিয়ে আসছে Hornet 2.0

ভারতের বাজারে বেশ কিছু মাস আগেই লঞ্চ হয়ে গেলো Honda Hornet 2.0

Honda Hornet 2.0 বাইকে রয়েছে একটি পাওয়ারফুল 184 cc সিংগেল সিলিন্ডার ইঞ্জিন। 


এই ইঞ্জিন সর্বোচ্চ 17.26 bhp শক্তি ও 16 Nm টর্ক উৎপাদন করতে সক্ষম।



বড় চেঞ্জেস গুলোর মধ্যে USD suspension চোখে পড়বে সবার আগে।


এই বাইকের সামনে ও পেছনে ডিস্ক ব্রেক রয়েছে। এছাড়া এই বাইক প্রতি লিটারে সর্বোচ্চ প্রায় 57.35 কিলোমিটার মাইলেজ দিতে সক্ষম।



বাড়তি পাওনা হিসেবে ডান পাশের ইন্সট্রুমেন্ট কন্সোলে থাকছে ইঞ্জিন কিল সুইচ।



স্পোর্টি স্প্লিট সীট এই বাইকে আরো একটা নতুন মাত্রা যোগ করেছে।


Hornet 2.0 বাইকে দেয়া হয়েছে দুর্দান্ত কিছু ফিচারস যা বাইকপ্রেমীদের আকর্ষণ করবেই।

অত্যাধুনিক ফিচার গুলোর মধ্যে

One touch self start,

লিকুইড ক্রিস্টাল ডিস্প্লে,

ডিজিটাল স্পিডোমিটার, টেকোমিটার, ওডোমিটার, নেভিগেশন,

বুট স্পেস, LED লাইটস, ল্যাপ টাইমার, টিউবলেস টায়ার, হ্যাজার্ড লাইট,

Metal alloy wheels আর ডিজিটাল ইন্ডিকেটর এর মত বেশ কিছু সুবিধা অন্যতম । থাকছে বেশ কিছু এক্সাইটিং কালার ভেরিয়েন্ট।


Honda Hornet 2.0 বাইকটি ভারতের বাজারে ১ লক্ষ ৪০ হাজার রুপি প্রাইস ট্যাগে সেল হচ্ছে। 


এবার শুধু অপেক্ষা বাংলাদেশের বাজারে এই বাইকটি লঞ্চ হবার... 


Yamaha FZS V2.0-FZN150D ইউজার ম্যানুয়াল

 বাইকের মেইন্টেনেন্স নিয়ে অনেকের থাকে অনেক প্রশ্ন, অনেক জিজ্ঞাসা।


ফেসবুক গ্রুপে হেল্প সিকিং পোস্টে জেনে না জেনে অনেকেই দেন পরামর্শ। 

কোনটা সঠিক পরামর্শ আর কোনটা ভুল সেটা নিয়েও রয়ে যায় কনফিউশান। 

তাই সঠিক মেইন্টেনেন্স এবং রিকমেন্ডেশন খুজে পাবার সবচেয়ে সহজ এবং নির্ভরযোগ্য উপায় হলো অউনারস ম্যানুয়াল, কিন্ত কোথায় পাবেন এই অউনারস ম্যানুয়াল? 


মোটরসাইকেল ইউজারদের মধ্যে মোটরসাইকেল চালানোর দক্ষতা থাকলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই নিজের মোটরসাইকেলের মেইন্টেনেন্স নলেজ অথবা ছোটখাটো বেসিক নলেজ থাকেনা।


কি ভাবে মেইনটেইন করলে বাইক ভালো থাকবে? 

কোন গ্রেডের ইঞ্জিন অয়েল ঢালবো?

পেট্রোল ইউজ করবো নাকি অকটেন?

প্লাগ কতদিন পর পর চেঞ্জ করতে হয়?

ইঞ্জিন অয়েল কি পরিমাণ ঢালতে হবে ইত্যাদি ইত্যাদি। 


এই জিজ্ঞাসা গুলো নিয়ে আমরা অনেক সময়ই ফেসবুক গ্রুপগুলোতে পোস্ট দেই। কিন্ত ফেসবুকে পোস্ট দেয়ার সুবিধার পাশাপাশি কিছু অসুবিধাও আছে। 

যেমন ধরুন গ্রুপে যদি ১০০ জন আপনাকে সাজেশন দেয় তাহলে আপনি ১০০ ধরনের সাজেশন পাচ্ছেন, এতে আপনার কনফিউশান বাড়বে। কোন সাজেশন টা সঠিক সেটা খুজে পাবেন না। পাজলড হয়ে যাবেন। 

তাছাড়া যারা সাজেশন দিচ্ছে তাদের ও সেই বিষয়ে প্রপার নলেজ আছে কিনা সেটাও কিন্ত বড় একটা প্রশ্ন। 


অথচ আপনার সম্ভাব্য সকল জিজ্ঞাসার উত্তর এবং গাইডলাইন কিন্ত আপনার হাতেই রয়েছে। 

অবাক হচ্ছেন? জি ঠিকই বলছি। 

আপনার মোটরবাইক সম্পর্কিত যাবতীয় প্রয়োজনীয় তথ্য, মেইন্টেনেন্স গাইডলাইন, পার্টস ইনফরমেশন, ইঞ্জিন অয়েল রিকমেন্ডেশন, পার্টস রিপ্লেসমেন্ট, ইঞ্জিন অয়েল লেভেল, পিরিয়ডিক চেক আপ সহ সব ধরনের প্রপার গাইড লাইন দেয়া আছে আপনার বাইকের  ইউজার ম্যানুয়াল বইতে। যেটা পড়লে বাইক এবং বাইকের মেইন্টেনেন্স বিষয়ে আপনি নিজেই হয়ে যেতে পারেন মাস্টার... 

কিন্ত কোথায় পাবেন ইউজার ম্যানুয়াল? 

সাধারণত প্রতিটি নতুন বাইকের সাথেই ইউজার ম্যানুয়াল শোরুম থেকে দিয়ে দেয়া হয়। যদি না পেয়ে থাকেন তাহলে চেয়ে নিন। আর যদি হারিয়ে গিয়ে থাকে তাহলে অনলাইন থেকে ইউজার ম্যানুয়ালের e কপি ডাউনলোড করে নিতে পারেন। ধন্যবাদ। 


Yamaha FZS v2 ইউজার ম্যানুয়াল ডাউনলোড করুন এখান থেকে  YAMAHA FZ V2.0- fzn150d- User Manual