১০ বছরের এক্সটেন্ডেড ওয়ারেন্টি দিচ্ছে হোন্ডা

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে মোটরসাইকেল মানেই হোন্ডা এরকম একটা ব্যাপার আছে। কারন একটা সময় জাপানিজ মোটরসাইকেল ব্রান্ড হোন্ডার বাইকগুলো তার কোয়ালিটি এবং লংজিভিটির সাথে লো-মেইন্টেনেন্স খরচের কারনে আমাদের দেশে এতটাই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিলো যে "মোটরসাইকেল মানেই হোন্ডা" এই ব্যাপারটা অটোমেটিক মানুষের মনে গেথে গিয়েছিলো।

অন্যদিকে হোন্ডাও মানুষের এই প্রচন্ড ভালোবাসার ভ্যালু দেয়ার চেস্টা করে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। ইঞ্জিন রিফাইনমেন্টের দিক থেকে হোন্ডার প্রতিদ্বন্দ্বী পাওয়া কঠিন।

নতুন নতুন মডেল এবং ডিজাইন তো বটেই পাশাপাশি নিয়মিত নতুন টেকনোলজির বাইক লঞ্চ করে হোন্ডা লাভারদেরকে উপহার দিচ্ছে জাপানিজ ব্রান্ড হোন্ডা।


যেনে নিন TVS বাইকে ঘোড়ার ছবি থাকে কেন?


১৫০ সিসি ফোর স্ট্রোক কমিউটার সেগমেন্টে হোন্ডা ইউনিকর্ন এবং ট্রিগারের সাফল্যের পর বাজারে আসে এর আপডেটেড মডেল হোন্ডা হরনেট। 

রাস্তায় প্রচুর হরনেট দেখে এর জনপ্রিয়তা সহজেই বোঝা যায়। পাশাপাশি তারা একই সেগমেন্টে আরো একটা মডেল নিয়ে আসে এক্সব্লেড নামে।

খুব বেশি ফিউচারিস্টিক না হলেও হোন্ডার কোনো বাইক কিনে কেউ হতাশ হয়েছে এমন স্টোরি খুজে পাওয়া অত্যন্ত কঠিন। 


রিসেন্টলি ইন্ডিয়ান মার্কেটে লঞ্চ হলো

HONDA SP160 


নাম শুনেই বোঝা গেলো এটা ১৬০ সিসি কমিউটার সেগমেন্টের বাইক ৷ বেশ কিছু ছবিও হাতে পেলাম যেগুলো দেখে মনে হলো 

বাইকটার ডিজাইন খুব পরিচিত লাগছে। 

আরেকটু ভালো করে খেয়াল করলাম, এবার আবিষ্কার করলাম, বাইকের ইনস্ট্রুমেন্ট প্যানেল হুবহ ন্যাকেড স্পোর্টস বাইক হোন্ডা এক্সমোশনের মত।

সার্ভিস রিমাইন্ডার, ঘড়ি, গিয়ার ইন্ডিকেটর, সাইডস্ট্যান্ড ইন্ডিকেটর সহ প্রয়োজনীয় সকল ইনফরমেশন সহজেই রিড করা যাবে এর ইনভার্টেড LCD প্যানেল থেকে৷ 



ট্যাংক কাউল ডিজাইন হোন্ডা লিভোর মত তবে বেশ বোল্ড এবং মাস্কুলার। 

লুক এনহ্যান্স করার পাশাপাশি এই কাউলগুলো বাইকের এরোডায়ামিকেও

হেল্প করবে ৷

চমৎকার একটা ইঞ্জিন কাউল দেয়া হয়েছে যা বাইকের সৌন্দর্য বাড়িয়ে দিয়েছে। 




HMSI এই বাইকটির কোয়ালিটি নিয়ে এতটাই কনফিডেন্ট যে তারা ১০ বছরের ওয়ারেন্টি অফার করছে ৷ ৩ বছর স্ট্যান্ডার্ড এবং ৭ বছর এক্সেন্ডেড ওয়ারেন্টি এনজয় করতে পারবে এই বাইকের ইউজাররা৷ 

