Hero XMR 210 চালিয়ে কেমন লাগলো?

প্রথম ১০০ কিমি চালিয়ে ব্যক্তিগত মতামত শেয়ার করেছেন Hero XMR Owner 

-- Rezwan Hossain.

জেন্টলি ক্রুজ করে সর্বোচ্চ ৯০ পর্যন্ত স্পিড তুলেছি।

সিটি, হাইওয়ে, বালির রাস্তা, গ্রাম সব মিলিয়ে চালানো হয়েছে। 

বিভিন্ন দিক-

✅ সিটিং পজিশন - এত ভাল যেটা আশাতীত।

✅ মাইলেজ- ৩৩ দেখায় এভারেজ। আমার প্রত্যাশা ৩৫। যা একটা সার্ভিসের পর আরো বেশি পাব আশাকরি।

✅ লুক- এটা নিয়ে বলার ভাষা নাই। ব্যক্তিগত মত হচ্ছে বর্তমানে বাংলাদেশের সবচেয়ে গুড লুকিং বাইক।

✅ এক্সেলেরেশন- নতুন বাইক কিন্তু খুব স্মুথ। আর কিছু বলব না একবার চালাইলে বুঝবেন।

✅ ব্রেকিং - সুপার 👌👌

✅ ভাইব্রেশন- যেহেতু রেভিং করিনি মন্তব্য করতে পারছি না। যা চালিয়েছি তাতে অতিরিক্ত ভাইব্রেশন টাইপ কিছু ফিল হয়নি।টা

✅ টায়ার গ্রীপ- অনেক ভাল কনফিডেন্স পাচ্ছি আলহামদুলিল্লাহ। তবে রেডিয়াল টায়ার হলে আরো ভালো হতো। 

✅ হিটিং- লিকুইড কুলিং থাকায় বাড়তি হিট হচ্ছে বলে মনে হয় নাই। তবে একটানা দীর্ঘ রাইড করলে ভালো বুঝা যেতো।

✅ সাউন্ড - আরপিএম ভেদে একেক রকম। লো আরপিএমে জেন্টল সাউন্ড। খারাপ না। 

সবমিলিয়ে আমি প্রত্যাশা থেকে বেশি খুশি আলহামদুলিল্লাহ। আমি এর আগে দীর্ঘ সময় ধরে যে বাইক গুলা চালিয়েছি- পালসার ১৫০, 

ডিসকভার ১৩৫, 

জিক্সার এস এফ এফ আই এবিএস এবং 

Yamaha R15 v3. ভুল ভ্রান্তি ক্ষমা করবেন।

চেইনলুবে অপচয়, গিয়ার অয়েলে হবে জয়

 

একটা সময় চটকদার বিজ্ঞাপন এবং পেইড রিভিউ দেখে নামি ব্রান্ডের দামি চেইন লুব ইউজ করেছিলাম বেশ কিছুদিন।

কিন্ত খুব অবাক হলাম যখন দেখলাম  মাত্র ২০০ কিমি 
না যেতেই চেইন শুকিয়ে আবার আগের মত 
খড়খড়ে হয়ে যাচ্ছে।
৪০০-৫০০ টাকার চেইন লুব সর্বোচ্চ ৭-৮ বার ইউজ করলেই শেষ। তার উপর বারবার লুব করার ঝামেলা। 

খুজতে থাকলাম এই সমস্যার কারন এবং সমাধান।

কারন খুজতে গিয়ে যা পেলাম তা হলো, আমাদের দেশের আবহাওয়া এবং পরিবেশ। অর্থাৎ আমাদের দেশে আমরা অতিরিক্ত ধুলাবালিপুর্ন রাস্তায় নিয়মিত বাইক চালাই, সেই সাথে বছরের প্রায় ৩ ভাগের একভাগ থাকে কাদাবৃস্টি। তাই চেইন লুব কোনোভাবেই ভালো কভারেজ দিতে পারেনা। 

সমাধান হিসেবে ইঞ্জিন অয়েল এবং গিয়ার অয়েল ইউজ করলাম এবং আবারো অবাক হলাম চেইন লুব হিসেবে গিয়ার অয়েলের পার্ফমেন্স দেখে।

অনেক দীর্ঘ সময় ধরে কভারেজ দিতে সক্ষম গিয়ার অয়েল। দামও অনেক কম। 

ধুলাবালি কাদাবৃস্টি যাই হোক গিয়ার অয়েল দিয়ে একবার চেইন লুব করে নিলে কমপক্ষে ৪০০-৫০০ কিলো খুব সুন্দর ভাবে চলে। প্রচুর পিচ্ছিল হওয়ায় চেইন স্প্রকেটের ফ্রিকশন অনেক কমে যায়, ফলে চেইনের লাইফস্প্যান বেড়ে যায়। ভারী হবার কারনে সহজে চেইন শুকিয়ে যায় না। লুব্রিসিটি ধরে রাখে দীর্ঘ সময় ধরে। চেইনের স্মুথ অপারেশনের কারনে বাইকের মাইলেজও সামান্য বাড়ে। 

আরো অবাক করা ব্যাপার হলো শুধু আমি না,  হাজার হাজার বাইকারের অভিজ্ঞতাও ঠিক আমার মত এবং তারাও দামী দামী চেইন লুব কিনে ধরা খেয়ে পরে বিকল্প হিসেবে গিয়ার অয়েল ব্যাবহার করে অনেক ভালো রেজাল্ট পাচ্ছেন। 

দামী চেইন লুব খারাপ সেটা কিন্ত বলছি না, চেইনলুব অবশ্যই ভালো পার্ফমেন্স দেয় তবে যেখানে ধুলোবালি, কাদা নেই কেবল সেই সমস্ত যায়গায়। যেমন ধরুন ইন্দোনেশিয়া বা থাইল্যান্ডের মত দেশে। 

ব্রান্ড ভেদে ১ লিটার ৯০ অথবা ১৪০ গ্রেডের গিয়ার অয়েলের দাম ২৫০-৩০০ টাকার মধ্যেই৷

এক লিটার গিয়ার অয়েল দিয়ে প্রায় ৪০ বারের বেশি চেইন লুব করা সম্ভব। 

অর্থাৎ দেড় থেকে দুই বছর অথবা ২০ হাজার কিলোমিটার চলার জন্য চেইন লুব বাবদ খরচ করতে হচ্ছে মাত্র আড়াইশো টাকা। 

এবার নিজেই সিদ্ধান্ত নিন চেইন স্প্রকেট থেকে বেস্ট পার্ফমেন্স পেতে চেইনের যত্নে আপনি কোনটা বেছে নেবেন?? 

বেশি দামী কম কার্যকরী চেইনলুব নাকি বেশি কার্যকরী সস্তা গিয়ার অয়েল? 

লেখাঃ Admin, Bike Doctor BD.

নিরবে লঞ্চ হলো Pulsar NS 125. দাম কত?

 Launched Pulsar NS 125 In Bangladesh


Pulsar NS160 is a popular naked sports bike in Bangladesh. Now we are Getting A Smaller Version of it. Lets know About it.


Super powerful