Honda SP160 পাওয়া যাবে ৬ টা এক্সাইটিং কালার ভেরিয়েন্টে। 



হার্ট হিসেবে এতে ইউজ করা হয়েছে ১৬২ সিসির একটা OBD2 কম্পলায়েন্ট প্রোগ্রামড এফ আই [PGM-fi] ইঞ্জিন যা ১৩.৫ বিএইচপি এবং ১৪.৬ নিউটন মিটার অফ টর্ক ডেলিভারি করবে। 

সাথে ইঞ্জিন ওয়ার্ম আপের জন্য থাকছে অটোচোক টেকনোলজি এবং সিগনালে বসে থাকার সময় সহজে ইঞ্জিন বন্ধ করার জন্য দেয়া হয়েছে ইঞ্জিন কিল সুইচ। 


এলইডি হেডলাইট ও টেইল লাইটের সাথে বাড়তি ফিচার হিসেবে যোগ হয়েছে হ্যাজার্ড ইন্ডিকেটর সুইচ। তবে হেডলাইট ডিজাইনটাও হর্নেটের সিমিলার। 




গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স ১৭৭ মিমি। 

বেশ লম্বা এবং চওড়া কমফোর্টেবল সীট ইউজ করা হয়েছে যার লেংথ ৫৯৪ মিলিমিটার। সামনে টেলিস্কোপিক এবং পিছনে মনোশক সাসপেনশনের কম্বিনেশন থাকছে এই বাইকে। 

সিংগেল এবং ডুয়াল ডিস্কের দুটি ভ্যারিয়েন্ট এভেইলেবল থাকবে। এবিএস থাকার কারনে ব্রেকিং ও সেফটি নিয়েও বেশ নিশ্চিন্ত থাকবে এই বাইকের ইউজাররা। 

ভারতের বাজারে এই বাইকের দাম ধরা হয়েছে ১ লক্ষ ১৮ হাজার থেকে ১ লক্ষ ২২ হাজার রুপির মধ্যে। 


আশা করছি বাংলাদেশের বাজারেও বাইকটি খুব দ্রুত লঞ্চ হবে। আমাদের দেশে এলে এই বাইকের দাম কত হওয়া উচিত বলে আপনি মনে করেন? 

কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না।

আসছে ৪০০ সিসির মোস্ট এফোর্ডেবল বাইক

৪০০ সিসির মোস্ট এফোর্ডেবল বাইক  হতে যাচ্ছে

Pulsar NS 400


পালসার NS400 বাজাজের জনপ্রিয় পালসার লাইনআপের একটি বহু প্রতীক্ষিত সংযোজন। 


বাইকটিতে থাকবে একটি 373cc, লিকুইড-কুলড, সিঙ্গেল-সিলিন্ডার ইঞ্জিন। যা 40 bhp এবং 35 Nm পিক টর্ক আউটপুট দেবে। 



প্রিমিয়াম মোটরসাইকেল সেগমেন্টে এটি KTM Duke 390 এবং Royal Enfield Himalayan-এর সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে।
চলতি বছরের মার্চ মাসেই বাজাজ এই বাইকটি লঞ্চ করার ঘোষণা দিয়েছে। এবং বাজাজ যেহেতু বলছে এটি হতে যাচ্ছে মোস্ট এফোর্ডেবল ৪০০ সিসির বাইক তাই দামের ক্ষেত্রে একটা বিরাট চমক থাকবে এটা বলার অপেক্ষা রাখেনা।

বাজাজ পালসার সিরিজ নিয়ে বাইকারদের মধ্যে সবসময়ই একটা বাড়তি উন্মাদনা কাজ করে আর এই উন্মাদনাকে কখনোই বাজাজ নিরাশ করেনি। 

ইতিমধ্যে আমরা দেখেছি 250 সিসি সেগমেন্টে N250 এবং F250 তুলনামূলক অনেক রিজনেবল প্রাইসে মার্কেটে এভেইলেবল হয়েছে যা নিয়ে সবাই বেশ খুশি। 

Suzuki GSX-R 150 ইউজার ম্যানুয়াল

মোটরসাইকেল ইউজারদের মধ্যে মোটরসাইকেল চালানোর দক্ষতা থাকলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই নিজের মোটরসাইকেলের মেইন্টেনেন্স নলেজ অথবা ছোটখাটো বেসিক নলেজ থাকেনা।

তাই মাথার মধ্যে ঘুরতে থাকে অনেক রকম প্রশ্ন, নানা রকম জিজ্ঞাসা।


কি ভাবে মেইনটেইন করলে বাইক ভালো থাকবে? 

কোন গ্রেডের ইঞ্জিন অয়েল ঢালবো?

পেট্রোল ইউজ করবো নাকি অকটেন?

প্লাগ কতদিন পর পর চেঞ্জ করতে হয়?

ইঞ্জিন অয়েল কি পরিমাণ ঢালতে হবে ইত্যাদি ইত্যাদি। 


এই জিজ্ঞাসা গুলো নিয়ে আমরা অনেক সময়ই ফেসবুক গ্রুপগুলোতে পোস্ট দেই। কিন্ত ফেসবুকে পোস্ট দেয়ার সুবিধার পাশাপাশি কিছু অসুবিধাও আছে। 


যেমন ধরুন গ্রুপে যদি ১০০ জন আপনাকে সাজেশন দেয় তাহলে আপনি ১০০ ধরনের সাজেশন পাচ্ছেন, এতে আপনার কনফিউশান বাড়বে। কোন সাজেশন টা সঠিক সেটা খুজে পাবেন না। পাজলড হয়ে যাবেন। তাছাড়া যারা সাজেশন দিচ্ছে তাদের ও সেই বিষয়ে প্রপার নলেজ আছে কিনা সেটাও কিন্ত বড় একটা প্রশ্ন। 


অথচ আপনার সম্ভাব্য সকল জিজ্ঞাসার উত্তর এবং গাইডলাইন কিন্ত আপনার হাতেই রয়েছে। 

অবাক হচ্ছেন? জি ঠিকই বলছি। 

আপনার মোটরবাইক সম্পর্কিত যাবতীয় প্রয়োজনীয় তথ্য, মেইন্টেনেন্স গাইডলাইন, পার্টস ইনফরমেশন, ইঞ্জিন অয়েল রিকমেন্ডেশন, পার্টস রিপ্লেসমেন্ট, ইঞ্জিন অয়েল লেভেল, পিরিয়ডিক চেক আপ সহ সব ধরনের প্রপার গাইড লাইন দেয়া আছে আপনার বাইকের সাথে প্রোভাইড করা ইউজার ম্যানুয়াল বইতে।

Suzuki GSX-R 150 User Manual  ডাউনলোড করুন 

এই লিংক থেকে - Suzuki GSX-R 150 User Manual

জুলাই মাসেই দেশের রাস্তা কাপাবে Royal Enfield

জুলাই মাসের মধ্যে দেশের বাজারে স্থানীয়ভাবে তৈরি

রয়্যাল এনফিল্ড মোটরসাইকেল লঞ্চ করবে বলে 

জানিয়েছে Royal Enfield এর বাংলাদেশের পরিবেশক

ইফাদ মোটরস।

ইফাদ গ্রুপের ডিরেক্টর তাসকিন আহমেদ জানিয়েছেন, ক্লাসিক, বুলেট, হান্টার এবং মিটিওর- এই ৪ টি মডেলই স্থানীয়ভাবে তৈরি করা হবে। 
তিনি আরো বলেন,
"আমরা দাম যতটা সম্ভব কম রাখার চেষ্টা করব তবে বাজারমুল্য ডলারের দামের উপর নির্ভর করবে,"

আশা করা হচ্ছে, ডলারের দাম ১২৫ টাকার মধ্যে থাকলে চারটি মডেলের সম্ভাব্য দাম ৫ থেকে ৬ লাখ টাকার মধ্যে হতে পারে।

ইফাদ মোটরসের ম্যানুফ্যাকচারিং প্লান্টে বছরে তৈরি হবে মোট ৪০ হাজার রয়েল এনফিল্ড মোটরসাইকেল। 

রয়্যাল এনফিল্ড, একটি বহু পুরানো এবং জনপ্রিয় টু-হুইলার ব্র্যান্ড। এর প্রতি দেশের বাইকারদের রয়েছে অন্যরকম আকর্ষণ। 

সরকার গত বছরের শেষের দিকে ১৬৫সিসির বেশি ইঞ্জিন ক্ষমতা সম্পন্ন স্থানীয়ভাবে তৈরি মোটরসাইকেল বিক্রি করার অনুমতি দিয়েছে, তবে সর্বোচ্চ লিমিট নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৭৫ সিসি পর্যন্ত। 

বাজাজ ইতিমধ্যে বাজারে তাদের ২৫০ সিসির Pulsar N250 লঞ্চ করেছে এবং বিক্রিও শুরু করেছে। বাইকটির মুল্য মাত্র ৩ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা রাখা হয়েছে, যেটা বেশ যুক্তিসঙ্গত এবং সহনীয় দাম বলেই সবাই মনে করছে। খুশি বাইক প্রেমিরাও। বাইকগুলো রেজিষ্ট্রেশন পেয়ে
রাস্তায় চলাচল করছে। 
অন্যান্য আরো কিছু ব্রান্ডের হাইয়ার সিসি আছে পাইপ লাইনে।

Royal Enfield এর জন্য অপেক্ষায় থাকা
বন্ধুদের সাথে নিউজটি শেয়ার করুন।

A Journey With Alpollo Alpha H1

Apollo Alpha H1 নিয়ে

অভিজ্ঞতা জানাচ্ছেন 

বাইকার ----জুলকার নাইম



স্টক টায়ারে ২৩ হাজার কিলোমিটার চালানোর পর 
ফ্রন্ট টায়ার টা আর সাপোর্ট দিচ্ছিলো না।
ভাবলাম চেঞ্জ করে নেই। 
কিন্তু সমস্যা হল,কি টায়ার নিবো এইটা নিয়ে 
হিউজ কনফিউজড ছিলাম। 
বিশেষ করে  ১১০/৭০ সেকশনের ফ্রন্ট 
রেডিয়াল টায়ার পাওয়াটা একটু ডিফিকাল্ট ছিল।
যেগুলো পাই সেগুলো হয় বায়াসড টায়ার,
অথবা বাজেটের বাইরে।

হঠাৎ করেই দেখলাম অ্যাপোলোর একটা 
রেডিয়াল টায়ার আছে যেটা পারফেক্টলি 
আমার বাইকের সাইজে আসে।
খোজ খবর নিলাম, ইভেন গ্রুপেও পোস্ট করি 
ডিটেইলস জানার জন্য।
বাট তখন এই টায়ারের এত ইউসার না থাকায় 
অইভাবে রেসপন্স পাইনি।
ইউটিউবে একটু ঘাটাঘাটি করে যেটা দেখলাম,
পাশের দেশে এই টায়ারটা বেশ জনপ্রিয়,
বিশেষ করে কে,টি,এম ডিউক/আর,সি সিরিজে।
ইউসার ফিডব্যাকও বেশ ভালো।
ফাইনাল ডিসিশন নিয়ে নিলাম,
Apollo Alpha H1 ই সই।

এবার এই টায়ারের কিছু ভালো আর

খারাপ দিক নিয়ে কথা বলি।


প্রথমেই ভালো দিক

এক কথায় অস্থির লেভেলের একটা টায়ার।

সুপার গ্রিপ এবং সুপার স্টাবিলিটি।

মি ৪০০০ কিলোমিটারের 

মত টায়ারটা ইউস করছি এবং 

আমি টোটাল্লি স্যাটিসফাইড। 

আমার মনে হয়না মার্কেটে এই 

বাজেটে এর চেয়ে ভালো রেডিয়াল 

টায়ার আছে তাও ১১০ সেকশনের

(আমি ৫১৫০টাকা দিয়ে নিয়েছিলাম)।

পাহাড়ে, সিটি রাইডে, হাইওয়েতে, 

টুকটাক ভাঙাচোরা রাস্তায় চালিয়েছি,

একবারও মনে হয়নাই চাকার গ্রিপ ছুটে

যাচ্ছে বা ইমব্যালান্স হয়ে যাচ্ছে। 

বিশেষ করে কর্নারিং এ হিউজ একটা

এ্যাডভান্টেজ পাওয়া যায় এই টায়ারের

শেইপের কারনে।

ইভেন এই টায়ারের জন্য মাইলেজ ড্রপ বা

বাইক ভার ভার লাগার মত কোন ইস্যু পাইনি।


এবার খারাপ দিক

সত্যি কথা বলতে এই টায়ারের খারাপ দিক এখনো খুজে পাইনি। 

তবে টায়ারটা আমার বাইকের স্টক টায়ার

(ডানলপ স্পোর্টসম্যাক্স) থেকে একটু শক্ত।

যদিও আমি বাইকের বিষয়ে অনেক 

বেশি খুতখুতে স্বভাবের, 

অন্যরা হয়ত জিনিসটা ফিল করবেনা।


কয়েকদিন পর হয়ত আমি আমার 

রেয়ার টায়ারটাও চেঞ্জ করব এবং 

সেটা অবশ্যই Apollo Alpha H1, 

কারন আমি এই টায়ারের কোয়ালিটিতে

টোটালি স্যাটিসফাইড।

হ্যাপি বাইকিং।

Hero HF Deluxe বাইকের ইউজার ম্যানুয়াল

মোটরসাইকেল ইউজারদের মধ্যে মোটরসাইকেল চালানোর দক্ষতা থাকলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই নিজের মোটরসাইকেলের মেইন্টেনেন্স নলেজ অথবা ছোটখাটো বেসিক নলেজ থাকে না।

তাই মাথার মধ্যে ঘুরতে থাকে অনেক রকম প্রশ্ন, 

নানা রকম জিজ্ঞাসা।



কি ভাবে মেইনটেইন করলে বাইক ভালো থাকবে? 

কোন গ্রেডের ইঞ্জিন অয়েল ঢালবো?

পেট্রোল ইউজ করবো নাকি অকটেন?

প্লাগ কতদিন পর পর চেঞ্জ করতে হয়?

ইঞ্জিন অয়েল কি পরিমাণ ঢালতে হবে ইত্যাদি ইত্যাদি। 


এই জিজ্ঞাসা গুলো নিয়ে আমরা অনেক সময়ই ফেসবুক গ্রুপগুলোতে পোস্ট দেই। কিন্ত ফেসবুকে পোস্ট দেয়ার সুবিধার পাশপাশি কিছু অসুবিধাও আছে। 


যেমন গ্রুপে যদি ১০০ জন আপনাকে সাজেশন দেয় তাহলে আপনি ১০০ ধরনের সাজেশন পাচ্ছেন, এতে আপনার কনফিউশান বাড়বে। কোন সাজেশন টা সঠিক সেটা খুজে পাবেন না। পাজলড হয়ে যাবেন। তাছাড়া যারা সাজেশন দিচ্ছে তাদের ও সেই বিষয়ে প্রপার নলেজ আছে কিনা সেটাও কিন্ত বড় একটা প্রশ্ন। 


অথচ আপনার সম্ভাব্য সকল জিজ্ঞাসার উত্তর এবং গাইডলাইন কিন্ত আপনার হাতেই রয়েছে। 


অবাক হচ্ছেন? জি ঠিকই বলছি। 


আপনার মোটরবাইক সম্পর্কিত যাবতীয় প্রয়োজনীয় তথ্য, মেইন্টেনেন্স গাইডলাইন, পার্টস ইনফরমেশন, ইঞ্জিন অয়েল রিকমেন্ডেশন, পার্টস রিপ্লেসমেন্ট, ইঞ্জিন অয়েল লেভেল, পিরিয়ডিক চেক আপ সহ সব ধরনের প্রপার গাইড লাইন দেয়া আছে আপনার বাইকের সাথে প্রোভাইড করা ইউজার ম্যানুয়াল বইতে।

ডাউনলোড Hero HF Deluxe User Manual

Price & Discount Offer

Available Motorbikes In Bangladesh.

[Price Update Of January 2024 ]


250cc Commuter

Bajaj Pulsar N250 : 



3 lac 39,999 bdt




150-165 CC Commuter

Honda Hornet 160R CBS : 



2 lac 12,000/- bdt




Honda Xblade 160R SD :



1 lac 92,500/- bdt




Honda Xblade Dual Disk ABS : 

2 lac 18,500/- bdt


Suzuki Gixxer Monotone :



1 lac 99,500/- bdt




Gixxer Fi ABS : 

2 lac 66,950/- bdt



Suzuki Gixxer SF fi ABS : 
3 lac 22,950


Yamaha FZS Version 2 : 

2 lac 33,000/- bdt



FZS Version 3 deluxe : 

2 lac 73,000/- bdt



Yamaha Fazer Version 2 :

3 lac 25,000/-


Yamaha FZ-X : 

3,00,000/- bdt



TVS RTR 160 4v Dual Disk : 

2 lac 14,999/- bdt


TVS RTR 160 4v Single Disk : 

1 lac 97,999/- bdt (after cash back offer)


TVS RTR 160 4v ABS : 

2 lac 34, 999/- bdt (after cashback offer)


TVS RTR 160 4v fi ABS : 

2 lac 69,999/- bdt










TVS Apache RTR 2v ABS :

1 lac 94,999/- bdt




Bajaj Pulsar N160 fi Dual ABS :

2 lac 69,900 (cash back offer 10,000/- bdt)



Loading more...





Pulsar N160 বাইকের ইউজার ম্যানুয়াল

মোটরসাইকেল ইউজারদের মধ্যে মোটরসাইকেল চালানোর দক্ষতা থাকলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই নিজের মোটরসাইকেলের মেইন্টেনেন্স নলেজ অথবা ছোটখাটো বেসিক নলেজ থাকে না


তাই মাথার মধ্যে ঘুরতে থাকে অনেক রকম প্রশ্ন, নানা রকম জিজ্ঞাসা।

কি ভাবে মেইনটেইন করলে বাইক ভালো থাকবে? 

কোন গ্রেডের ইঞ্জিন অয়েল ঢালবো?

পেট্রোল ইউজ করবো নাকি অকটেন?

প্লাগ কতদিন পর পর চেঞ্জ করতে হয়?

ইঞ্জিন অয়েল কি পরিমাণ ঢালতে হবে ইত্যাদি ইত্যাদি। 

এই জিজ্ঞাসা গুলো নিয়ে আমরা অনেক সময়ই ফেসবুক গ্রুপগুলোতে পোস্ট দেই। কিন্ত ফেসবুকে পোস্ট দেয়ার সুবিধার পাশপাশি কিছু অসুবিধাও আছে। 

যেমন গ্রুপে যদি ১০০ জন আপনাকে সাজেশন দেয় তাহলে আপনি ১০০ ধরনের সাজেশন পাচ্ছেন, এতে আপনার কনফিউশান বাড়বে। কোন সাজেশন টা সঠিক সেটা খুজে পাবেন না। পাজলড হয়ে যাবেন। তাছাড়া যারা সাজেশন দিচ্ছে তাদের ও সেই বিষয়ে প্রপার নলেজ আছে কিনা সেটাও কিন্ত বড় একটা প্রশ্ন। 

অথচ আপনার সম্ভাব্য সকল জিজ্ঞাসার উত্তর এবং গাইডলাইন কিন্ত আপনার হাতেই রয়েছে। 

অবাক হচ্ছেন? জি ঠিকই বলছি। 

আপনার মোটরবাইক সম্পর্কিত যাবতীয় প্রয়োজনীয় তথ্য,

মেইন্টেনেন্স গাইডলাইন, পার্টস ইনফরমেশন, ইঞ্জিন অয়েল রিকমেন্ডেশন, পার্টস রিপ্লেসমেন্ট, ইঞ্জিন অয়েল লেভেল, পিরিয়ডিক চেক আপ সহ সব ধরনের প্রপার গাইড লাইন দেয়া আছে আপনার বাইকের সাথে প্রোভাইড করা ইউজার ম্যানুয়াল বইতে।

যেটা আমরা বেশিরভাগ মানুষই কখনো পড়ে দেখিনা।

যদি আপনার বাইকের ইউজার ম্যানুয়াল বাইকের সাথে না পেয়ে থাকেন তাহলে যে শোরুম থেকে বাইক কিনেছিলেন সেখানে যোগাযোগ করুন অথবা  কমেন্ট বক্সে আমাদেরকে জানাতে পারেন। আমরা চেস্টা করবো আপনার বাইকের ইউজার ম্যানুয়াল খুজে দিতে।

Bajaj Pulsar N160 বাইকের ইউজার ম্যানুয়াল ডাউনলোড করুন এখান থেকে। Download Pulsar N160 User Manual

ফলো করুন আমাদের ফেসবুক পেইজ BIKE DOCTOR BD

টায়ার কেনার আগে যা অবশ্যই চেক করতে হবে

আমরা যারা মোটরসাইকেল ব্যাবহার করি তাদের মোটরসাইকেলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ কোনটা বলতে পারবেন? চিন্তায় পড়ে গেছেন? আচ্ছা বলে দিচ্ছি, 

মোটরসাইকেলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হচ্ছে এর চাকা বা টায়ার ।  কেননা এই টায়ারের উপর ভর করেই বাইক এবং বাইকের উপর ভর করে আমরা চলাফেরা করি অথচ টায়ার নিয়ে আমাদের মধ্যে রয়েছে অনেক উদাসীনতা। 



টায়ার কিনতে গেলে কোন ধরনের টায়ার কেনা উচিত, কোন টায়ার ভালো হবে এসব বিষয়েও আমরা তেমন কনসার্ন না।

টায়ার কিনতে গেলে যে টায়ারের সাইজ, ধরন, ব্রান্ড এবং কোয়ালিটি দেখার পাশাপাশি যেই জিনিসটা অবশ্যই দেখতে হবে তা হলো টায়ারের তৈরির সাল বা ম্যানুফ্যাকচারিং ডেট। 

বাইকের টায়ারের ক্ষেত্রে তৈরির পর থেকে সর্বোচ্চ ৬ বছর পর্যন্ত টায়ারের গুনগত মান ঠিকঠাক থাকে। তবে পরিবহন ত্রুটি, স্টোরেজ কোয়ালিটি  অথবা আবহাওয়ার কারনেও দ্রুত টায়ার তার কার্যক্ষমতা হারাতে পারে৷ 

তাই সবসময় টায়ার কেনার সময় লক্ষ্য রাখতে হবে বিক্রেতা যেন বেশি পুরানো টায়ার আপনাকে ধরিয়ে দিতে না পারে৷ 

প্রতিটি টায়ারের গায়ে উৎপাদন তারিখ খোদাই করে লেখা থাকে। যেমন 4023 লেখা থাকলে বুঝতে হবে টায়ারটি ২০২৩ সালের ৪০ তম সপ্তাহে প্রস্তত করা হয়েছে। 

টায়ার যত বেশি সময় অব্যাবহৃত থাকবে ততই এর কম্পাউন্ড তার টেম্পার হারাতে থাকবে। আর বেশি পুরানো টায়ার থেকে কখনোই আপনি সঠিক গ্রিপ, সঠিক ব্রেকিং পার্ফমেন্স, এবং ভালো লংজিভিটি পাবেন না৷ 


তাই অবশ্যই চেস্টা করবেন একদম রিসেন্ট ম্যানুফ্যাকচার হওয়া টায়ার কিনার জন্য।

সর্বোচ্চ ৬ মাসের পুরানো টায়ার নিতে পারেন,  তার বেশি নয় 


পোস্ট টি ভালো লাগলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন।

কোনো পরামর্শ বা জিজ্ঞাসা থাকলে কমেন্টে লিখে জানাতে পারেন। ধন্যবাদ।

কি কারনে বসে যাচ্ছে নতুন বাইকের ব্যাটারি?

একটা ভালো ব্যাটারি কমপক্ষে ২ থেকে ৩ বছর চলার কথা, কিন্ত নতুন বাইক কিনতে না কিনতেই যদি ব্যাটারি সমস্যা দেখা দেয় সেটা অবশ্যই চিন্তার বিষয়। 



ব্যাটারি নস্ট হবার পেছনে অনেক রকম কারনই থাকে, তবে যাদের বাইকে Y connect নামের ব্লুটুথ ডিভাইস আছে তারা ব্যাটারির সমস্যাটা অনেক বেশি ফেস করে থাকেন। 

শুরুতে কিছুদিন ঠিকঠাক থাকলেও ফ্রিকোয়েন্টলি 
Y-connect ডিভাইসে ফল্ট আসে এবং এজন্যই ব্যাটারি 
ড্রেইনিং শুরু হয়। 
এই সমস্যা নিয়ে আমাদের ফেসবুক পেইজে প্রচুর ম্যাসেজ এসেছে। প্রাথমিক ভাবে Y-connect ডিভাইসের কানেকশন 
খুলে রাখার পরামর্শ দিয়েছিলাম আমরা। 
ফিডব্যাক হিসেবে কানেকশন খুলে রাখার পর ব্যাটারি ড্রেইনের প্রবলেম সমাধান হয়েছে বলে আমরা জানতে পেরেছি। 

তাছাড়া বিভিন্ন ব্রান্ডের বাইকের সাথে যেই স্টক ব্যাটারি দেয়া থাকে সেটাও অনেক সময় নিম্নমানের হয় অথবা অনেকদিন পড়ে থেকে ড্যামেজ হয়ে গেছে। 
নিম্নমানের RR ইউনিট এবং আর্মেচার কয়েলের কারনেও ব্যাটারি সমস্যায় ভুগতে হয়। 

বাইকের ব্যাটারি নিয়ে নানান প্রশ্ন, উত্তর, অভিজ্ঞতা এবং 
পরামর্শ নিয়ে বিস্তারিত ভিডিও আসছে। ফেসবুকে আমাদের ফলো করতে পারেন

রেট্রো লুকের সাথে মাথানস্ট ফিচার দিলো TVS Ronin

ক্লাসিক বা রেট্রো লুকের বাইকের প্রতি অনেকেরই ব্যাপক ক্রেজ রয়েছে।



তাই বিভিন্ন ব্রান্ড তাদের লাইন আপে যুক্ত করছে রেট্রো লুকের বাইক।
পিছিয়ে নেই জনপ্রিয় ব্রান্ড TVS.

ক্লাসিক লাভারদের জন্য TVS এবার নিয়ে এলো neo-retro ডিজাইনের TVS Ronin.



তবে লুকের দিক থেকে ক্লাসিক ভাইবটা ধরে রাখলেও আধুনিক ফিচার কোনোটাই বাদ যায়নি এই বাইক থেকে।


✅ ডিজিটাল ইন্সট্রুমেন্ট কন্সোল, 

✅ অল এলইডি লাইট, 

✅ ৪১ মিমি USD ফ্রন্ট সাসপেনশন, 

✅ এলয় রিম, 

✅ সেভেন স্টেপ এডজাস্টেবল

✅ মনোশক রিয়ার সাসপেনশন,

✅ টিউবলেস টায়ার, 

✅ USB চার্জিং পোর্ট, 

✅ রাইডিং মোড, 

✅ ৩০০ মিমি বিগার ফ্রন্ট ডিস্ক,

✅ Smart X Connect, 

✅ Voice এবং Ride Assist, 

✅ DRL

✅ ABS Braking Setup সহ

লেটেস্ট সব ফিচার।



হার্ট হিসেবে দেয়া হছে একটি পাওয়ারফুল fi ইঞ্জিন যার Displacement 225.9 cc, 

Max Power 20.1 bhp @ 7750 rpm

Max Torque 19.93 nm.


কুলিং সিস্টেম হিসেবে এড করা হয়েছে অয়েল কুলিং সিস্টেম। রাইডিং মোড হিসেবে আছে URBAN & RAIN.

অন এভারেজ TVS Ronin থেকে মাইলেজ পাওয়া যাবে 42 কিলোমিটার পার লিটার।


Nimbus Gray,

Lightning Black,

Magma Red সহ মোট ৭ টা এক্সাইটিং কালার কম্বিনেশনে

পাওয়া যাবে TVS Ronin.










ভ্যারিয়েন্ট ভেদে ভারতের বাজারে এই বাইকটি লঞ্চ হয়েছে ১ লক্ষ ৭৬ হাজার থেকে শুরু করে ২ লাখ ২ হাজার রুপি প্রাইস রেঞ্জে। 


আশা করা যাচ্ছে বাংলাদেশের বাজারেও এই বাইকটি আসবে। লুক এবং স্পক অনুযায়ী আপনার কাছে কেমন লাগলো TVS Ronin কমেন্টে জানাবেন।


ফলো করুন আমাদের ফেসবুক পেজ BIKE DOCTOR BD